সকল এডুকেয়ারবিডি২৪ এর বন্ধুদের জানাই শুভেচ্ছা। এডুকেয়ারবিডি২৪
নিয়ে কোন সাজেশন থাকলে আমাদেরকে অবশ্যই জানাবেন। কারন আপনাদের সাজেশনই পারে এডুকেয়ারবিডি২৪ কে সমৃদ্ধ করতে।
আমাদের ইমেইলঃ
contact@educarebd24.com

গ্রামীণফোন 3G এবং সাধারণ জিজ্ঞাসা

3G কি?
3G হচ্ছে তৃতীয় প্রজন্মের ওয়ারলেস টেকনোলজি যা আপনাকে দেবে দ্রুতগতির ইন্টারনেট, মাল্টিমিডিয়া সার্ভিসেস ও ভিডিও কল করার সুবিধা। সব মিলিয়ে 3G আপনার মোবাইল ইন্টারনেট এক্সপেরিয়েন্সকে কয়েক ধাপ বাড়িয়ে দিবে।
3G এর সুবিধাগুলো কী কী?
চলার পথে 3G আপনাকে দিবে দ্রুত গতির ইন্টারনেট এবং ডাটা সার্ভিস। 3G এর মাধ্যমে আপনি ভিডিও কল করতে পারবেন এবং এমন সকল মাল্টিমিডিয়া সার্ভিস ব্যবহার করতে পারবেন যা কিনা 2G তে প্রযোজ্য নয়। 3G এর মাধ্যমে আপনি যা করতে পারবেন:

  • মাল্টিমিডিয়া স্ট্রিমিং এবং ডাউনলোড
  • দ্রুত গতির মোবাইল ব্রডব্যান্ড
  • ভিডিও কল
  • লাইভ টিভি
  • বড় ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট দ্রুত ডাউনলোড সুবিধা
  • ভিডিও কল কনফারেন্স
3G কি 2G থেকে আলাদা?
হ্যাঁ, এটি 2G প্রযুক্তি থেকে আলাদা। সর্বাধুনিক হাই স্পিড প্যাকেট অ্যাকসেস (HSPA) টেকনোলজির উপর নির্ভর করে তৈরী হবে গ্রামীণফোনের 3G নেটওয়ার্ক। গ্রামীণফোনের 3G নেটওয়ার্ক আপনাকে দেবে দ্রুতগতির ইন্টারনেট, মাল্টিমিডিয়া সার্ভিসেস ও ভিডিও কল সহ 3G সার্ভিসের সুবিধা।
WCDMA ও HSPA এর মধ্যে পার্থক্য কী?
WCDMA ও HSPA উভয়ই দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রযুক্তি। তবে HSPA হলো WCDMA এর পরবর্তী প্রজন্ম।
  • WCDMA এমন একটি 3G টেকনোলজি যেটা শুধুমাত্র কম 3G স্পিড সাপোর্ট করে যা ভাল কাভারেজ এলাকায় সর্বোচ্চ ৩৮৪ Kbps। WCDMA বেশ খারাপ 3G এক্সপেরিয়েন্স দেয় HSPA ডিভাইস এর 3G এক্সপেরিয়েন্সের তুলনায়।
  • আমরা গ্রাহকদেরকে পরামর্শ দিচ্ছি সেরা 3G এক্সপেরিয়েন্স পাওয়ার জন্য তারা যেন HSPA- তে তাদের ডিভাইস আপগ্রেড করেন।
  • WCDMA সর্বোচ্চ ৩৮৪ kbps স্পীড দিতে সক্ষম। অপরপক্ষে, HSPA ২১.১ mbps (থিওরেটিকাল) স্পিডি দিতে সক্ষম।
3G হাই স্পিড ডাটার জন্য পূর্বশর্ত কী?
3G হাই স্পিড ডাটার জন্য ৩টি পূর্বশর্ত:
(১) আপনার 3G এনাবল্ড ডিভাইস থাকতে হবে
(২) আপনাকে 3G নেটওয়ার্কের আওতায় থাকতে হবে
(৩) 3G কাভারেজ এরিয়ার মধ্যে থাকতে হবে
3G সামঞ্জস্যপূর্ণ মোবাইল হ্যান্ডসেট অথবা ডঙ্গল এ 3G ভ্যালু প্যাক ব্যবহার করে 3G নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় এমন এলাকায় একজন গ্রাহক 3G এক্সপেরিয়েন্স করতে পারবেন।

সার্ভিস সম্পর্কিত

সার্ভিসের জন্য কি আলাদা সিম লাগবে?
না, আপনার বর্তমান সিমটিই চমৎকার কাজ করবে যদি আপনার ফোনটি 3G সমর্থিত হয় এবং জিপি 3G নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকে।
3G সার্ভিস কি প্রিপেইড এবং পোষ্টপেইড উভয়টাতেই কাজ করে?
হ্যাঁ, জিপি 3G সার্ভিস প্রিপেইড এবং পোষ্টপেইড উভয়টাতেই কাজ করে।
থ্রিজি ভিডিও কল করার সময় কতটুকু ডাটা খরচ হবে?
গ্রামীণফোন থ্রিজি নেটওয়ার্কে থ্রিজি ভিডিও কল ডাটা চ্যানেল ব্যবহার না করে বরং ভয়েস চ্যানেল ব্যবহার করবে বিধায় আপনার ডাটা খরচ হওয়ার বদলে প্রতি মিনিটের কলরেটের সাথে আপনার ব্যবহৃত ভিডিও কলের মিনিট গুণ করে বিল হিসেব করা হবে। চালু করার সময় ভিডিও কলরেট সম্পর্কে জানিয়ে দেয়া হবে।
উপযুক্ত হ্যান্ডসেট এবং জিপি 3G নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকা সত্ত্বেও ভিডিও কল করা না গেলে কি করা উচিত?
ভিডিও কল করার জন্য উভয়েরই ভিডিও কল সমর্থিত 3G ফোন এবং 3G নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকা বাধ্যতামুলক। তাই, এই পরিস্থিতিতে, আপনি যাকে ভিডিও কল করতে চাচ্ছেন তার 3G সমর্থিত ফোন এবং সে 3G নেটওয়ার্কে সংযুক্ত আছে কি না তা চেক করে নিন । সব শর্ত পূরণ হওয়ার পরও যদি ভিডিও কল করা না যায়, তবে গ্রাহককে আমাদের জিপি কাষ্টমার কেয়ারে ফোন করতে বলা হচ্ছে।
3G এর জন্য কোন ধরনের প্যাকেজ জিপি অফার করছে?
বিস্তারিত তথ্যের দেখুন http://www.grameenphone.com/products-and-services/gp-3g/3g-packages লিঙ্কে।
একবার 3G বেছে নিলে কি 2G প্ল্যান বাতিল হয়ে যাবে? 3G তে যুক্ত হওয়ার পর 2G তে ফিরে আসতে চাইলে কি করতে হবে?
না। জিপি 3G ডাটা প্ল্যান 2G তেও ব্যবহার করা যাবে। এমনকি 3G চালু করার পর 2G ডাটা প্যাক চালু করে 2G নেটওয়ার্কের ডাটা সার্ভিস উপভোগ করতে পারেন। যেমনঃ জিপি 2G ১জিবি ডাটা প্যাক (৩০০ টাকা) 2G স্পিডে 3G নেটওয়ার্কেও কাজ করবে।
ডাটা ডাউনলোড, আপলোড নাকি উভয়ের জন্যই ডাটা ইউসেজ হিসাব করা হয়?
ডাউনলোড ও আপলোড উভয়ের জন্যই ডাটা ইউসেজ হিসাব করা হয়।
3G কাভারেজ থেকে চলে গেলে কি ঘটবে?
যখন আপনি 3G কাভারেজ থেকে চলে যাবেন, তখন হ্যান্ডসেট কনফিগারেশন এবং বেস স্টেশনের সেবা প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করে আপনাকে GPRS অথবা EDGE তে ট্রান্সফার করা হবে।
3G কাভারেজ থেকে GPRS কাভারেজে চলে গেলে ডাটা সেশনে কি পরিবর্তন ঘটবে?
চলতি ডাটা সেশনে কোন বিঘ্ন ঘটবে না কিন্তু GPRS বা EDGE –এ কিছুটা ধীর গতির ডাটা পেতে পারেন।
3G প্যাকেজ কিভাবে চালু করা যায়?
আপনি সবগুলো প্যাকেজ SMS, USSD, ই-কেয়ার, মোবাইল অ্যাপ এর মাধ্যমে অথবা আমাদের কাষ্টমার সার্ভিসের সাপোর্ট নিয়ে চালু করতে পারবেন।
কিভাবে 3G ব্যালেন্স চেক করা যায়?
ভলিউম বেসড প্যাকেজে অবশিষ্ট ব্যালেন্স চেক করতে *500*60# এবং সকল আনলিমিটেড ও স্মার্ট প্ল্যানের ব্যবহৃত ভলিউম জানতে *500*61# ডায়াল করতে হবে।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়নের পর অব্যবহৃত ডাটা ভলিউম কি পরবর্তী মাসের সাথে যোগ হবে?
হ্যাঁ, শুধুমাত্র প্রিপেইড গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ভলিউম পরবর্তী মাসে ফরোয়ার্ড করা হবে। কিন্তু পোষ্টপেইড সংযোগে নির্ধারিত মেয়াদেই ভলিউম ব্যবহার করতে হবে।
সব প্যাকেজেই কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়নের ক্ষেত্রে ON/OFF ফিচার আছে?
হ্যাঁ, সব প্যাকেজেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়নের ক্ষেত্রে ON/OFF ফিচার আছে।
2G প্যাকের মত 3G প্যাকেও কি ভলিউম সংক্রান্ত নোটিফিকেশন এবং স্বয়ংক্রিয় নবায়নের SMS পাওয়া যাবে?
হ্যাঁ, 2G প্যাকের মত সকল 3G প্যাকেও ভলিউম সংক্রান্ত নোটিফিকেশন এবং স্বয়ংক্রিয় নবায়নের SMS পাওয়া যাবে। তাই, আপনি ভলিউম সংক্রান্ত নোটিফিকেশন এবং স্বয়ংক্রিয় নবায়নের SMS উভয়ই 3G প্যাকেজে পাবেন।
আমি কি সরাসরি 3G প্যাক থেকে 2G অথবা 2G থেকে 3G অথবা 2G থেকে 2G অথবা 3G থেকে 3G তে মাইগ্রেট করতে পারবো?
হ্যাঁ। তবে এক প্যাকেজ থেকে আরেক প্যাকেজে মাইগ্রেট করতে হলে আপনাকে কনফারমেশন SMS প্রয়োজন হবে। এই পরিবর্তন 2G প্যাকেজের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
আমি কি যেকোন সময় 3G প্যাকেজ বন্ধ করতে পারবো?
হ্যাঁ, আপনি যেকোন সময় STOP লিখে 5000-এ SMSপাঠিয়ে 3G প্যাকেজ বন্ধ করতে পারবো।
ই-কেয়ারে কি 3G প্যাকেজের বিস্তারিত পাওয়া যাবে?
হ্যাঁ, ই-কেয়ারে কি 3G প্যাকেজের বিস্তারিত পাওয়া যাবে।
সিমকার্ড সাপোর্ট না করলে কি বিনামূল্যে সিম রিপ্লেস করা যাবে?
হ্যাঁ, সিমকার্ড সাপোর্ট না করলে যেকোন গ্রামীণফোন সেন্টার থেকে বিনামূল্যে সিম রিপ্লেস করা যাবে।
পোষ্টপেইড –এর বিলের প্রকার কেমন হবে?
আনলিমিটেড প্যাকেজসহ সকল 3G পোষ্টপেইড –এর বিল আগেই নেয়া হবে।
আনলিমিটেড এবং স্মার্ট প্ল্যান প্যাকেজের ফেয়ার ইউসেজ পলিসি কি হবে?
আনলিমিটেড এবং স্মার্ট প্ল্যান প্যাকেজের ফেয়ার ইউসেজ পলিসির জন্য তাদের নিজ নিজ ফেয়ার ইউসেজ কোটায় পৌছার পর হবে 128 kbps যেটা প্যাকেজ তালিকায় উল্লেখ করা আছে।
ISD ডেস্টিনেশনে 3G সংযোগ থাকলে কি ইন্টারন্যাশনাল ভিডিও কল করা সম্ভব?
হ্যাঁ, যদি বিদেশী অপারেটরের প্রাপ্যতা এবং IGW –এর সাথে চুক্তি হয়, তবে ISD ডেস্টিনেশনে 3G সংযোগ থাকলে কি ইন্টারন্যাশনাল ভিডিও কল করা সম্ভব।
3G এর জন্য APN কি হবে?
এটা 2G –এর অনুরুপ হবে।
আমার ব্ল্যাকবেরী হ্যান্ডসেটে কিভাবে আমি উচ্চগতির 3G সার্ভিস ব্যবহার করতে পারি?
ব্ল্যাকবেরী ইউজার হিসেবে আপনি যদি উচ্চগতির 3G সার্ভিসের জন্য 3G ইন্টারনেট প্যাক সাব্সক্রাইব করে থাকেন তাহলে আপনার আর কোন সেটিংস প্রয়োজন নেই।
2G (EDGE)/ 3G প্যাকেজ একসাথে নেয়া কি সম্ভব?
না, 2G (EDGE)/ 3G প্যাকেজ একসাথে নেয়া সম্ভব না।

