সকল এডুকেয়ারবিডি২৪ এর বন্ধুদের জানাই শুভেচ্ছা। এডুকেয়ারবিডি২৪
নিয়ে কোন সাজেশন থাকলে আমাদেরকে অবশ্যই জানাবেন। কারন আপনাদের সাজেশনই পারে এডুকেয়ারবিডি২৪ কে সমৃদ্ধ করতে।
আমাদের ইমেইলঃ
contact@educarebd24.com

অতিরিক্ত মাত্রার প্রাণিজ প্রোটিন আমাদের জন্য ক্ষতিকর !!!

এইটা আমার প্রথম পোস্ট। কোন ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেকবেন। আসুন এখন মুল কথাই আসা যাক। 
অতিরিক্ত মাত্রার প্রাণীজ প্রোটিন সিগারেটের মতোই ক্ষতিকর। যদিও সবার জন্য নয়। এই সাবধানবাণী প্রযোজ্য পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব পুরুষ এবং মহিলাদের ক্ষেত্রেই। আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার একদল গবেষক- অধ্যাপক সম্প্রতি এই তথ্যটি প্রকাশ করেছেন।
গবেষণা চলেছে বহুদিন ধরেই। মার্কিন মুলুকের এক লক্ষেরও বেশি পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব পরুষ- মহিলাকে নিয়ে সমীক্ষাটি চালিয়েছেন তারা। শুধু আমেরিকাতেই নয়, লন্ডন, ফ্রান্স- সহ অন্য কিছু দেশেও সমীক্ষাটি করা হয়েছিল। গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, পঞ্চাশ থেকে ষাট- এই বসের মধ্যে প্রাণীজ প্রোটিন বেশি খেলে তা থেকে শরীরে নানা ধরনের বিষক্রিয়া তৈরি হতে পারে।তাই ওই বয়েসে মুরগির মাংস, পাঁঠার মাংস, ডিম, মাছ, চিজ এসব যতটা সম্ভাব কম খতে পারলে ভাল। গবেষক এবং চিকিৎসকদেরও দাবি, লাগাতার ধূমপান করলে শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তার সমতুল্য ক্ষতিসাধন করতে পারে এই অতি মাত্রার প্রাণীজ প্রোটিন। তাহলে কি খাবেন? নানা ধরনের ডাল, খাদ্যশস্য, কলাই জাতীয় খাবার আর এর সঙ্গে প্রচুর শাকসবজি।  আর অবশই ফল। তবে সবজি এবং ফলের কছুটা বাছবিচার করা উচিৎ। যেসব সবজি খেলে ইউরিক অ্যাসিড বাড়তে পারে, কিংবা যে সমস্ত সুমিষ্ট ফল সুগার বাড়াতে পারে, সেগুলা অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিৎ। 
তবে ভেঙে পড়ার কোনও কারন নেই। কেন না মাঝের দশ- থেকে পনেরটা বছর একটু সংযম রক্ষা করতে পারলেই কেল্লা ফতে। ৬৫ বছরের পর আবার সব খাবার খেতে পারবেন একদম নিশ্চিন্তে। কারন ওই সময়টা আবার শরীরে প্রাণীজ প্রোটিনের চাহিদা বেড়ে যায়। 
 
সভাই সুস্ত থাকবেন। ধন্যবাদ…………… 

এয়ারটেল এর হট অফার মাত্র ১৯ টাকাই ২ জিবি ২জি ডাটা নিয়ে নিন তারাতারি !!