ডিভাইস সম্পর্কিত ইস্যু

3G সমর্থিত হ্যান্ডসেট কোনগুলো?
স্পষ্টতইঃ সকল স্মার্টফোন নেটওয়ার্ক সমর্থিত কিন্তু সব স্মার্টফোন, দামি হওয়া সত্বেও –এর সব ফিচার সাপোর্ট নাও করতে পারে। কারণ, নির্মাতারা তাদের নিজ ইচ্ছায় নানাবিধ ফিচার সম্বলিত মোবাইল স্টেশন তৈরি করে। কারিগরীভাবে, R99, HSPA এবং HSPA+ সাপোর্টেড হ্যান্ডসেট 3G সমর্থিত । তাত্বিকভাবে, সকল সমর্থিত স্মার্ট ডিভাইসের বিভিন্ন স্পিড লেভেলে ভয়েস এবং ডাটা সাপোর্ট করা উচিত। কিন্তু সব হ্যান্ডসেট ডিফল্ট টেলিফোনি সেবা সাপোর্ট করে না। যাই হোক, স্কাইপের মত অ্যাপ্লিকেশন এ সীমাবদ্ধতার সমাধান হতে পারে।
আমার হ্যান্ডসেট থ্রিজি সমর্থিত কিনা তা আমি কিভাবে জানবো?
আপনি যদি গ্রামীণফোন থ্রিজি কভারেজের আওতাভুক্ত অঞ্চলে থাকেন এবং আপনার হ্যান্ডসেটের স্ক্রিনের উপরের দিকে যদি ‘3G’ বা ‘H’ প্রদর্শিত হয়, তাহলে বুঝবেন যে আপনার হ্যান্ডসেটটি থ্রিজি সমর্থিত এবং আপনি থ্রিজি সার্ভিস ব্যবহার করতে পারবেন। আপনাকে আরো নিশ্চিত হতে হবে যে আপনার ফোন সেটিংস যাতে ‘2g Only’তে সেট করা না থাকে। এছাড়াও আপনি আপনার মোবাইল প্রস্তুতকারক কোম্পানি বা http://www.grameenphone.com/products-and-services/gp-3g/3g-devices এই লিঙ্ক এর মাধ্যমেও হ্যান্ডসেটের থ্রিজি সমর্থনের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারবেন।
আমার ফোনে ব্যবহার করতে হলে কি বিশেষ কোন সেটিংস কনফিগার করতে হবে?
গ্রামীণফোন থ্রিজি ব্যবহারের জন্য আপনার ডিভাইসে কোন অতিরিক্ত কনফিগারেশনের প্রয়োজন নেই। থ্রিজি ডাটা প্যাকে সাবস্ক্রাইব করতে আমাদের Standard Data Configuration (Internet Settings) –ই যথেষ্ট। যদি এছাড়াও অন্য কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তবে দয়া করে আমাদের কল সেন্টারে যোগাযোগ করুন।
ভিডিও কল করার জন্য কি বিশেষ কোন ধরণের হ্যান্ডসেটের প্রয়োজন হবে, নাকি আমি আমার বর্তমান থ্রিজি-সমর্থিত হ্যান্ডসেটটিই ব্যবহার করতে পারবো?
ভিডিও কল করার জন্য আপনার হ্যান্ডসেটের সামনের দিকে একটি ক্যামেরা থাকতে হবে এবং হ্যান্ডসেটটি ভিডিও কল সমর্থিত হতে হবে। দয়া করে থ্রিজি হ্যান্ডসেট কেনার সময় বিক্রেতার কাছ থেকে যেনে নিন হ্যান্ডসেটটি ভিডিও কল সাপোর্ট করে কিনা।
অন্য অপারেটর রোমং অবস্থায় থাকলে কি আমি ভিডিও কল করতে পারবো?
হ্যাঁ, অন্য অপারেটর রোমিং অবস্থায় থাকলে আপনি ভিডিও কল করতে পারবেন যদি সেই অপারেটরের সাথে আমাদের রোমিং চুক্তি থাকে।
থ্রিজি ভিডিও কল করা এবং রিসিভ করার জন্য কি উভয়েরই থ্রিজি ফোন থাকা বাধ্যতামূলক?
হ্যাঁ, উভয়েরই গ্রামীণফোন থ্রিজি নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ডুয়েল ক্যামেরা সম্বলিত, থ্রিজি ভিডি-কল সমর্থিত একটি থ্রিজি ফোন থাকা বাধ্যতামূলক।
পিসি কিংবা ল্যাপটপে কি আমার হ্যান্ডসেট যুক্ত করে 3G সার্ভিস এবং উচ্চ গতির ইন্টারনেট চালাতে পারবো?
পিসি কিংবা ল্যাপটপে হ্যান্ডসেট যুক্ত করাকে বলা হয় টেদারিং (Tethering) এবং এটা অবশ্যই জিপি 3G তে সম্ভব যদি গ্রাহকের হ্যান্ডসেট টেদারিং সাপোর্ট করে।
যদি আমার একটি নতুন থ্রিজি ফোন প্রয়োজন হয় তাহলে সেটি কি আমাকে শুধুমাত্র গ্রামীণফোনের কাছ থেকেই কিনতে হবে, নাকি বাজারের অন্য যেকোন হ্যান্ডসেটও কাজ করবে?
শুধুমাত্র গ্রামীণফোনের কাছ থেকেই থ্রিজি ডিভাইস কেনার প্রয়োজন নেই। বাজারের অন্য যেকোন হ্যান্ডসেটই আপনি কিনতে পারবনে তবে নিশ্চিত হয়ে নিন যে এটি যাতে 3G HSPA অথবা HSPA+ সমর্থন করে যাতে আপনি গ্রামীণফোনের দেয়া দ্রুতগতির থ্রিজি সেবা পেতে পারেন।
আমার হ্যান্ডসেট থ্রিজি সমর্থিত কিনা তা আমি কিভাবে জানবো?
আপনি গ্রামীণফোন 3G কাভারেজের মধ্যে থাকলে বা আসলে আপনার হ্যান্ডসেট স্ক্রিনের উপরে “3G” অথবা “H” লিখা প্রদর্শন করবে, তবে তা থেকেই আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার হ্যান্ডসেটটি 3G উপযোগী এবং আপনি এর সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও আপনার হ্যান্ডসেটটি শুধুমাত্র “টুজি” উপযোগী কি না, সেটি অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে। বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে গ্রামীণফোন ওয়েবসাইটে গিয়েও হ্যান্ডসেটের কনফিগারেশন চেক করা যাবে।
মূলত ২ ধরণের হ্যান্ডসেট পাওয়া যায়- WCDMA (R99) এবং HSPA.
WCDMA (R99) ডিভাইসগুলো 3G ডিভাইস, কিন্তু তা সর্বোচ্চ ৩৮৪কেবিপিএস স্পিডে 3G সুবিধা প্রদান করে থাকে। অপরপক্ষে HSPA হ্যান্ডসেট হাইস্পিড ডিভাইস এবং এগুলো ৩.৬ থেকে ৭.২ এমবিপিএস স্পিডে 3G সুবিধা প্রদান করে থাকে। অতএব সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে আপনি HSPA হ্যান্ডসেট ব্যাবহার করতে পারেন।

নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত

কখন গ্রামীণফোন 3G আরম্ভ করবে?
গ্রামীণফোন প্রাথমিকভাবে ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ তারিখে 3G চালু করেছে।গ্রামীণফোন সমগ্র বাংলাদেশে ধাপে ধাপে থ্রিজি চালু করবে। প্রতিটি অঞ্চল, শহর বা জেলা কভারেজের আওতায় এলে আমাদের ওয়েবসাইট বা অন্য কোন মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রাথমিকভাবে কোন এলাকাতে বাণিজ্যিকভাবে 3G নেটওয়ার্ক পাওয়া যাবে?
নিচের শিডিউল অনুযায়ী ধাপে ধাপে সারা দেশে 3G কাভারেজ চালু হবে:
3G কাভারেজের সম্ভাব্য তারিখএলাকা
সেপ্টেম্বর ২০১৩জিপি হাউজ এবং নিটল নিলয় টাওয়ারে (শুধুমাত্র কর্মকর্তাদের জন্য)
অক্টোবর ২০১৩ঢাকা, চট্টগ্রাম(আগ্রাবাদ) এর কিছু অংশে বাণিজ্যিকভাবে চালু
নভেম্বর ২০১৩ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর
ডিসেম্বর ২০১৩৭ বিভাগীয় শহরে
মার্চ ২০১৪বাংলাদেশের সকল জেলায়
জিপি 3G কাভারেজের তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে?
কোন নতুন এলাকায় 3G কাভারেজ দেয়া হলে তা নিয়মিত আপডেট করা হবে। এছাড়া আমাদের ওয়েবসাইটের এই লিঙ্কের মাধ্যমেও কাভারেজ আপডেট পাওয়া যাবে।
জিপি নেটওয়ার্ক কাভারেজ কি সারাদেশে পাওয়া যাবে?
রাজনৈতিক এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্ভর করে জিপি ধাপে ধাপে সারা দেশে 3G কাভারেজ বাড়াবে।
3G কাভারেজের বাইরে থাকা অবস্থায় কিভাবে 3G আমি ব্যবহার করতে পারবো?
3G কাভারেজের ভেতরে থাকলেই কেবল আপনি 3G ব্যবহার করতে পারবেন। কাভারেজ এলাকার বাইরে থাকলে আপনি 2G/EDGE গতি উপভোগ করতে পারবেন।
জিপি 3G নেটওয়ার্কে কিভাবে আমি যুক্ত হতে পারি?
প্রথম বারের মত ইউজার হিসেবে জিপি 3G নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে হলে আপনাকে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:
  • ধাপ-১: হ্যান্ডসেটের নেটওয়ার্ক মোড "Dual/WCDMA/3G/UMTS"নির্বাচন করতে হবে। ডাটা ইউসেজের ডুয়াল অপশন বাদ দেয়া যেতে পারে।
  • ধাপ-২: এরপর APN "gpinternet" দিয়ে আপনার প্যাকেট ডাটা সেটিংস কনফিগার করতে হবে। অথবা লিখে নাম্বারে পাঠাতে হবে যেটা গ্রাহককে তার মোবাইলে ১২৩৪ দিয়ে সেভ করতে হবে।
  • ধাপ-৩: Step-3: রেজিষ্ট্রেশনের পর আপনার ডিভাইসে 3G/3.5G/H দেখা গেলে এবং গ্রাহকের ডিভাইস ডাটা ট্রান্সফার সক্রিয় করে সাথে সাথে আপনি 3G সার্ভিস উপভোগ করতে পারবেন।

কোন কোন বিষয়ের উপর 3G গতি নির্ভর করে?
সাধারণত 3G গতি নির্ভর করে হ্যান্ডসেট, কাভারেজ, নেটওয়ার্ক এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে কতজন ইউজার একসাথে ব্যবহার করছে। দ্বিতীয়তঃ এটা নির্ভর করে গ্রাহক কোন ডাটা স্পিডের প্যাকেজ সাবস্ক্রাইব করেছেন। জিপি বিভিন্ন ধাপের ডাটা প্যাকেজ অফার করবে। যেমনঃ ১) 512Kbps এবং ২) 1Mbps
2G থেকে 3G‘র সুবিধাগুলি কি কি?
3G, 2G প্রযুক্তিকে পেছনে রেখে 4G প্রযুক্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে। আগেরটার সাথে তুলনা করা হলে, 3G নেটওয়ার্ক কাভারেজ কিছু উন্নত ফিচার অফার করে যা 2G-তে ছিল না। যেমনঃ দ্রুতগতির ওয়েব ব্রাওজিং, ত্রিমাত্রিক গেমিং, উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা ইত্যাদি। এটার অনুন্নত সামঞ্জস্যতায়, 2G নেটওয়ার্কিং যা করতো 3G নেটওয়ার্কিং ও তাই করতে পারবে। যেমন, ডিজিটাল ভয়েস, ভয়েস মেইল, কনফারেন্স কল এবং ই-মেইলের মত সাধারণ ডাটা এপ্লিকেশন। 3G নেটওয়ার্কিং-এর উচ্চ পর্যায়ের ডাটা ট্রান্সফার ক্ষমতার কারণে এটা ভিডিও কনফারেন্স এবং মোবাইল টেলিভিশনের মত ফিচার সাপোর্ট করে।
HSPA+ কি এবং এটার সুবিধা কি?
গ্রামীণফোন হল একমাত্র বেসরকারি অপারেটর যে ১০ মেগা হার্টজ ব্যান্ড এবং নেটওয়ার্ক দ্রুততায় 3.9G অথবা HSPA+ চালু করেছে। এটা গ্রাহকদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে আরো বেটার এক্সপেরিএন্স নিশ্চিত করবে।
কেন জিপি গ্রাহকদের জন্য এই “3.9G HSPA+” প্রযুক্তি ব্যবহার করছে যেখানে বাজারের অন্য প্রতিযোগীরা এটা অফার করছে না?
গ্রামীণফোন 3G নেটওয়ার্ক তৈরী করছে যা পর্যাপ্ত ধারণক্ষমতা এবং উচ্চমানের কাষ্টমার এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করবে। গ্রাহকের হ্যান্ডসেট সক্ষমতার উপর নির্ভর করে গ্রামীণফোন নেটওয়ার্ক HSPA (3.5G),Dual Carrier HSPA বা HSPA+ (3.9G) সুবিধা সাপোর্ট করবে। গ্রামীণফোন হল একমাত্র বেসরকারি অপারেটর যে ১০ মেগা হার্টজ ব্যান্ড এবং নেটওয়ার্ক দ্রুততায় 3.9G অথবা HSPA+ চালু করেছে। এটা গ্রাহকদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে আরো বেটার এক্সপেরিএন্স নিশ্চিত করবে।
মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কে সংকেত হিসেবে E, 3G এবং H বা 3.5G বলতে কি বুঝায়?
H বা 3.5 G মানে HSPA (High Speed Packet Access). HSPA হচ্ছে নতুন প্রজন্মের যোগাযোগ প্রটোকল যা প্রতি ব্যবহারকারীকে সর্বোচ্চ ১৪.৪ Mbps পর্যন্ত ডাউনলোড স্পিড এবং ৫.৮ Mbps পর্যন্ত আপলোড স্পিড দিয়ে থাকে। 3G মানে WCDMA (Wideband Code Division Multiple Access) যেটা একটা 3G প্রযুক্তির ভার্সন, যা ভাল নেটওয়ার্কে প্রতি ব্যবহারকারীকে সর্বোচ্চ ২ Mbps পর্যন্ত ডাটা সংযোগ নিশ্চিত করে। E মানে Enhanced Data Rates for GSM Evolution, যেটা EDGE নামে পরিচিত। যা 2.5 প্রযুক্তির ভার্সন যেটার গতি ২৬৪ Kbps পর্যন্ত হতে পারে।
HSPA-এর মাধ্যমে প্রতি ইউজারের ডাউনলোড স্পিড ১৪.৪Mbps এবং WCDMA–এর মাধ্যমে প্রতি ইউজারে ২ Mbps করা যদি সম্ভব হয়(৯ নং প্রশ্নের উত্তরে যা উল্লেখ আছে ), তাহলে কেন গ্রামীণফোন 3G প্যাকেজের সর্বোচ্চ স্পিড ১ Mbps?
সমগ্র নেটওয়ার্কে প্রতিশ্রুত লেভেলে সামঞ্জস্যপূর্ণ ডাটা স্পিড নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রামীণফোন কাজ করে যাচ্ছে। এবং এটা করতে সর্বাধিক ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয় স্পিড লেভেল প্রয়োগ করা হচ্ছে।.
3G এবং Wi MAX এর মধ্যে পার্থক্য কি?
Wi MAX প্রধানত ব্যবহার করা হয় ডাটা স্থানান্তরের জন্য যদিও ইকো(echo) সিস্টেম যেটা যেটা Wi Max প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভয়েস সাপোর্ট করে, বর্তমানে সুলভ মূল্যে পাওয়া যায় না। Wi MAX নেটওয়ার্ক কার্যগত দিক থেকে অনেকটা ব্যাপক, ইন্টিগ্রেটেড ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মত যদিও ডাটা হস্তান্তরের সুবিধা সেখানেও আছে।
সুলভ ইকো-সিস্টেমের মাধ্যমে একটি 3G নেটওয়ার্ক এমনভাবে ডিজাইন করা যাতে ভয়েস এবং ডাটা ট্রাফিক উভয়-ই বিরামহীনভাবে সার্ভিস দিতে পারে।
3G নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে অন্য অপারেটরের 3G ফোনে কি আমি ভিডিও কল করতে পারবো?
হ্যাঁ, আপনি ভিডিও কল করতে পারবেন যদি সেই অপারেটরের সাথে আমাদের আন্তঃসংযোগ চুক্তি হয়ে থাকে।
3G কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভয়েস কোয়ালিটি উন্নত করবে?
না, তে একই ভয়েস কোয়ালিটি। এটা পিক আওয়ার ভয়েস-এ অতিরিক্ত সক্ষমতার সাপোর্ট দেবে।
থ্রিজি থেকে টুজি’তে যাওয়ার পর কি হবে?
যখন কোন গ্রাহক থ্রিজি থেকে টুজি’তে যাবেন ভিডিও কল, দ্রুতগতির ইন্টারনেট ইত্যাদি থ্রিজি নেটওয়ার্ক সমর্থিত সেবা পাওয়া যাবে না। গ্রাহক এখনকার মতো বেসিক টুজি সেবা পাবেন। সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন থাকবে কিন্তু থ্রিজি কভারেজ অঞ্চলের বাইরে চলে গেলে আপনার ডাটা বা ভয়েস সেশনে কোনরুপ পরিবর্তন ছাড়াই আপনি টুজি কভারেজে চলে যাবেন। ডাটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনার স্পিডও টুজি’র স্পিডে চলে আসবে।
আমি জিপি 3G সাবস্ক্রাইব না করা স্বত্বেও আমার ফোনে 3G দেখাচ্ছে। কেন?
আপনার হ্যান্ডসেটে তখনই 3G/3.5G সংকেত দেখাবে যেখানে এই সেবা রয়েছে। তবে, 3G প্ল্যান স্বয়ংক্রিয় চালু হয় না এবং অবশ্যই এ সেবা পেতে হলে সাবস্ক্রাইব করতে হবে। সাবস্ক্রাইব করতে 3G লিখে 5000 নাম্বারে SMS করুন।
দিনের বেলা আমি বেশ ভাল এক্সপেরিয়েন্স করছি, কিন্তু ব্যস্ত পিরিয়ডে আমি শুধু দেখি। কেন?
যখন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ে, গ্রাহককে ভাল QoS দিতে টাওয়ারের কাভারেজ এরিয়া কমে যায়। এ কারণে কিছু গ্রাহক ব্যস্ত সময়ে 3G কাভারেজের বাইরে থাকেন।

এয়ারটেল 3G এবং সাধারণ জিজ্ঞাসা

১. 3G কি?
উত্তর: 3G হচ্ছে মোবাইল যোগাযোগের একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। সহজ কথায়, এটা একটি নেটওয়ার্ক যাতে আপনি আপনার ফোনে দ্রুত গতি সম্পন্ন ডাটা ব্যবহারের সুবিধা পাবেন, ফলে আপনি শুধু কথা বলা ছড়াও আরো অনেক কিছু করতে পারেন। এতে থাকছে উচ্চ গতির ইন্টারনেট এক্সেস, ভিডিও কলিং এবং উন্নত মাল্টিমিডিয়া ।
 
২. 3G দিয়ে আমি কি করতে পারব?
উত্তর: G দিয়ে আপনি উপভোগ করতে পারবেন...
  • আপনি আপনার ফোনে উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
  • উচ্চ মানের ভয়েস সেবা: ভয়েস কলের মান 2G এর তুলনায় 3G এ অনেক ভালো।
  • দ্রুত ডাউনলোড: 3G ব্যবহারকারীরা গান, ভিডিও, হাই রেজল্যুশন ফটো এবং উচ্চ গতিতে অন্যান্য ফাইল ডাউনলোড করতে পারেন।
  • মোবাইলে ব্রডব্যান্ড অভিজ্ঞতা: 3G কভারেজের আওতাধীন এলাকায় 3G গ্রাহকরা উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে।
  • ভিডিও পরিষেবা: 3G ব্যবহারকারীরা ভিডিও কলের সুবিধা উপভোগ করতে পারেন যেখানে কথা বলার পাশাপাশি একে অপরকে দেখতে সক্ষম হবে যদি উভয়ই 3G সেবাগ্রহণকারী হয় ও উভয়েরই 3G-সক্রিয় হ্যান্ডসেট থাকে। 3G ব্যবহারকারীরা তাদের বন্ধুদের ভিডিও মেইল এবং ভিডিও ক্লিপ পাঠাতে পারবে। 
  • মোবাইল টিভি: 3G ব্যবহারকারীরা তাদের ফোনে বিভিন্ন চ্যানেলের টিভি প্রোগ্রাম দেখতে পারবে এমনকি যখন তারা চলাফেরার মধ্যে থাকবে তখনও।
 
৩. আমি কিভাবে 3G ব্যবহার করতে পারি? অথবা আমার জন্য 3G কি প্রয়োজন?
উত্তর: সকল এয়ারটেল সিম কার্ড 64K হয় যার মানে তারা 3G সামঞ্জস্যপূর্ণ। সুতরাং, সিম পরিবর্তন এর কোন প্রয়োজন নেই, এয়ারটেল 3G সেবা পেতে আপনার নিম্নলিখিত চাহিদা পূরণ করার প্রয়োজন:
  • আপনাকে এয়ারটেল এর 3G নেটওয়ার্ক আওতায় আসতে হবে
  • আপনার এক 3G সক্রিয় হ্যান্ডসেট থাকতে হবে 
  • আপনার 3G  প্যাক অথবা 3G সাবস্ক্রিপশন থাকতে হবে 
 
৪. আমাদের কেন 3G তে যেতে হবে
উত্তর:-  থাকছে মোবাইলে উচ্চগতির অভিজ্ঞতা
       -  উচ্চ গতির মোবাইল ইন্টারনেট
       -  ভিডিও স্ট্রেমিং, টি ভি সম্প্রচার 
       -  ভিডিও কল, ভিডিও ক্লিপ্স -নিউজ,মিউজিক,স্পোর্টস 
       -  থাকছে গেইমিং, চ্যাট, লোকেশন সার্ভিস
 
৫.  কীভাবে জানব যে আমি এয়ারটেল এর 3G নেটওয়ার্কে আছি ?
উত্তর: আপনি যখন একটি 3G প্যাক দিয়ে 3G সার্ভিস সক্রিয় করবেন এবং আপনার হ্যান্ডসেট এর নেটওয়ার্ক সেটিংস  Dual mode / UMTS & GSM Mode / Auto Mode থাকবে, তখন আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমাদের 3G নেটওয়ার্কের আওয়তায় চলে আসবেন।
আপনি আপনার ফোনের পর্দায় আপনার নেটওয়ার্ক বার এর পাশে 3G/3.5G / H প্রদর্শিত দেখতে পাবেন।
 
৬. আমার কি একটি পৃথক নম্বর অথবা একটি নতুন 3G সিম প্রয়োজন?
উত্তর: না, আপনার একটি আলাদা নম্বর বা 3G সক্রিয় একটি নতুন সিম প্রয়োজন হবে না। আপনার বর্তমান সিম 3G সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং আমরা আপনার বিদ্যমান মোবাইল নম্বর ও সিম কার্ডেই একটি 3G প্যাক সক্রিয় করতে পারব।
 
৭. 3G তে ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস (VAS) পণ্য কী কী?
উত্তর: যেহেতু 3g ভাল ব্রাউজিং গতি দেয়, এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হল  দ্রুত মোবাইল ইন্টারনেট এক্সেস সহ ভিডিও কন্টেন্ট। যেসব পণ্য এবং অ্যাপ্লিকেশন 3G থেকে উপকৃত হয়েছে তার মধ্যে কয়েকটি হল:
  • সম্পূর্ণ গান ডাউনলোড - একটি 3MB গান যা সাধারণত ১ মিনিট সময় নিত, এখন সময় নিবে মাত্র ৬ সেকেন্ড এর মত। 
  • মোবাইল টিভি - আপনি আপনার মোবাইলে পছন্দের সব ঘরানার চ্যানেল-খবর, বিনোদন, ক্রীড়া সহ টিভি দেখতে পারেন।
  • মাল্টি প্লেয়ার গেমিং - এখন আপনি গেম খেলা এবং মাল্টি প্লেয়ার গেমিং মাধ্যমে অন্য মানুষের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন
  • ভিডিও টকিজ  - স্বল্পদৈর্ঘের সম্পাদিত সংস্করণ এর ছায়াছবি দেখতে পারবেন চলাফেরা কালিন সময়ে।
  • ভিডিও অ্যালার্ট - আপনি  আপনার পছন্দ অনুযায়ী ফিটনেস, বলিউড,  ক্রীড়া এবং অন্যান্য অনেক অপশন থেকে দৈনিক ভিডিও অ্যালার্ট পাতে পারেন।
 