কেমন আছেন বন্ধুরা ?
আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম এয়ারটেল এর  দারুন অফার মাত্র ১৯ টাকাই ২ জিবি ২জি ডাটা। তবে এই অফার টি সকল এয়ারটেল সিম আর জন্য না । শুধু মাত্র বন্ধ থাকা সিম এর অফার। আপনার যদি কোন বন্ধ থাকা সিম থাকে তবে আপনি পেতে পারেন ২ জিবি ২জি ডাটা একদম ফ্রীতে। আপনার সিম টি বন্ধ থাকা সিম এর অফারে আছে কিনা জানার জন্য যেকোনো এয়ারটেল নাম্বার এর এস এম এস অপসানে আপনার বন্ধ থাকা সিমের নাম্বার টি টাইপ করুন আর পাঠিয়ে দিন ৯০০০ নাম্বারএ।
কোন চার্জ লাগবে না , আপনি জানতে পারবেন আপনার সিম টি বন্ধ সিম এর অফার এ আছে কিনা। যদি থকে তাহলে নাম্বার টিতে ১৯ টাকা লোড করুন তাহলে সাথে সাথে ৬৮২ এম বি ডাটা পেয়ে জাবেন । যেটা *৭৭৮*১৩# ডাইল করলে দেকতে পাবেন যার মেয়াদ পাবেন ৫ দিন । এখন আপনি যে তারিখে লোড করে এম বি টা পেলেন পরবর্তী মাসের একই তারিখের ভিতরে যদি আপনি আপনার মেইন বেলেঞ্চে থেকে ২৩ টাকার কথা বলেন  তাহলে আপনি পরবর্তী মাসের একই তারিখে আবার পাবেন ৬৮২ এম বি যারও মেয়াদ পাবেন ৫ দিন । পরবর্তী মাসও একই ভাবে continue করলে আপনি আবার পাবেন ৬৮২ এম বি ডাটা সম্পূর্ণ ফ্রি। এভাবে আপনি ৩ মাসে টোটাল ২ জিবি ২জি ডাটা ফ্রি পাবেন। অফার টি শেষ হবার এখনও কোন ডেট আসিনি। আসলে আপডেট করে দিব। ও এখানে কিন্তু আরও একটি অফার আছে, আপনি ১০ দিন পর পর ১৯ টাকা লোড করলে যেকোনো এয়ারটেল নাম্বার এ ২৫ পয়সা এবং অন্য অপারেটর নাম্বার এ ৬০ পয়সা করে কল রেট পাবেন রাত দিন ২৪ ঘণ্টা ।

কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন। 
আজ এ পর্যন্ত ।
সভাই ভালো থাকবেন।
শুভ কামনা রইল সবার জন্য।
ধন্যবাদ।।

দাঁত শিরশির করা দূর করার কৌশল

দাঁত শিরশির করা একটি বিরক্তিকর ও কষ্টকর সমস্যা। খাবার, বিশেষ করে ঠান্ডা বা গরম তরল কিছু পান করতে গিয়ে বা দাঁত ব্রাশ করা, এমনকি শ্বাসনিতে গেলে অনেক সময় দাঁত শিরশির করে ওঠে। টক বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে গেলেও একই অনুভূতি হতে পারে। কিন্তু কেন করে এই দাঁত শিরশির
 
 
এ অবস্থা কখন সৃষ্টি হয়?
দাঁতে এনামেল ক্ষয় হয়ে গেলে
দাঁতে গর্তের সৃষ্টি হলে
অনেক দিনের পুরোনো ফিলিং থাকলে
মাড়ি ক্ষয় হয়ে দাঁতের রুট বা গোড়া বের হয়ে গেলে
দাঁত আঘাত প্রাপ্ত হলে প্রাথমিক অবস্থায় বা সঠিক সময়ে সঠিক কারণ নির্ধারণ করে চিকিৎসা নিন।

সঠিক যত্ন দরকার
নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করলে দাঁতের ফাঁকে কোনো জীবাণু তৈরি হতে পারবে না। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং সকালে নাশতা করার পরে  দাঁত ব্রাশ করুন।
দাঁতের সংবেদনশীলতা কমায় এমন টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। এমন টুথপেস্ট আপনাকে দাঁত শিরশিরের যন্ত্রণা থেকে রেহাই দেবে অনেকটা।
ব্রাশ করবেন আস্তে আস্তে। দাঁতের ওপর বেশি চাপ দেবেন না। জোরে ব্রাশ করলে দাঁতের শিরশির ভাব আরও বেড়ে যেতে পারে।
হালকা কোমল শলাকার ব্রাশ ব্যবহার করবেন।
যেকোনো অ্যাসিড জাতীয় বা অম্লযুক্ত খাবার খাওয়ার সময় সচেতন হোন। যেমন ফলের জুস, ভিনেগার, কোমল পানীয়—এসব দাঁতের এনামেল নষ্ট করে। তাই এসব খাবার পরই দাঁত পরিষ্কার করে ফেলুন।
দাঁতে দাঁত ঘষা বা দাঁত চেপে রাখার অভ্যাস ত্যাগ করুন। এতেও এনামেলের ক্ষতি হয়।
অনেকেই দাঁতের যে অংশ শিরশির করে, সে অংশটি আর ব্রাশ করেন না। কিন্তু এতে সমস্যা আরও বাড়ে।
সূত্র – প্রথম আলো

এস.এস.সি – ২০১৪ এর ফলাফল সাথে সাথে পেতে হলে এদিকে আসুন..................

১৭.০৫.২০১৪ইং তারিখ প্রকাশিত এসএসসি ২০১৪ এর ফলাফল।
এই দিন সরকার অনুমোদিত সাইটটিতে চাপ থাকবে বেশি।
এখান থেকে সহজে আপনি রেজাল্ট নিতে পারবেন না। তাই...
এসএসসি ফলাফল ২০১৪ এখান থেকে চাপ মুক্ত ভাবে আপনি সহজে ফলাফল পেতে পারেন।

তবে যারা স্লো স্পীড ইন্টারনেট ব্যাবহার করে তারা চাইলে এডুকেয়ারবিডি24 এর ফেছবুক পেজ থেকে অতি অল্প সময়ে তাদের ফলাফল জানতে পারেন।  পেজে এস. এস. সি. ফলাফল ২০১৪ নামে যে পিকচার টা আছে সেখানে কমেন্ট বক্স এ আপনার নাম, বোর্ড এর নাম, রোল নাম্বার দিয়ে কমেন্ট করুন। যদি কেও এস এম এস মাধ্যমে ফলাফল পেতে চান তাহলে আপনার মবেইল নাম্বার টা কমেন্ট এ লিখে দিবেন। যত দ্রত সম্ভব আপনাকে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

কমেন্ট এ ফলাফল পেতে- " নাম<> বোর্ড এর নাম<> রোল নাম্বার " লিখে কমেন্ট করুন।
এস. এম. এস. এ ফলাফল পেতে- " নাম<> বোর্ড এর নাম<> রোল নাম্বার<> মোবাইল নাম্বার " লিখে কমেন্ট করুন।

মোবাইলএ এসএমএস এর মাধ্যমে দেখার পদ্ধতি:

আপনি যদি ইন্টারনেট এর মাধ্যমে রেজাল্ট দেখতে না পারেন তাহলে আপনি সহজেই রেজাল্ট টি আপনার মোবাইল থেকে একটি এসএমএস পাঠিয়ে পেতে পারেন । এর জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে
প্রথমে আপনার ফোন এর মেসেজ অপশন এ যান  > নতুন মেসেজ তৈরি করার অপশন এ যান > প্রথমে SSC লিখুন এবং একটি স্পেস দিন.....
তারপরে, আপনার বোর্ড এর প্রথম তিন টি অক্ষর লিখুন। যেমন-
Dhaka: DHA—Madrasah: MAD—-Comilla: COM—-Chittagong: CHI—–Jessore: JES—–Rajshahi: RAJ——Dinajpur: DIN—-Barisal: BAR and Sylhet: SYL
একটি স্পেস দিন এবং আপনার রোল নাম্বার টি লিখুন ।
এবার একটি স্পেস দিন এবং 2014 লিখুন ।
এবার মেসেজ টি সেন্ড করুন ১৬২২২ নাম্বার এ  ।
ধন্যবাদ।

বিঃ দ্রঃ- ফলাফল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবার পর থেকে পাওয়া যাবে। 

এই সময়ে হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট


হাঁপানি রোগীদের জন্য এই সময়টা সবচেয়ে খারাপ। বাতাসে উড়ছে প্রচুর ধুলাবালু, পরিবেশের তাপমাত্রা পাল্টাচ্ছে ঘন ঘন আর চারদিকে বাড়ছে ভাইরাস সংক্রমণের প্রকোপএই সব কটিই হাঁপানির আকস্মিক আক্রমণের জন্য আদর্শ। 

হাঁপানি কেন হয়?
 
বিশেষ কোনো পদার্থের প্রতি শ্বাসতন্ত্রের অতি সংবেদনশীলতা হলো হাঁপানির মূল কারণ। এটি হতে পারে ঠান্ডা হাওয়া, ধুলাবালু, সামান্য পরিশ্রম, জীবাণু, পোষা প্রাণীর লোম, ওষুধপত্র, এমনকি বাতাসে উড়তে থাকা ফুলের রেণু, তুলার কণা যেকোনো কিছু। ধরনের জিনিসের সংস্পর্শে এলে আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসতন্ত্রের পেশিগুলো সংকুচিত হয়ে যায়, নিঃসৃত হতে থাকে নানা রাসায়নিক। শ্বাসনালি সরু হয়ে আসে, শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। যাঁদের পরিবারে হাঁপানির ইতিহাস আছে, অথবা নানা ধরনের অ্যালার্জি আছে, তাঁদের হাঁপানি হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

কীভাবে বুঝবেন?