৮. আমি কিভাবে আমার নেটওয়ার্ক সেটিংস 3G তে পরিবর্তন করব?
উত্তর: ফোন সেটিংস যান,
নেটওয়ার্ক সেটিংস / নেটওয়ার্ক মুড সিলেক্ট করুন,
Dual Network / 2G & 3G mode / 2G & UMTS mode সিলেক্ট করুন,
এবং সেইভ করতে OK চাপুন।
 
৯. 3G ব্যবহার করার সময় কেন আমার ফোন ব্যাটারি স্তর দ্রুত কমে যায় কেন?
উত্তর: 3G এর উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলি আপনার ফোনের ব্যাটারি খরচ বাড়িয়ে দেয়।
 
১০.  3G পেতে হলে কি আমার সিম পরিবর্তন করার প্রয়োজন?
উত্তর: না, এয়ারটেল সিম কার্ড 64K হয় যার মানে তারা 3G সামঞ্জস্যপূর্ণ সুতরাং,সিম এর পরিবর্তন প্রয়োজন নেই।
 
১১. 3G সাধারণ বৈশিষ্ট্য কী কী?
  • উচ্চ ক্ষমতা এবং পরিষ্কার ভয়েস
  • উচ্চ গতির ইন্টারনেট এবং ওয়ারলেস অ্যাপ্লিকেশন প্রোটোকল
  • ভিডিও কলিং
  • মোবাইল টিভি
  • মোবাইল সঙ্গীত
  • উন্নত ভিডিও এবং অডিও স্ট্রীমিং
  • ভিডিও কনফারেন্সিং
  • অনলাইন এইচডি গেমিং
  • এম কমার্স
  • লোকালাইজেশন ভিত্তিক সেবা
  • মেসেজিং সেবা
  • Convergence
  • ইউনিভার্সাল রোমিং
  • সকল প্রকার মাল্টিমিডিয়া সেবা
 
১২. 3G এর গতি কি বিষয়গুলির উপর নির্ভর করে?
উত্তর: প্রথমত গতি উপর নির্ভর করে হ্যান্ডসেট, কভারেজ, নেটওয়ার্ক ট্রাফিক এবং বর্তমানে সময় একটি নির্দিষ্ট  পয়েন্টে একটি নির্দিষ্ট  সময়ে 3G নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
দ্বিতীয়ত, এটা আপনার সাবস্ক্রাইব করা ডেটা প্যাকেজ এর গতির উপর নির্ভর করে.
 
১৩. কোন হ্যান্ডসেট 3G নেটওয়ার্কের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
উত্তর: স্মার্ট ফোন 3G সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। কিন্তু নিশ্চিতভাবে প্রতিটি স্মার্ট ফোন সব বৈশিষ্ট্য সমর্থন করতে পারে না। কারণ নির্মাতারা তাদের নিজস্ব বিবেচনার ভিত্তিতে বহুমুখী বৈশিষ্ট্য সঙ্গে মোবাইল স্টেশন বিকাশ করে। টেকনিক্যালি, R99, HSPA এবং HSPA + + সমর্থিত হ্যান্ডসেট 3G নেটওয়ার্কের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এবং অন্তত ভয়েস সমর্থন পরিষেবা থাকে। কিন্তু ডেটা সেবা এর প্রাপ্যতা হ্যান্ডসেট এর ধরণ উপর নির্ভর করে।
 
১৪. R99 এবং HSPA কি?
উত্তর: R99 হলো হ্যান্ডসেট এর তথ্য বাহক পরিষেবা 384kbit/s, যা  সাধারণত Release 99  বা R99 হিসাবে পরিচিত ।
HSPA মানে হাই স্পিড প্যাকেট এক্সেস। এটা HSUPA (হাইস্পিড আপলিঙ্ক প্যাকেট এক্সেস) & HSDPA (হাইস্পিড ডাউনলিঙ্ক প্যাকেট এক্সেস) যা সমর্থন করে সর্বাধিক 42Mbit/s ।
 
১৫. আমি কিভাবে  সংযোগ সহ 3G সিম পেতে পারি?
উত্তর: আপনি আপনার কাছাকাছি AEC / ARC থেকে সংযোগ কিনতে পারেন
 
১৬. আমি যদি 3G কভারেজ এর বাইরে থাকি তাহলে কি হবে?
উত্তর:  যদি কোন এলাকায় 3G কভারেজ না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি 2G/2.5G সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। 
 
১৭. 3G নেটওয়ার্ক কি সারা দেশে পাওয়া যাবে?
উত্তর: এয়ারটেল প্রথম পর্যায়ে ঢাকায় ও চট্রগ্রামের কিছু এলাকায় অক্টোবরের মধ্যে 3G সেবা চালু করবে এবং পরবর্তী বছরের জানুয়ারির মধ্যে সব গুলো বিভাগীয় শহর 3G এর আওতায় আসবে।  
 
১৮. 2G তুলনায় 3G এর উপকারিতা কি কি?
উত্তর: 2G নেটওয়ার্ক এর সকল কাজ করতে সক্ষম 3G নেটওয়ার্ক,  যেমন ডিজিটাল ভয়েস, ভয়েস মেইল, কনফারেন্স কলিং এবং সহজ তথ্য অ্যাপ্লিকেশন যেমন ইমেল। যেহেতু 3G নেটওয়ার্ক উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন তথ্য আদানপ্রদান নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম, সেহেতু এটি ভিডিও কনফারেন্সিং ও মোবাইল টেলিভিশন মত বৈশিষ্ট্য সমর্থন করে। 3G মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া সেবা, নতুন ভিডিও, অডিও এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করে, ফলে সঙ্গীত ও টেলিভিশন এবং ইন্টারনেট  মোবাইল টার্মিনাল থেকে অ্যাক্সেস করা যাবে। 
 
১৯. আমি  কোন সার্ভিসটি গ্রহন করব, “পে পার ইউজ” অথবা “বান্ডেল অফার” ?
উত্তর: 3G চালু হওয়ার পরে 3G সংযোগ এবং পরিষেবার জন্য  আপনি  www.bd.airtel.com ওয়েবসাইট  থেকে বিস্তারিত ট্যারিফ প্ল্যান পেতে পারেন।

দির্ঘায়ীত করুন আপনার মোবাইল ব্যাটারির জীবন ।

মোবাইল ব্যবহারকারীদের মাঝে ব্যাটারি নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হয়নি এমন লোক হয়ত খুজে পাওয়াটা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ব্যাটারির নান ধরনের সমস্যায় জর্জরিত মোবাইল ব্যবহারকারীরা। কারও চার্য তারাতারি শেষ হয়ে যায়, কারও ব্যাটারি চার্যে দেয়ার সাথে সাথে চার্য ফুল হয়ে যায় আবার একটু পরে মোরাইল অফ, কারও সেট হঠাৎ গরম অতঃপর শাটডাউন। এইরকম নানা সমস্যায় আমরা ভূগছি।

আমরা কিন্তু একটু সতর্ক হলেই এই সমস্ত সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারি। আমি আপনাদের সামনে সহজ কিছু টিপস তুলে ধরছি যা আপনাদের মোবাইল ব্যাটারির জীবনকে দির্ঘায়ীত করবে এবং প্রয়েজনের সময় আপনাকে সবার সাথে সংযুক্ত রাখবে বলে আশা করি

১. ব্লু-টুথ, ইনফ্রারেড এবং ওয়াইফাই বন্ধ রাখুন : ডাটা প্রসেসিং এর পর আমরা অনেকেই আমাদের ব্ল-টুথ অথবা ইনফ্রারেড বন্ধ করতে ভূলে যাই। এই কাজটি আমাদের মোবাইলের ব্যাটারি থেকে অনবরত পাওয়ার লস করে থাকে। তাই এখন থেক মনে করে ডাটা পাসিং এর পর ইনফ্রারেড এবং ব্লু-টুথ বন্ধ করে রাখুন।

২. প্রয়োজন অনুযায়ী কমিয়ে নিন আপনার মোবাইল ডিসপ্লের ব্রাইটনেস : আপনার মোবাইলে যদি ডিসপ্লের ব্রাইটনেস কন্ট্রোল করার অপশনটি থেকে থাকে তাহলে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কমিয়ে নিন আপনার মোবাইল ডিসপ্লের ব্রাইটনেস। নকিয়ার স্মার্টফোন গুলোতে লাইট সেন্সর ব্যবহার করা হয় যাতে এক এক ধরনের আলোতে ব্রাইটনেস এর পরিবর্তন হতে পারে। তবে আপনার মোবাইলে যদি অপশনটি থেকে থাকে তাহলে আপনি আপনার মোবাইলের ব্রাইটনেস মিডিয়াম করে রাখতে পারেন যা আপনার ব্যাটারির অনেক চার্য বাচাবে। আর যখন আপনি বাড়ির বাইরে আছেন এবং আপনার মোবাইল চার্য ক্ষুধায় ভূগছে, হাতের কাছে চার্যারটিও নেই তখন আপনি আপনার মোবাইলের ব্রাইটনেস মিনিমাম করে রাখতে পারেন। আর একটি ছোট্ট টিপস্ হল আপনি আপনার মোবাইল এর কলিং অপশনের ব্যাকলাইট এর টাইম কমিয়েও রাখতে পারেন।

৩. যতটা সম্ভব ভাইব্রেশন বন্ধ রাখুন : এই টিপস্ যখন আপনি কোন কনফারেন্স রুমে, হসপিটালে অথবা ক্লাসরুমে থাকবেন সেই সময়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। কারণ আপনাকে তখন মোবাইল সাইলেন্ট মোডে রাখতে হয়। তবে একটা জিনিস করা যায়, যেহেতু আপনি ক্লাসরুমে কোন কল রিসিভ করতে পারবেন ই না, তাই মোবাইল এর রিংটোন ও ভাইব্রেটর দুটোই অফ রাখতে পারেন। পরে দেখে নিতে পারবেন। ( এই ক্ষেত্রে একটা ভয় : প্রেমিকার ফোন আসলে আপনি না ধরায় রেগেমেগে ব্রেকআপ ও হয়ে যেতে পারে )। অন্নান্য সময় আপনার মোবাইলের রিংটোনের লেভেল কমিয়ে রাখতে পারেন যা কিছুটা হলেও আপনার ব্যাটারি সঞ্চয় করবে।

৪. নেটসার্ফিং থেকে বিরত থাকুন : এজ সার্ভিসের কল্যানে আমরা সবাই কানেক্টেড। কিন্তু আপনার মোবাইল ব্যাটারির প্রান যখন যায় যায় তখন নেট সার্ফিং থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। নতুবা এক ঘন্টা আগেই আপনি শাটঅফ হয়ে যেতে পারেন। তাছারা গেমস, ভিডিও ও এমপিথ্রি থেকে বিরত থাকুন।

৫. যেখানে নেটওয়ার্ক সিগনাল নেই সেখানে মোবাইল অফ রাখুন : যে এলাকায় আপনার ব্যবহার করা মোবাইল অপারেটর এর নেটওয়ার্ক সেবা পৌছায়নি সে সমস্ত এলাকায় আপনি আপনি আপনার মোবাইল অফ রাখলেই অন থাকতে পারবেন! একটু অবাক হলেন? হুম, বুঝিয়ে বলি….আপনি আপনার ইউনিভার্সিটির আন্ডারগ্রাউন্ড স্টাডি এরিয়াতে বসে স্টাডি করছেন কিন্তু সেখানে কোন মোবাইলের সিগনালই পৌছাতে পারেনা। তখন আপনার মোবাইল অনবরত আপনার মোবাইল অপারেটর এর সিগনাল খুজতে থাকে যা অনেক দ্রুত আপনার ব্রাটারি শেষ করে দিতে পারে। এই সময় গুলোতে আপনি আপনার মোবাইলকে খানিকটা সময়ের জন্য বিশ্রামে রাখতে পারেন।

৬. চার্জিং এবং ডিসচার্জিং : এই ব্যাপারটা আমদের অনেকর কাছেই ঘোলাটে। আসলে এই ব্যাপারটা জানার চেষ্টাই করিনা আমরা। আমরা অনেকেই যখনই পারি তখনই ব্যাটারি চার্জ করি। আবার অনেকে অর্ধেক ব্যাটারি ব্যবহার হয়ে যাওয়ার পর চার্য করি। আসলে মোবাইলের লম্বা জীবনের জন্য এই দুটো কাজের কোনটাই ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে তখনই ব্যাটারি চার্য করা উচিৎ যখন ব্যাটারি লেভেল অনেক নিচে নেমে আসে। আর ব্যাটারির লম্বা জীবন নিশ্চিত করতে সম্তাহ অথবা মাসে অন্তত একবার ফুল ব্যাটারি ব্যবহারের পর চার্য করা উচিত।

৭. ব্যাটারি মেইনটেইনেন্স : আপনার মোবাইলের ব্যাটারিকে আদ্রতা ও তাপ থেকে সাবধানে রাখুন। বর্ষাকালে আপনার মেবাইল ব্যাটারির বিশষ যত্ন নিন। যদি অনেক দিন যাবৎ দেশের বাইরে থাকেন অথবা কাজে ব্যস্ত থাকার কারনে মোবাইল ব্যবহার করতে না পারেন তাহলে মোবাইল ব্যাটারিটি খুলে কোন শুকনো জায়গায় সাবধানে রেখে দিন।

এই টিপস গুলো মোটামুটি মেনে চললেও আমাদের মোবাইল ব্যাটারি দীর্ঘ জীবন লাভ করবে.....