বছরে দু-তিনবার বা তার বেশিবার শ্বাসকষ্ট, সঙ্গে কাশি, দম বন্ধ হয়ে আসা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে বুকে শব্দএই হলো হাঁপানির লক্ষণ। ঠান্ডা আবহাওয়ায় ভোরের দিকে উপসর্গ বাড়ে। ধরনের সমস্যা থাকলে হাঁপানি নির্ণয় করা কঠিন নয়। তবে মাত্রার তীব্রতা দেখার জন্য স্পাইরোমেট্রি করা যেতে পারে। বুকের এক্স-রে সাধারণত স্বাভাবিক থাকে, তবে রক্তে অ্যালার্জির মাত্রা নিরূপণকারী বিভিন্ন পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা দেখা যায়।
বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর মৃত্যু হচ্ছে ২৫ কোটি
বিশ্বজুড়ে হাঁপানিতে ভুগছে ৩০ কোটি

হাঁপানিকী করি

হাঁপানির রোগীরা আক্রমণকারী অ্যালার্জেনকে সাধারণত ভালো করেই চেনেন। এগুলো যথাসম্ভব এড়িয়ে চলবেন। ধুলাবালিতে নাক ঢেকে রাখবেন, ঝুল বা বিছানা বা কার্পেট ঝাড়ার মতো কাজ করবেন না। পোষা প্রাণী থেকে দূরে থাকুন। যাঁদের ফুলের রেণুতে অ্যালার্জি তাঁরা পার্কে বা বাগানে যেতে সাবধান। ঠান্ডা লাগাবেন না। ভোরে রাতে এই সময় গায়ে হালকা গরম কাপড় রাখুন। গোসলে হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন। ধূমপান বাদ দিন। সময় আক্রমণ বেড়ে যেতে পারে বলে আগে থেকেই আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইনহেলারের মাত্রা সময় ঠিক করে নিন।

২০২৫ সাল নাগাদ এই তালিকায় যুক্ত হবে আরও ১০ কোটি মানুষ। বিগত শতাব্দী থেকেই আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে এই রোগের প্রকোপ, উন্নত উন্নয়নশীল সব দেশেই, শিশু বয়স্কসব বয়সের মানুষের মধ্যেই।

লিখেছেন ডা. মৌসুমী মরিয়ম সুলতানা।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো

গরমের সময় মাথা ব্যথা থেকে বাচার ৫টি সহজ উপায় !

যখন বাহিরে প্রচণ্ড গরম পরে তখন প্রায়ই আমরা মাথা ব্যাথা অনুভব করি । অনেকেই মনেকরেন এটা হয়ত আবহাওয়া পরিবর্তনের কারনে কোন ধরনের জ্বর বা অসুখ । অনেকেই এর জন্য [ Napa / Paracetamol ] খেয়ে থাকেন । ফলে কিছুক্ষণ সুস্থ থাকার পর আবার একই সমস্যা দেখা দেয় । কিন্তু এই মাথা ব্যাথার কারন বেশিরভাগ সময়ই জ্বর নয় । তবে আবহাওয়া পরিবর্তনের এর সাথে এর কিছু সম্পর্ক রয়েছে ।
গ্রীষ্মকালে বা বর্ষাকালে যখন ভ্যাঁপসা বা অসহ্যকর গরম পরে তখন আমরা এধরনের মাথা ব্যাথার স্বীকার হই । এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই । কিছু সহজ নিয়ম কানুন মেনে চললেই এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব ।
১ – পর্যাপ্ত পানি পান করা ।
গরমের সময় শরীর থেকে প্রচুর পরিমান তরল পদার্থ আমাদের ঘামের সাথে বেরিয়ে যায় । এর ফলে আমাদের আমাদের শরীর পানি শূন্য হয়েপরে ।
পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান না করলে আমাদের শরীর ক্লান্ত হয়ে পরে ফলে দেখাদেয় নানা রকম সমস্যা জার মধ্যে রয়েছে, “মাথা ব্যথা”, “প্রস্রাবের রঙ হলুদ হয়ে যাওয়া”, “দুর্বলতা” ।
এজন্যই গরমের সময় আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করা উচিত । একজন প্রাপ্ত বয়স্ক বাক্তিকে প্রতিদিন অন্তত ৩ লিটার ( ১৩ গ্লাস ) পানি পান করা উচিত ।
২ – রোদ থেকে সাবধান থাকুন ।
গরমের সময় যারা বাহিরে চলাফেরা করেন তাদের অবশ্যই ক্যাপ , সানগ্লাস, ছাতা ব্যাবহার করা উচিত । কারন এইসময় অনেকেরি রোদ বা সরাসরি সূর্যের আলোর কারনে মাথা ব্যাথার সৃষ্টি হতে পারে ।
৩ – অতিরিক্ত গরমে ধূমপান ।
বাহিরে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে অনেককেই ধূমপান করতে দেখা যায় । প্রথমত ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তার মধ্যে গরমের কারনে শরীর যখন পানি শূন্য হয়ে পরে তখন ধূমপানের ফলাফল আরও ক্ষতিকর হয়ে পরে ।
যদি আপনি এই গরমের মধ্যে ধূমপান না করে থাকতে পারেন তবে সেটা খুবি ভাল, তবে যদি আপনাকে ধূমপান করতেই হয় তবে আপনি অবশ্যই কিছুটা পানি পান করে এবং বিশ্রাম নিয়ে তার পরে ধূমপান করুন । তবে না করাটা সবচেয়ে ভাল :)
৪ – ভারি কাজ করার জন্য সাবধানতা ।
অতিরিক্ত গরমের মধ্যে আমরা অল্প কাজ করতেই হাঁপিয়ে উঠি, এর প্রধান কারন শরীরের পানি শূন্যতা । তাই যেকোনো ভারি কাজ করার সময় সাথে কিছুটা পানি অবশ্যই রাখবেন ।
৫ – কোমল পানিও / কোল্ড ড্রিঙ্কস ।
গরমের সময় আমরা প্রায়ই তৃষ্ণার্ত হয়ে কোল্ড ড্রিঙ্কস পান করি । প্রায় সকল প্রকার কোল্ড ড্রিঙ্কস এর মধ্যে অতিরিক্ত পরিমান চিনি ও ক্ষতিকারক কেমিক্যাল থাকে । যা আমাদের সাস্থের জন্য খুবই ক্ষতিকারক এবং এর ফলে অনেক সময় প্রচণ্ড মাথা ব্যাথা দেখা দেয় ।
তাই এসকল কোমল পানিও পান না করাটাই সবচেয়ে ভাল ।

আয়ু বাড়াতে দ্রুত হাঁটা

স্বাস্থ্য বার্তা : কর্পোরেট অফিস। সকাল-সন্ধ্যা কম্পিউটারের মনিটরে আটকে থাকা চোখ। আর নিজেকে দিনের একটা বড় অংশ চেয়ারে আটকে রাখা। বাড়ি ফিরে শ্রান্ত-ক্লান্ত শরীরটাকে আবার টিভিতে নিবিষ্ট করা। এই তো জীবন।স্থুলতা, নানাধরণের দুরারোগ্য ব্যাধি তাই ক্রমান্বয়ে আক্রমণাত্মক হয়ে ধাবমান আমাদের দিকে। কিন্তু আমরা কি জানি একটু খানি শরীরচর্চা বিশেষ করে হাঁটা আমাদের জীবন থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে নানা রোগবালাই। আয়ু বাড়ায় আমাদের।


সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে জানাচ্ছেন, বেশি নয় সপ্তাহে মাত্র ৭৫ মিনিট দ্রুত হাঁটুন। তাহলেই বেড়ে যাবে অন্তত পৌনে দুই বছর আয়ু। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় ওয়াশিংটনের ব্রিঘাম অ্যান্ড উইমেন হসপিটালের গবেষকরা নির্ণয় করেছেন, ভিন্নতর বডি মাস ইনডেস্ক (বিএমআই) নিয়ে কোনো একক বা একদল ব্যক্তিজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে শারীরিক সক্রিয়তার মাধ্যমে অধিক বছর বেঁচে থেকেছেন।

গবেষণাপত্রের লেখক আইমিন লি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, চল্লিশোর্ধ কোনো ব্যক্তি যিনি প্রতিদিন সামান্য সক্রিয়, অর্থাৎ সপ্তাহে মাত্র ৭৫ মিনিট দ্রুত হেঁটেছেন, তার আয়ু অনেকাংশে বেড়েছে। দেখা গেছে, ৭৫ মিনিট দ্রুত হাঁটা ব্যক্তির যিনি হাঁটেননি তার চেয়ে ১ দশমিক ৮ বছর আয়ু বেড়েছে।’