কিডনি বিকল থেকে রক্ষা পেতে ৭ খাবার, কিডনি আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ l

কিডনি আমাদের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহের মধ্যে একটি। অভ্যন্তরীণ এই অঙ্গটি বিকল হওয়ার অর্থ মৃত্যু অবধারিত। কিডনির কাজ শরীরের অপ্রয়োজনীয় পদার্থ বা বর্জ্যকে ছেঁকে বের করে দিয়ে পুষ্টি উপাদানটুকু গ্রহণ করা। দুটি কিডনির মধ্যে একটিও যদি বিকল হয় কিংবা দুটি কিডনিই যদি আংশিক বিকল হয়, তবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা থেকে বহু খাবার চিরতরে বাদ পড়ে যাবে। অনিয়ম করলে কিছুদিনের মধ্যে বাকি অংশটুকুও বিকল হয়ে যাওয়ার সমূহ আশঙ্কা থাকবে। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প নেই। কিডনির জন্য উপকারি ও অপরিহার্য ৭টি খাবারের তালিকা নিচে দেয়া হলো: 

১) ডিমের সাদা অংশ: যদি কিডনির সমস্যা থাকে, আপনার শরীরে প্রয়োজন হবে এ ধরনের প্রোটিন যাতে ফসফরাসের মাত্রা কম। আর সেখানেই ডিমের সাদা অংশের ভূমিকা অপরিসীম। প্রোটিনজাতীয় খাবারের অন্য যে উৎসসমূহ রয়েছে, তার মধ্যে ডিমের সাদা অংশে ফসফরাসের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কম। কিডনির সমস্যা থাকলে, আপনার উচিত ডিমের কুসুম বা হলুদ অংশ সম্পূর্ণভাবে পরিহার করা।

 ২) ফুলকপি: সবজির মধ্যে ফুলকপি কিডনির জন্য অত্যন্ত উপকারী। ফুলকপি কেটে তাতে গোলমরিচ ও লবণ মিশিয়ে সেদ্ধ করা বা স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে রান্না করা যেতে পারে। এই সবজিটি আপনার শরীরে প্রতিদিন প্রবেশ করা বিষাক্ত উপাদানসমূহের শত্রু। 

৩) বাধাকপি: কিডনি সমস্যা প্রতিরোধে ও এ সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য বাধাকপি আরেকটি অপরিহার্য সবজি। বহুস্তরবিশিষ্ট এ সবজিটি ফাইটোকেমিক্যালসের অন্যতম উৎস। শরীর ও ত্বকের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা, উজ্জ্বল ত্বকের জন্য বাধাকপি বরাবরই অপ্রতিদ্বন্দ্বী একটি সবজি। যারা কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে ডায়ালাইসিস করিয়ে থাকেন, চিকিৎসকরা তাদের কাঁচা বাধাকপি সুন্দর করে কেটে কাঁচা খাওয়ার পরামর্শ দেন। অবশ্য, সাধারণভাবে অন্যদের জন্য বাধাকপি স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে রান্না করে খাওয়ার পরামর্শই দিচ্ছেন তারা। 

৪) মাছ: মাছে রয়েছে প্রদাহ রোধকারী তেল, ওমেগা-৩, যা কিডনি সমস্যা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে প্রোটিনের একটি ভালো উৎস মাছ। যে কোনভাবেই মাছ খাওয়া যেতে পারে। রান্না করে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে। তবে, পরিমিত ও ভালো তেলে মাছ ভেজেও খেতে কোন বারণ নেই।

 ৫) জুস: ফল কিংবা সবজির জুস দুটিতেই রয়েছে শরীরের বর্জ্য অপসারণে প্রয়োজনীয় গুণাগুণ। শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় পদার্থ বের করতে ভালো ও তাজা সবজি বা ফলের জুসের বিকল্প খুব কমই আছে। বিশেষ করে টাটকা সবজির জুসে রয়েছে ফাইটোকেমিক্যালস। যারা ডায়ালাইসিস প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তাদের জন্য এটা বিশেষভাবে উপকারী। কারণ, জুস কিডনি বিকল হওয়া প্রতিরোধ করে, কিডনির স্বাস্থ্য ভালো করে। আর ফলটা কেনার সময় একটু সতর্কভাবে বাছাই করে নেয়াটা জরুরি। যদি সেটা সম্ভব হয়, তাহলে ফলের জুস বানিয়ে পান করতে বাধা নেই। 

৬) লাল ক্যাপসিকাম: লাল ক্যাপসিকাম বাজারে খুব একটা পাওয়া যায় না। কোনভাবে যদি এটা সপ্তাহের খাদ্য-তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন, তবে অনেক উপকার পাবেন। যে কোনভাবে ক্যাপসিকাম খাওয়া যেতে পারে। সবুজ নয়, লাল ক্যাপসিকাম কিডনি সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য অন্যতম পাথেয়। 

৭) পানি: পানি যে কোন সমস্যায় মহৌষধ। প্রতিদিন নিয়মিত কমপক্ষে ৭-৮ গ্লাস পানি পান করুন। অতিরিক্ত পরিশ্রম হলে, প্রয়োজনে আরও ৩-৪ গ্লাস বাড়িয়ে নিতে পারেন। শরীরের অধিকাংশ বর্জ্য অপসারণ করে পানি ও সেই সঙ্গে রক্তকেও পরিষ্কার রাখে। কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রতিরোধ করে। খাবারের সঙ্গে টেবিল সল্ট বা কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে, তা এখনই পরিহার করুন। রান্নাতেও পরিমিত লবণ ব্যবহার করুন। কারণ, মাত্রাটা একটু বেশি হলে, সেটা আপনার কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তেলজাতীয় খাবার বা ভাজাপোড়া কিডনির শত্রু। এ জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। তেলে ভাজা খাবার খেলেও, তেলের পরিমাণটা যাতে নিতান্তই কম হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। বাইরে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করবেন না। কষ্ট করে হলেও বাড়িতেই রান্না খাবার খান ও সুস্থ থাকুন।

আর নয় হার্ট-এটাক্…সবাই শুরু করুন……মৃত্যু ঝুকি কমান….


কেমন আছেন । আশা করি ভালই আছেন।

রাজনের বন্ধু, ইতালিতে থাকে। হঠাৎ একদিন বুকে প্রচন্ড ব্যাথা নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেল। ডাক্তার এনজিওগ্রাম করল এবং চারটা ব্লক ধরা পরল, ডাক্তার রিং বসাতে পরামর্শ দিল। কিন্তু পর্যাপ্ত টাকার অভাবে রিং পরাতে পারল না। কিছু দিন পর একজন ভদ্রলোক তাকে একটি ভেজষ medicine দিল এবং সে তা নিল। চার মাস পর যখন তার টাকা হল, সে ডাক্তারের কাছে গেল রিং বসাতে।

ডাক্তার আবার এনজিওগ্রাম করল কিন্তু আশ্চর্য কোন ব্লক নেই......। আমি রেসিপিটি আমার বন্ধুর কাছ থেকে পাওয়ার পর Internet Search দিয়ে পেলাম.......সত্যি তাই.........


১। আদার রস---------১ কাপ
২। লেবুর রস---------১ কাপ
৩। রসুনের রস------১ কাপ
৪। Apple Vinegar--১ কাপ
৫। মধু-----------------৩ কাপ
রস্তুত প্রণালী:
আদার রস, লেবুর রস, রসুনের রস, Apple Vinegar.......মোট চার কাপ রসকে জ্বালিয়ে তিন কাপ বানাতে হবে, তারপর ঠান্ডা করে তিন কাপ রসের সাথে তিন কাপ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে ১ টেবল চামচ করে খাবার আগে খেতে হবে। ৪-৫ মাস খাওয়ার পর উপকার পাবেন। আপনার যদি ব্লক থেকেও থাকে.....বাই-পাস/রিং পরাতে হবে না।

ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন।সবাই ভাল থাকবেন। 
সূত্রঃটেকটিউনস

অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনে এইচআইভি থেকে মুক্তি

 
ক্যানসার সারাতে অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন করে দুইজন এইডস রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অসুস্থ ওই দুই ব্যক্তির একজন দুই বছর এবং অন্যজন প্রায় চারমাস ওষুধ ছাড়াই সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং তাদের দেহে ভাইরাস ফিরে আসার কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।
সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল এইডস সোসাইটির একটি মতবিনিময় সভায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিগহাম অ্যান্ড ওমেন’স হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা এ তথ্য জানিয়েছেন। 
সাধারণত খুব সহজে এইচআইভির সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। এই প্রাণঘাতী ভাইরাস মানব দেহে ডিএনএ’র ভেতরে লুকিয়ে থাকে।
অ্যান্টি-রেট্রোভাইরাল জাতীয় ওষুধ রক্তপ্রবাহ থেকে এইচআইভি ভাইরাস দূরে রাখে। কিন্তু যখন ওষুধ খাওয়া বন্ধ করা হয় তখনই ওই ভাইরাস আবার ফিরে আসে।
যে দুইজন ব্যক্তি সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে তারা ৩০ বছর ধরে এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন।
তারা উভয়েই এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার পর ক্যানসার, লিম্ফোমা রোগে আক্রান্ত হন। ফলে তাদের অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন করা হয়। কিন্তু অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের পর তাদের দেহে এইচআইভি ভাইরাস আর ফিরে আসে নি।
যেহেতু অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনে দেহে সম্পূর্ণ নতুন রক্ত কোষ তৈরি হয় তাই ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণেই তাদের দেহে আর কোনো এইচআইভি ভাইরাস ফিরে আসেনি। 

ফেসবুক থেকে ভিডিও ডাওনলোড করুন অতি সহজে

পরকরুনাময় আল্লাহপাকের নামে শুরু করছি । আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে সবাই ভালো আছেন।
আমরা অনেকেই ফেসবুকে ভিডি ও আপলোড করি।আবার অনেকে ভন্ধুদের ভিডিও ফেসবুকে দেখি।কিন্তু ইচ্ছে থাকা ত্তেও ডাওনলোড করতে পারিনা। আফসোস করবেন না। আজকে আমি আপনাকে দিয়ে ফেসবুক ভিডিও ডাওনলোড করিয়ে ছাড়বো।
প্রথমে ফেসবুকে লগইন করুন ।যে ভিডিওটি ফেসবুক থেকে নামাতে চান তার লিংক কপি করুন ।ভিডিওর উপরে মাউস রেখে ডান ক্লীক করলেই Copy link option অপশন পাবেন। তারপর www.facebookvideodown.com ষাইটে যান। উক্ত সাইটে গিয়ে Enter the video link বক্সে ফেসবুক ভিডিওর লিংক টি পেস্ট করুন
ব্যস পেয়ে যাবেন ডাওনলোড বাটন।এখন Download! বাটনে ক্লীক করলেই ভিডিও ডাওনলোড প্রক্রিয়া চালু বে সবশেষে Download this Video বাটনে ক্লীক করে ভিডিও ডাওনলোড শুরু হবে। তাহলে বন্ধুদের ভিডিও গুলো ফেসবুক থেকে নামাতে থাকুন। আমি আজকের মতো বিদায় নিই। তবে দু:খের বিষয় আপনারবন্ধুর ভিডিও টি Facebook privacy দ্বারা লক করা থাকেতা হলে ডাওনলোড করতে পারবেন না।