লি আরও বলেন, কেবল ৭৫ মিনিটই নয়, যিনি সপ্তাহে ৪৫০ মিনিট হেঁটেছেন, তার আয়ু বেড়েছে সাড়ে চার বছর। লির মতে, শারীরিক সক্রিয়তা স্বাভাবিক ওজন, অতিরিক্ত ওজনের কিংবা স্থূলতা সব ধরনের বিএমআইয়ের মানুষের দীর্ঘায়ুর জন্য সহায়ক।

আসছে ওয়াই-ফাই মেমোরি কার্ড

সম্প্রতি আই-ফাই নামের একটি ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়াই-ফাইযুক্ত মেমোরি কার্ড তৈরি করেছে। এই কার্ড ব্যবহারে তারবিহীনভাবেই ক্যামেরা থেকে কম্পিউটারে ছবি আপলোড করা যাবে। 
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ওয়্যারলেস প্রযুক্তি সত্ত্বেও ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবি আপলোড করার সময় কেবল প্রয়োজন পড়ে। তবে, ডিভাইসটি বিল্ট ইন ওয়াই-ফাই হলে আলাদা কথা। বিল্ট ইন ওয়্যারলেস ডিভাইস ছাড়াও কেবল আই-ফাই মেমোরি কার্ড ব্যবহার করেই ছবি আপলোড করা সম্ভব বলেই জানিয়েছে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, আলাদা কোনো ডিভাইস ছাড়াই এই কার্ড সরাসরি ওয়াই-ফাই হিসেবে কাজ করবে। ক্যামেরায় তোলা ছবি ‘ডিরেক্ট মোড’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে সরাসরি আপলোড করা যাবে কম্পিউটার বা ট্যাবলেটে।

আই-ফাই সিইও জেফ হলোভি জানিয়েছেন, আই-ফাই-এর তৈরি এক্স২ মডেলের যে কোনো মেমোরি কার্ডেই ডিরেক্ট মোড সাপোর্ট করবে। এই কার্ড হোম ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে মোবাইল ফোন এবং ক্যামেরা থেকে ছবি আপলোড করতে সক্ষম। 


সুত্র- প্রথম আলো

এক্সপির পথচলার ইতি

 ৮ এপ্রিল ২০১৪ , শেষ হয়ে যাচ্ছে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে জনপ্রিয় উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের পথচলা। কাল থেকেই এক্সপির সব হালনাগাদ সেবা বন্ধ করে দেবে মাইক্রোসফট। এক যুগেরও আগের এ অপারেটিং সিস্টেমটির ব্যবহার বন্ধ করে নতুন সংস্করণে আপডেট করার পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। সাইবার দুর্বৃত্তদের কবল থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত এক্সপি হালনাগাদ করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে, এক্সপির হালনাগাদ বন্ধ হলে অ্যান্টিম্যালওয়্যার সিস্টেমের সমর্থন কার্যকর থাকবে না। প্রযুক্তি-বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক্সপি থেকে উইন্ডোজের নতুন সংস্করণে আপগ্রেড করে নিলে বেশ কিছু নতুন সুবিধা পাওয়া যায়। এক্সপিতে অ্যাপ্লিকেশন চালানো, ই-মেইল, ওয়েবসাইটে দেখার কাজ ভালোভাবে করা গেলেও যেসব সুবিধা বা ফিচার উইন্ডোজের নতুন অপারেটিং সিস্টেমে একে একে আসছে, সেগুলো দিয়ে এক্সপির চেয়েও অনেক বেশি কাজ পাওয়া সম্ভব।