খালি পেটে জলপান

প্রতি সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জলপান খুব উপকারী। আজকাল জাপানে খুব জনপ্রিয় এ চর্চা। ভারতবর্ষে প্রাণায়ম ও যোগব্যায়ামে এটি অনুষঙ্গ হিসেবে আছে বহু বছর ধরে।
বিজ্ঞানীরাও গবেষণা করে এর হিতকরী দিক খুঁজে পেয়েছেন।
মাথা ধরা, শরীর ব্যথা, হূদ্যন্ত্রের সমস্যা, আর্থ্রাইটিস, দ্রুত হূৎস্পন্দন, মৃগীরোগ, স্থূলতা, ব্রংকাইটিস, হাঁপানি, কিডনি ও প্রস্রাবের রোগ, বমি, গ্যাস্ট্রাইটিস, ডায়রিয়া, পাইলস, ডায়াবেটিস, কোষ্ঠবদ্ধতা, চোখের রোগ, নাক ও গলার রোগ ঋতুস্রাব সমস্যা— সবগুলোতে এই জলপান চর্চা বড় উপকারী।
জাপানে চিকিৎসা অঙ্গনে এ চিকিৎসা বহুল প্রচলিত।

কীভাবে করবেন?
সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার আগে ১৬০ মিলিলিটার চার গ্লাস পানি পান করুন। (৪:১৬০ মিলিমিটার পরিমাণ জল)
এরপর দাঁত ব্রাশ করুন ও মুখ পরিচ্ছন্ন করুন। তবে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু খাবেন না।
৪৫ মিনিট পর স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করুন।
প্রাতঃরাশ, মধ্যাহ্নভোজন ও রাতের খাবারের ১৫ মিনিট পর দুই ঘণ্টা পর্যন্ত কোনো কিছু খাবেন না বা পান করবেন না।
যাঁরা বৃদ্ধ ও দুর্বল এবং সকালে চার গ্লাস পানি পান করতে সমর্থ নন, তাঁরা প্রথমে কম জলপান করে ক্রমেই বাড়াতে বাড়াতে চার গ্লাস পর্যন্ত পানি পান করবেন।
সুস্থ জীবনযাপনের বড় সহায় এই চর্চা।
প্রতি সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জলপান খুব উপকারী
প্রতি সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জলপান খুব উপকারী
যেসব রোগে এই জলপান চর্চা কয়েক দিন উপকারী তা-ও বলেছেন বিজ্ঞজনেরা।
ক. উচ্চরক্তচাপ (৩০ দিন), খ. গ্যাস্ট্রিক (১০ দিন) গ. ডায়াবেটিস (৩০ দিন), ঘ. কোষ্ঠ (১০ দিন) আর্থ্রাইটিস প্রথম সপ্তাহ তিন দিন, এরপর দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন। এই চিকিৎসার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। প্রথম দিকে একটু বেশি প্রস্রাব হতে পারে মাত্র। এই পানি পানকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নিলে সর্বাঙ্গীণ কুশল হবে।
পানি পান করুন এবং থাকুন সক্রিয়, সজীব, সবল ও সুস্থ।
চীনা ও জাপানিরা খাবারের সঙ্গে পান করে গরম চা, ঠান্ডা পানি নয়।
হয়তো খাবার গ্রহণের সময় এই পানীয় গ্রহণের অভ্যাস আমাদের নিলে ভালো হয়।
খাওয়ার পর ঠান্ডা জলপান করলে খাওয়া তৈলাক্ত খাদ্যকে কঠিন করে ঠান্ডা জল। ধীরগতি করে পরিপাক ক্রিয়া। এই আঠালো খাদ্যমণ্ড যখন অম্লরসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে, এটি ভেঙে যাবে এবং কঠিন খাদ্যের চেয়ে দ্রুত শোষিত হয় অন্ত্রে।
তবে এটি আস্তরণ ফেলে অন্ত্রে, চর্বিস্তর, ফল ভালো হয় না। বরং খাওয়ার পর হট স্যুপ বা কুসুম গরম জল পান ভালো।

মজার গণিতঃ ২=৫ এর প্রমাণ!!!

গণিতে আরও একটি অবাস্তব প্রমাণ নিয়ে আজ হাজির হলাম! ২=৫ এর প্রমাণটি আজকে আপনাদের দেখাতে যাচ্ছি! :P ! গণিত দিয়ে আপনি খুব সহজেই এমন অনেক "অবাস্তব/ মিথ্যা" প্রমাণ করতে পারেন! গণিতের "অসংজ্ঞায়িত/ অনির্ণেয়" টার্মগুলো দিয়েই সাধারণত এই প্রমাণগুলো হয়ে থাকে!
এমনকি এই "অসংজ্ঞায়িত/ অনির্ণেয়" টার্মগুলো দিয়ে "পৃথিবীর সকল সংখ্যা ১ এর সমান" প্রমাণ করা যায়!!! কি? মজার না??? "পৃথিবীর সকল সংখ্যা ১ এর সমান" প্রমাণটি অন্য একদিন দেখিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ :)
এই প্রমাণগুলো যদিও  সত্য নয়, তবুও এই প্রমাণগুলো দেখলে/ জানলে, গণিত হয়ে উঠে "মজার গণিত"!!! তাই, আজকেও সেইরকম একটা অনির্ণেয় টার্ম দিয়ে ২=৫ প্রমাণ করে দেখালাম! গত প্রমাণের মত আজকের প্রমাণের ভুলও আমি আপনাদের দেখিয়ে দিবো না! আপনাদেরকেই আজকের ২=৫ প্রমাণের ভুলটি ধরতে হবে! তাই, নিচের প্রমাণের ভুল খোঁজার চেষ্টা করুন। ভুল না ধরতে পারলেও মন্তব্য করুন। কারন, অনেকে যদি ভুল না ধরতে পারে, সেক্ষেত্রে আমিই ভুলটি দেখিয়ে দিবো :) তাই, নিচের প্রমাণটি ভালোমতো লক্ষ্য করুন ... ... ...
প্রমাণঃ
      14 = 14
বা, 10 + 4 = 10 + 4
বা, 10 - 10 = 4 - 4
বা, 5(2-2) = 2(2-2)
বা, 5=2 [উভয় পক্ষকে (2-2) দ্বারা ভাগ করে]
অতএব, ২=৫
[প্রমাণিত]
নোটঃ  এই প্রমাণের ভুল খোঁজার চেষ্টা করুন এবং নিচে মন্তব্য করুন ↓ ↓ ↓

ফেসবুক সৃষ্টির ইতিহাস ও অনেক অজানা তথ্য

ফেসবুক ডট কম। কে না চিনে? যে ফেসবুক চিনে না সে কোনদিন এই লেখা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবেনা বলে আমার ধারনা।
যাই হোক, ফেসবুক হলো সোশিয়াল নেটওয়ার্ক জায়ান্ট। নয় গুগল পেজ র‍্যাঙ্ক নিয়ে এলেক্সা ডট কমের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বের ২য় বৃহত্তম সাইট। মাঝ খান দিয়ে একবার অনেক দিন বিশ্বের এক নাম্বার সাইট ছিলো।



ফেসবুক প্রথম পাতা
 ফেবুকের ইতিহাস সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। তবে আজকে একটু গভীরভাবে জানবো।

১৯৮৪ সালে নিউ ইয়র্কে জন্ম নেওয়া কম্পিউটার প্রোগ্রামার মার্ক জুকারবার্গ ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে। ২০০৪ হলো ফেবুকের প্রতিষ্ঠা সাল। আমরা তার একটু আগে ফিরে যাবো।

 মার্ক জুকারবার্গ ও ফেসবুক
২০০৩ সালের ২৮ অক্টোবর মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ ফেসম্যাশ ডট কম নামে একটি সাইট প্রতিষ্ঠা করে। এই ফেসম্যাশ সাইটের কাজ খুব একটা ভালো কিছু ছিলোনা। এই সাইটে দুইটা ছবি পাশাপাশি রাখা হত। এই দুই ছবি থেকে ভিজিটররা কে “হট” আর কে “হট না/নট” তা তুলনা করতো।


এই রকমঃ
 
মার্ক জুকারবার্গ খুব ভালো কম্পিউটার প্রোগ্রামার স্কুল থেকেই ছিলেন, মানে আছেন এখনো। পরে তিনি হার্ভার্ড কলেজে ভর্তি হন। ফেসম্যাশ সেই সময়কার কথা। হার্ভার্ড কলেজের ডাটাবেজ হ্যাক করে স্টুডেন্টদের ছবি নিয়ে তা ফেসম্যাশে ব্যবহার করে ভিজিটরদের “হট” অথবা “নট” বের করার সুযোগ দেন।
পরে কলেজের স্টুডেন্টরা এই সাইট বন্ধ করতে তাকে বাধ্য করে। 





 এ ব্যপারে মার্ক জুকারবার্গ বলেছিলো;
“ একটা ব্যপার পরিষ্কার এই সাইট বানানোর জন্য আমি একটা জার্ক! যাই হোক, কেউ না কেউ এটা এমনেই করতো। ”
হাউজসিস্টেম নামে হার্ভার্ড কলেজে একটা ওয়েব সার্ভিস ছিলো। এরপর ঐ বছরই  “দি ফেসবুক” কনসেপ্ট আসে এই হাউজ সিস্টেমের একটা নতুন ফিচার হিসেবে। ২০০৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এরন গ্রীন্সপ্যান নামে এক স্টুডেন্ট আনেন এটি।
জুকারবার্গ পরে হার্ভার্ড কানেকশন নামে একটা সাইটে তার কিছু বন্ধুর ( ক্যামেরুন, টেলর,ডিভিয়া ) জন্য কাজ করা শুরু করেন।
মার্ক জুকারবার্গ  ২০০৪ সালের ১১ই জানুয়ারী দিফেসবুক ডট কম ডোমেইন কিনে নেন।  দি ফেসবুক ডট কমের চেহারা অনেকটা এরকমঃ
এই সেই... দি ফেসবুক
দি ফেসবুক ডট কম চালুর ২৪ ঘন্টার মধ্যে জুকারবার্গ ১২০০ জন স্টুডেন্ট এর রেজিস্ট্রেশন দেখতে পান। এখানে তার সাথে কাজ করেন তার রুমমেট এডুয়ারড সারভেরিন,আন্ড্রো ম্যাক্কোলাম, ডাস্টিন মস্কভিটয।  মূলত হার্ভার্ড কানেশন ডট কমে কাজ করার সময়কার ফিচার এই দি ফেসবুক ডট কম। তাই জুকারবার্গ এর সেই বন্ধুরা ( ক্যামেরুন, টেলর,ডিভিয়া ) ছয় দিনের মাথায় তার বিরুদ্ধে আইডিয়া চুরির অভিযোগ আনে।
কিন্তু সে দিকে দেখে কে! ফেসবুকের ইউজার সংখ্যা খুব দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। ২ মাসের মাথায় হার্ভার্ড ছড়াও আরো বেশ কিছু কলেজে দি ফেসবুক পরিচিতি পায়।  জুন মাসের মধ্যে সাইটে প্রায় দেড় লাখ ( ১৫০,০০০ ) ইউজার প্রোফাইল খুলেছিলো। দি ফেসবুকের সম্ভাবনা দেখে ওই মাসেই পেপাল এর ফাউন্ডার ফেসবুকের ১০ দশমিক ২ পারসেন্ট এর শেয়ার কিনে নেয় পাঁচ লাখ ইউ এস ডলারে।
কিন্তু সেপ্টেম্বার মাসে এসে জেগে উঠে সেই পুরনো সমস্যা। ক্যামেরুন, টেলর ও ডিভিয়া মামলা করে বসে দি ফেসবুকের নামে।  যদিও সেই বছর ডিসেম্বারেই ১ মিলিয়ন ইউজার হয়ে যায় ফেসবুকে।
২০০৫ এর মে মাসে এক্সেল পারটনারস ১২ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করে দি ফেসবুক ডট কমে।
২০০৫ সালের অগাস্ট মাসে দি ফেসবুক ডট কম কিনে নেয় ফেসবুক ডটকম ডোমেইনটি। তবে সহজে নয়, এতে তাদের গুনতে হয়েছে দুই লাখ মার্কিন ডলার।
২০০৬ সালে দেখা যায় গতবছর অর্থাৎ ২০০৫ সালে ফেসবুক সাড়ে তিন মিলিয়ন ডলারের উপরে লস করে। এরপর ২০০৬ এর সেপ্টেম্বারে ১৩ বছর বয়সের উপরে সবার জন্য ফেসবুক ওপেন করে দেওয়া হয়।
২০০৭ সালে ফেসবুকে আরো বিশাল অঙ্কের দুটি ইনভেস্টমেন্ট দেখা যায়। হং কং এর এক লোক ষাট মিলিয়ন ডলার ও মাইক্রোসফট ২৪০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে ফেসবুকের এক দশমিক ছয় পারসেন্ট কিনে নেয়।
২০০৮ এ এসে ফেসবুক আইনগত সমস্যাগুলো সমাধান করে এবং প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানীতে রুপ নেয়। ২০০৯ এসে দেখা যায় মাই স্পেস ডট কমকে পেছনে ফেলে দিয়েছে ফেসবুক, এবং তারা ফেসবুক থেকে আয় শুরু করেছে।
এরপর ফেসবুককে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১২ সালে দেখা যায় মার্ক জুকারবার্গ এর সম্পত্তির পরিমান প্রায় সাড়ে নয় বিলিয়ন ডলার। জুকারবার্গ নিজ যোগ্যতায় হওয়া পৃথিবীর দ্বিতীয় কনিষ্ঠ বিলিনিয়র।
২০১১ তে এসে ফেসবুকে ১০০ বিলিয়নের বেশি ছবি আপলোড করেছে ইউজাররা। এরপর ওই বছরই ফেসবুক ভিডিও কল এর জন্য স্কাইপ ও হিরুকুর সাথে চুক্তি করে ফেসবুক এর এপ্স অন্য প্ল্যাটফর্ম এ নিয়ে কাজ করানোর জন্য।  ২০১১ এর শেষ দিকে ফেসবুকে যোগ হয় টাইমলাইন ফিচার।
অক্টোবর ২০১২ তে ফেসবুকে ১ বিলিয়ন ইউজার রেজিস্ট্রেশন করে। এবং ২০১২ তেই মার্ক জুকারবার্গ বিয়ে করেন প্রিসিলা চ্যানকে। ২০১০ সালে টাইম ম্যাগাজিনের পারসোন অব দি ইয়ার হন ফেসবুকের জনক মার্ক জুকারবার্গ!










বাংলাসংবাদ২৪


লবণ কম খান, দীর্ঘজীবী হোন

প্রতিদিন যে পরিমাণ লবণ খান, তা কিছুটা কমিয়ে দিলে উচ্চরক্তচাপ ও নানা ধরনের হৃদরোগের ঝুঁকি কমতে পারে। এতে আয়ু বেড়ে যাবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের এদকল বিজ্ঞানীর এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাময়িকী হাইপারটেনশন গত সোমবার এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, একজন মার্কিন নাগরিক প্রতিদিন লবণের এক চা-চামচের কিছু পরিমাণ কম খেলে এক দশকের মধ্যে তা কমে ৪০ শতাংশে দাঁড়াবে। এতে দুই লাখ ৮০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ মানুষের উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যাবে। তাঁরা দীর্ঘজীবী হবেন।

ভোক্তা পর্যবেক্ষক সংগঠন সেন্টার ফর সায়েন্স ইন দ্য পাবলিক ইন্টারেস্টের নির্বাহী পরিচালক মাইকেল জ্যাকবসন বলেন, এটা নিশ্চিত করে বলা যায় সোডিয়াম খাওয়া কমিয়ে দিলে উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগসহ নানা রোগের ঝুঁকি কমে যায়। তিনি জানান, গবেষকেরা তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করে পৃথক পদ্ধতি অনুসরণ করে গবেষণা চালিয়ে একই ফল পেয়েছেন।
একজন মার্কিন নাগরিক দিনে যে পরিমাণ খাবার খান তাতে গড়ে তিন হাজার ৬০০ মিলিগ্রাম লবণ থাকে।

বাংলাসংবাদ২৪

ঘরে বসে ইনকাম এর সবচেয় উত্তম মাধ্যম গুগল এডসেন্স

আইটি ডেস্ক :

এডসেন্স কি ?

এডসেন্স গুগল এর একটি প্রতিষ্ঠান,গুগল এডসেন্স অনলাইন ভিত্তিক বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন দাতা সংস্থা। সহজ ভাষায় এডসেন্স হচ্ছে ব্লগ বা অয়েব সাইট থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য সব চেয়ে ভাল মাধ্যম। আপনার যদি একটি ভাল মানের ব্লগ বা অয়েব সাইট থাকে তাহলে আপনি খুব সহজেই শত শত ডলার ইনকাম করতে পারবেন এডসেন্স এর মাধ্যমে।

এডসেন্স কেন ?

আপনার অয়েব সাইট থেকে টাকা ইনকাম করতে সাহায্য করাই এডসেন্স এর কাম্য। বতর্মান সময়ে প্রায় সকল ধরনের জি্নিষপপত্র অনলাইনেই পাওয়া সম্ভব,তাই অনেকেই তাদের পন্য বিক্রির জন্য অনলাইন ভিত্তিক এড দিয়ে থাকে,আর যেহেতু অনলাইন বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের উত্তম মাধ্যম হচ্ছে এডসেন্স,তাই সবাইনির্দিষ্ট পরিমান অর্থের বিনিময়ে এডসেন্স কেই বেছে নেয়।সেই সকল এড আপনার অয়েব সাইট এ প্রদর্শনের মাধ্যমে আপনি ডলার ইনকাম করতেপারবেন, যদি আপনার একটি ভালো মানের ব্লগ বা অয়েব সাইট থাকে,সেই সাইটে যদি এডসেন্স এর এড ব্যবহার করেন আর সেই এড এ যদি কেউ ক্লিক করে তাহলে এডসেন্স সেই ক্লিক এর জন্য আপনাকে টাকা প্রদান করবে।

এডসেন্স কিভাবে পাবেন ?

 এডসেন্স একাউন্ট পেতে হলে আপনাকে তদের সকল শর্ত মানতে হবে। প্রথমেই আপনার একটি মানসম্মত ব্লগ বা অয়েব সাইট থাকতে হবে। যদি থাকে তাহলে http://www.google.com/adsense এই সাইট এ গিয়ে সাইন আপ এ ক্লিক করুন এবার যে ফর্ম টি আসবে তাতে সঠিক তথ্য প্রদান করুন। যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে এডসেন্স এক থেকে দুই দিন এর মধ্যে আপনাকে জানাবে যে আপনি এডসেন্স এর যোগ্য কিনা।যদি এডসেন্স থেকে আপনার সাইট টি এপ্রুভ করা হয় তাহলে আর দেরি না করে এডসেন্স থেকে এড কোড নিয়ে আপনার সাইট এ কোড গুলি বসিয়ে দিন আর শুরু করে দিন ডলার ইনকাম।

আপনি কি পারবেন এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে?

হ্যাঁ আপনিও পারবেন এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে,কিন্তু তার জন্য আপনাকে সামান্য পরিশ্রম করতে হবে। ক‌য়েকটি গুন আপনার মধ্যে থাকতেই হবে যেমনঃ আপনাকে কিছুটা ইংরেজি জানতে হবে,ইন্টারনেট সম্বন্ধে ধারনা থা্কতে হবে,,ইনকাম করার জন্য ধৈয‍‌ ধারন করার ক্ষমতা থাকতে হবে। আপনার অয়েব সাইটে ভাল মানের ভিজিটর থাকতে হবে, আর সাইটে প্রচুর ভিজিটর আনার জন্য আপনাকে প্রতিদিন কমপক্ষে এক থেকে দুইটি পোষ্ট করতে হবে। পোষ্টগুলি অবশ্যই আপনার নিজের লেখা হতে হবে,তাহলেই আপনার সাইটে ভিজিটর বারবে ,আর যত ভিজিটর আসবে তত ক্লিক এর সংখ্যা বারবে তখন ইনকামও বারবে। চেষ্টা করে দেখুন আপনিও পারবেন অনলাইন থেকে ঘরেবসে ইনকাম করতে।আপনার মতোই হাজারো বাঙালি ঘরে বসে ইনোকাম করছে তাহলে আপনি পারবেন না কেন? আসাকরি ছোটবেলার কথাটা ভুলে যাবেন না কখনোই "এক বার না পারিলে দেখ শত বার"।


কোথায় এডসেন্স ব্যবহার করা যায়?

এডসেন্স ব্যবহার করে টাকা ইনকাম করতে চাইলে আপনাকে একটি প্রাইমারি ডোমেইন থাকতে হবে,যেমনঃwww.abcd.com, তবে যারা প্রথম দিকে টাকা খরচ করে com ডোমেইন কিনতে চান না তদের জন্যও ব্যবস্থা আছে, আপনি প্রথম দিকে http://www.blogger.com সাইট থেকে একটি ব্লগ বানিয়েও টাকা ইনকাম করতে পারবেন।আপনার ব্লগে বা সাইটের সার্চ বক্স এর মধ্যেও এড বসাতে পারবেন।ইউটিউব এ এড বসিয়েউ ইনকাম করা যায়।তবে ব্লগারে এড ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভাল।

কিভাবে এডসেন্স থেকে টাকা প্রদান করা হয় ?

এডসেন্স থেকে টাকা পাওয়ার মাধ্যম হচ্ছে চেক, এডসেন্স চেক এর মাধ্যমে টাকা প্রদান করে থাকে,আপনার ইনকাম যখন ১০ ডলার অতিক্রম করবে তখন এডসেন্স আপনার এড্রেস ভেরিফাই করার জন্য একটা চিঠি পাঠাবে আপনার দেয়া ঠিকানায়, যদি এড্রেস টি ভেরিফাইড হয়ে থাকে তাহলে আপনার ইনকাম ১০০ ডলার অতিক্রম করলেই এডসেন্স আপনাকে চেক পাঠিয়ে দিবে।

 

এডসেন্স ব্যবহার করে কত টাকা ইনকাম করা সম্ভব?

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এডসেন্স থেকে কত টাকা ইনকাম করা সম্ভব?অনেকেই এডসেন্স কে সোনার হরিণ বলে মনে করেন। এডসেন্স এর ইনকাম এর অনুপাত দারাবে আপনার কঠোর পরিশ্রম এর উপর,আপনি যত পরিশ্রম করবেন তত বেশি ইনকাম করতে পারবেন।প্রতিদিন যদি আপনার সাইটে ১০০০ ভিজিটর আসে তাহলে ৪-৬ ডলার এর মত আয় করতে পারবেন,তবে ভাল কিওয়ার্ড থাকলে আর বেশি আয় করতে পারবেন।এডসেন্স প্রতি ক্লিক এর জন্য .১ সেন্ট থেকে শুরু করে ২ ডলার পর্যন্ত দিয়ে থাকে।চলুন দেখে নেয়া যাক কিছু অয়েব সাইট এর ইনকাম...............
Ranking by earnings Website   AdSense Earnings $ Views per month
#1 Mashable  600,000 25million
#2 Digital Point    500,000
#3 Plenty Of Fish 400,000
#4 Digg 250,000 30million
#5 TechCrunch 240,000
#6 Tweetmeme 225,000
#7 Perez Hilton 200,000 30million
#8 Weblogs 190,000 25million
#9 Shoe Money 140,000
#10 Click India 85,000 5.5million

এই অয়েব সাইট গুলি প্রতি মাসে লাখ লাখ আমেরিকান ডলার আয় করছে শুধু মাত্র এডসেন্স এর এড ব্যবহার করে,আসা করি কিছুটা হলেও ধারনা হয়েছে আপনি কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন।






বাংলাসংবাদ২৪

অনলাইনে জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইনের চিঠি

জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইনের লেখা কয়েক হাজার ব্যক্তিগত চিঠি প্রথমবারের মতো ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রকল্প ডারউইন করেসপনডেন্স প্রজেক্ট এ উদ্যোগ নেয়।


এসব চিঠিতে এই প্রকৃতি বিজ্ঞানীর ভিন্ন এক পরিচয় পাওয়া গেছে। যেমন তার ঘনিষ্ঠ একজন বন্ধু উদ্ভিদ বিজ্ঞানী জোসেফ হুকারের কাছে লেখা একটি চিঠিতে দেখা যায় তার পুত্রবধূ অ্যামির মৃত্যুতে তিনি কতোটা শোকাহত হয়েছিলেন। ১৮৭৬ সালে হুকারকে লেখা এক চিঠিতে পুত্রবধূর মৃত্যুতে বিপর্যস্ত ডারউইন লিখেছেন, ‘তুমি জেনে ব্যথিত হবে যে, পেশির সংকোচনে বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে অ্যামি (পুত্রবধূ) কষ্ট পাচ্ছিল। এরপর সে সংজ্ঞা হারায় এবং আমার চোখের সামনে আজ সকাল ৭টায় মারা যায়।’
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি বিবর্তনবাদী তত্ত্বের প্রবক্তা ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডারউইনের সবচেয়ে বেশি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত লেখাপত্র সংগ্রহের কাজ করেছে। ডারউইনের সমসাময়িক নেতৃস্থানীয় অন্য চিন্তাবিদকে লেখা চিঠিসহ প্রায় ৯ হাজার চিঠি এ লাইব্রেরির সংগ্রহশালায় আছে। এর মধ্যে বিগল নামক জাহাজে চেপে সমুদ্রযাত্রা নিয়ে ডারউইনের লেখা নোট এবং তত্ত্ব নির্মাণে সহায়ক প্রথম দিককার পাণ্ডুলিপিও আছে।
তবে প্রকল্পের সহযোগী পরিচালক অ্যালিসন পিয়ার্ন মনে করেন, হুকার ও ডারউইনের পরস্পরকে লেখা চিঠিগুলো থেকে অন্য চিঠিগুলো ডারউইন কিংবা পণ্ডিতদের কাছে অতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। ১৮৪৩ সাল থেকে ১৮৮২ সালে ডারউইনের মৃত্যু পর্যন্ত লেখা ওই চিঠিগুলোতে চল্লিশ বছর বয়েসী বন্ধু জোসেফ হুকার ও ডারউইনের বন্ধুত্বের উষ্ণতা সম্পর্কেও একটা ধারনা পাওয়া যায়।
এর আগে পদার্থ বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটনের লেখাপত্র ইন্টারনেটে প্রকাশ করে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে জৈব বিবর্তনতত্ত্বের সহ-আবিষ্কারক আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেসের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর বিভিন্ন চিঠি লন্ডনের ন্যাশনাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক অ্যান্ড্রু ডব্লিউ মেলন ফাউন্ডেশন এ প্রকল্পে অর্থায়ন করে। প্রায় চার হাজার চিঠি ঐ ওয়েবসাইটে প্রকাশের জন্য সংগ্রহ করা হইয়েছিল। ডারউইনসহ অন্যদের প্রতি ওয়ালেসের নিজের লেখা এবং তাঁর প্রতি অন্যদের লেখা চিঠি এই সংগ্রহে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।