এক্সপি নিয়ে কী করবেন?অনেকদিন ধরেই উইন্ডোজ এক্সপি থেকে পরবর্তী কোনো সংস্করণের অপারেটিং সিস্টেমে (ওএস) আপগ্রেড করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছে মাইক্রোসফট। যাঁরা এখনও উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহার করছেন কালকের পর থেকেই তাঁরা ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার আক্রমণের জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়তে পারেন বলে মাইক্রোসফটের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন। কারণ, উইন্ডোজ এক্সপির নিরাপত্তার জন্য মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়াল সফটওয়্যারের কোনো সংস্করণ ৮ তারিখের পর মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে না। যাঁরা এক্সপি ব্যবহার করছেন তাঁদের জন্য মাইক্রোসফটের পরামর্শ হচ্ছে এক্সপি থেকে পিসি অন্য কোনো অপারেটিং সিস্টেমে হালনাগাদ করে নেওয়া বা নতুন কোনো হালনাগাদ ওএসযুক্ত পিসি কিনে ফেলা।
অবশ্য মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ উইন্ডোজ ৮.১ পিসিতে ইনস্টল করতে পুরোনো সংস্করণের হার্ডওয়্যারের তুলনায় কিছু হালনাগাদ হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হতে পারে। 
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, উইন্ডোজের হালনাগাদ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পিসি সর্বনিম্ন সিস্টেম দাঁড়াতে হবে এক গিগাহার্টজের প্রসেসর, এক গিগাবাইটের মেমোরি, ১৬ গিগাবাইটের হার্ডড্রাইভ, অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস ডাইরেক্ট এক্স৯ সমর্থনযোগ্য গ্রাফিকস কার্ড এবং উইন্ডোজ ডিসপ্লে ড্রাইভার মডেল সফটওয়্যার।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, যারা এক্সপি থেকে আপগ্রেড করে নিতে চান তাদের জন্য মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইটে একটি টিউটোরিয়াল দেওয়া হয়েছে এবং আপগ্রেড করে নেওয়ার প্রয়োজনীয় সব নির্দেশনা সাইট থেকে পাওয়া যাবে। পিসি উইন্ডোজের সর্বশেষ সংস্করণ সমর্থন করবে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা যাবে।

 মাইক্রোসফট সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়ার আগে উইন্ডোজ এক্সপির জনপ্রিয়তা ২৭ শতাংশ

তবে যাঁরা উইন্ডোজ হালনাগাদ করতে পারবেন না বা নতুন পিসি কিনতে পারবেন না তাদের জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে থার্ড পার্টি বা তৃতীয় পক্ষের নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার করে এক্সপির ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারেন। তবে উইন্ডোজ এক্সপির জন্য নিরাপত্তা সফটওয়্যার বা এর প্রয়োজনীয় উপকরণ পাওয়ার জন্য খুব কম সাইট, প্রোগ্রাম বা সেবা খুঁজে পাওয়া যাবে।
যাঁদের পিসিতে হার্ডওয়্যারের কারণে হালনাগাদ উইন্ডোজ সমর্থন করবে না তাঁদের ওপেন সোর্স লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।
নতুন সব প্রযুক্তির ভিড়ে একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ এক্সপি এখন অনেকটাই সেকেলে। ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও এক্সপি বেশ বিপজ্জনক।
মাইক্রোসফট সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৩ সালে উইন্ডোজ ৮-এর তুলনায় উইন্ডোজ এক্সপি-চালিত সিস্টেমে ম্যালওয়্যার আক্রান্তের হার ছিল ৬ গুণ বেশি। বিশ্বের গড়পড়তা তুলনামূলক সূচকে বাংলাদেশে আক্রান্তের এই হার ছিল অনেক বেশি। বাংলাদেশে তীব্রতার দিক থেকে এগিয়ে আছে বিভিন্ন ট্রোজান হর্স, এরপর আছে ওয়ার্ম এবং ভাইরাস।
এক্সপি-সংক্রান্ত সব ধরনের নিরাপত্তা হালনাগাদ, হটফিক্স এবং ব্যবহার-সংক্রান্ত সব সেবা বন্ধ হওয়ার পর আর কোনো ধরনের কারিগরি সহযোগিতা পাওয়া যাবে না। এক্সপি সহযোগিতা পুরোপুরি বন্ধ হলে কী ঘটবে, এ থেকেই অনেকটাই অনুমান করা যায়। হ্যাকার এবং স্প্যামাররা নতুন ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি বের করে প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় হামলা চালায়, কর্তৃপক্ষ সেগুলো চিহ্নিত করে সময়ে সময়ে সিস্টেম হালনাগাদের মাধ্যমে আক্রমণ প্রতিহত করে। কিন্তু যখন এক্সপির আর কোনো ধরনের নিরাপত্তাজনিত হালনাগাদ পাওয়া যাবে না, স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তাব্যবস্থা হয়ে উঠবে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

 সুত্র- প্রথম আলো
educarebd24 educarebd24 educarebd24