খবর  - sciencetch24

জিমে না গিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ

সারা বিশ্বে এখন স্লিম ফিগারের জয়জয়কার। মেদবিহীন ছিপছিপে আকর্ষণীয় দেহের গড়ন সবার প্রিয়। এই প্রত্যাশা পূরণ খুব একটা কঠিন কাজ নয়। পরিমিত সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে স্বাভাবিক ওজন আর সুস্থ শরীরের অধিকারী হওয়া সহজেই সম্ভব। এর জন্য খুব বেশি প্রচেষ্টা কিংবা নিয়মিত জিমে যাওয়ারও প্রয়োজন নেই।

মোটা হওয়ার কারণ
সাধারণত বংশগত কারণেই মোটা হওয়ার প্রবণতা থাকে।

অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ মোটা হওয়া বা ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ।
পরিশ্রমহীন অলস জীবনযাপনও মোটা হওয়ার কারণ।
আধুনিক জীবনযাত্রায় ফাস্টফুড খাওয়া মোটা হওয়ার জন্য দায়ী।
অ্যালকোহল এনার্জি/হেলদি ড্রিঙ্কস, সফট ড্রিঙ্কস ইত্যাদি ফ্যাশনিবল কোমল পানীয় মোটা হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে সহজ ও প্রাকৃতিক উপায় হচ্ছে সুষম খাদ্য তালিকা, যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেড এবং ফাইবার আছে, মাঝারি পরিমাণে প্রোটিন আছে এবং কম পরিমাণে ফ্যাট আছে। এজন্য যা করতে হবে—
িআপনার কাজের ধরন অনুযায়ী এবং আপনার পছন্দ-অপছন্দের খাবার বর্তমান খাদ্যাভ্যাস এবং আপনার কাজের দিকে লক্ষ্য রেখে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা তৈরি করুন।
িখাদ্য তালিকায় যাতে আঁশযুক্ত খাবার, ভিটামিন, মিনারেল এবং এন্টি-অক্সিডেন্ট যথেষ্ট পরিমাণে থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
িঅতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া কমাতে সব ধরনের চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।
িশরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে ফল ও শাক-সবজি খাবেন।
িঅসময়ে খিদে পেলে স্বাস্থ্যসম্মত স্ন্যাক্স খাবেন।
িদুপুর এবং রাতের খাবারের মাঝে অথবা খুব খিদে পেলে শুকনো রুটি, টোস্ট বিস্কুট, মৌসুমি ফল, ফলের রস, সবজির রস, কিংবা সিদ্ধ শাক-সবজি বা সালাদ খেতে পারেন।
িহেলদি ড্রিঙ্কস, এনার্জি ড্রিঙ্কস, সফট ড্রিঙ্কস ইত্যাদি কোমল পানীয় একেবারেই খাবেন না। মনে রাখবেন, যে কোনো ধরনের কোমল পানীয় মোটা হওয়ার আশঙ্কা ৬০ ভাগ বাড়িয়ে দেয়।
িবার বার অল্প করে খাবেন। তবে লাঞ্চ বা ডিনারের সময় অবশ্যই কম খাবেন।
িরাতে অবশ্যই পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করবেন।
িকখনোই স্টাভেশন ডায়েট বা উপোস করবেন না। এ পদ্ধতিতে দ্রুত ওজন কমানো গেলেও শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে নানাবিধ রোগব্যাধি দেখা দেয়।

বাড়িতে ব্যায়ামের কিছু পদ্ধতি
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে বাড়িতে নিচের ফ্রি-হ্যান্ড ব্যায়ামগুলো করুন। এতে সময় একেবারেই কম লাগে। অথচ আপনি কর্মক্ষম বা ফিট থাকতে পারবেন এবং শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমা হবে না।
স্পট জগিং : শরীর সুস্থ রাখার জন্য জগিং খুব ভালো ব্যায়াম। বাড়ির বারান্দা বা যে কোনো জায়গায় ২ থেকে ৫ মিনিট স্পট জগিং করবেন।
স্টেচিং : বিভিন্ন ধরনের স্টেচিং ব্যায়াম। যেমন আর্ম স্টেচিং বা লেগ লিফটিং করতে পারেন। এটি ২ থেকে ৫ মিনিট করবেন। এতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং বিভিন্ন অংশের ফ্যাট ঝরে।
আর্ম ফ্রন্ট রাইজ এবং সাইড রাইজ : সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দু’হাত সোজা করে একসঙ্গে সামনের দিকে মাথার ওপরে তুলবেন এবং নামিয়ে আনবেন ১৫ থেকে ২৫ বার। একইভাবে দু’হাত সোজাভাবে শরীরের দু’পাশ থেকে মাথার ওপর তুলবেন এবং নামাবেন ১৫ থেকে ২৫ বার।
ফ্রন্ট ব্যান্ডিং এবং সাইড ব্যান্ডিং : সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দু’হাতের তালু মাথার পেছনে রাখুন, এরপর পিঠ সোজা রেখে সামনের দিকে যতটা সম্ভব ঝুঁকবেন এবং আবার দ্রুত সোজা হবেন, এভাবে ১০ থেকে ১৫ বার ফ্রন্ট ব্যান্ডিং করুন। এরপর দু’পা পরস্পর থেকে ২ থেকে ৩ ফিট দূরত্বে রেখে মাথার পেছনে দু’হাতের তালু রেখে প্রথমে ডানদিক যতটা সম্ভব ঝুঁকুন এরপর দ্রুত সোজা হয়ে আগের অবস্থানে আসুন। একইভাবে বাম পাশে ঝুঁকুন এবং দ্রুত সোজা হোন। এভাবে ১৫ থেকে ২০ বার এই সাইকেলটি রিপিট করুন।
পুশ-আপস : পুশ-আপস বা বুকডন করলে চেস্ট এবং আর্মস মাসলের শক্তি বাড়ে। পুশ-আপসের সময় লক্ষ্য রাখবেন যেন হাঁটুতে ভাঁজ না পড়ে এবং হাঁটু, কোমর বা পিঠ একই সমতলে থাকে। প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ বার এই পুশ আপস বা বুকডন করবেন।
সিটস-আপস : ভুঁড়ি কমাতে এবং পেটের মাসলের স্ট্রেংথ বাড়াতে সিটস-আপস অত্যন্ত কার্যকর। মাটিতে সোজা হয়ে শুয়ে দু’হাত বিপরীতে কাধের ওপর (ডান হাত বাম কাঁধের ওপর এবং বাম হাত ডান কাঁধের ওপর) রাখুন। এরপর কোমরের ওপর ভর দিয়ে শরীরের উপরের অংশ আস্তে আস্তে মাটি থেকে যতটা সম্ভব তোলার চেষ্টা করুন (সম্ভব হলে বসুন) এবং মাঝামাঝি অবস্থানে ৫ সেকেন্ড থাকুন। আবার আস্তে আস্তে শোয়া অবস্থায় ফিরে যান। এভাবে প্রতিদিন ৫ থেকে ১০টি সিটস-আপস করবেন।
স্কিপিং : স্কিপিং বা দড়িলাফ, দড়ি ছাড়াও করা যেতে পারে। দু’হাত দু’দিকে সোজাভাবে প্রসারিত করে কাঁধ বরাবর রাখুন। এবার পায়ের পাতার ওপর ভর দিয়ে ১ মিনিট লাফান। এরপর ১ মিনিট করে বিরতি দিয়ে ৩ থেকে ৫ বার সাইকেলটি রিপিট করুন।
মনে রাখবেন সুস্থ থাকার চাবিকাঠি আপনার হাতেই। তাই ধূমপান, মদ্যপানসহ সব ধরনের বদঅভ্যাস ত্যাগ করুন। মিষ্টি, চর্বি জাতীয় সব খাবার এবং ভাজাভুজা খাবার এড়িয়ে চলুন। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত হোন। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় যাই ঘটুক না কেন সময় ও সুযোগ করে নিয়ে বাড়িতে থেকেই নিজে নিজে কিছুক্ষণ ব্যায়াম করে নিন। স্বাস্থ্যসম্মত পরিমিত খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়াম— এ দুটি হচ্ছে জিমে না গিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার মূলমন্ত্র।
লেখক : মেডিকেল অফিসার
কিডনি রোগ (নেফ্রোলজি) বিভাগ
বিএসএমএমইউ, শাহবাগ, ঢাকা

হার্ট এ্যাটাক এবং করণীয়:

হার্ট এ্যাটাক কি?
মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কসনকে কথ্য ভাষায় হার্ট এ্যাটাক বলা হয়। প্রতি মিনিটে প্রায় ৭২ বার স্পন্দনের মাধ্যমে হৃদযন্ত্র সারাদেহে পাম্পের মত রক্ত সরবরাহ করে। এই হৃদযন্ত্র হঠাৎ ঠিকমত কাজ না করলে সেটা সারা দেহের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনে।

 
হৃদযন্ত্রের পেশীর দূর্বলতা কিংবা কিংবা কোলস্টেরল জমে ধমনীর রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টির ফলে হৃদযন্ত্রে রক্তাল্পতা জনিত কারণে অক্সিজেনের সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটে হার্ট এ্যাটাক হয়। হার্ট এ্যাটাকের সময় দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। অবশ্য অনেক সময় রোগী বুকে ব্যাথা অনুভব করেন এবং সেটা কিছু সময় পর সেরে যায়। এটি অ্যাঞ্জিনা পেক্টোরিস নামে পরিচিত।
 
কারণ
স্যাচুরেটেড বা সম্পৃক্ত চর্বি হৃদপিন্ডের ধমনীতে জমে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। অনেক সময় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় এটি। তখন রক্ত জমাট বেঁধে যায়।
 
যাদের ঝুঁকি বেশি:
  • মধ্য বয়সী,
  • রক্তে কোলস্টেরলের পরিমাণ বেশি আছে এমন ব্যক্তি,
  • ডায়বেটিস রোগী,
  • ধূমপায়ী,
  • অতিরিক্ত ওজন আছে এমন ব্যক্তি,
  • উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন ব্যক্তি,
  • পারিবারিক হৃদরোগের ইতিহাস,
  • চিন্তাগ্রস্ত ব্যক্তি।
 
হার্ট এ্যাটাকের লক্ষণ
  • বুকে প্রচন্ড ব্যথা, বুকে চাপ, যন্ত্রণা, ভারী লাগা। সাধারণত বুকের সামনের দিকের মধ্যভাগের হাড়ের পিছনে ব্যথা শুরু হয়। ব্যাথা থেকে তীব্রতর হতে থাকে এবং অধিক ওজন বোধ করে।
  • Angised (glyceryl trinitrate)বড়ি জীহবার নীচে রাখলেও ব্যাথা কমে না।
  • বিস্তারঃ ব্যথা বুক থেকে গলার বাম দিকে, বাম বাহু ও হাত পর্যন্ত বিস্তৃত হতে থাকে।
  • বমি বা বমির ভাবহাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসা,
  • মাথা ঝিমঝিম করা,
  • প্রচুর ঘাম,
  • দম বন্ধ হয়ে আসা, শ্বাস কষ্ট,
  • ভয়, উদ্ধেগ, আকুল মুখচ্ছবি,
  • ক্ষীণ ও দ্রুত পালস (নাড়ির গতি),
  • মৃত্যুর ভয়,
  • নিম্ন গতি ও রক্তচাপ ইত্যাদি
  • ১৫/২০ ভাগ ক্ষেত্রে হার্ট এ্যাটাক নীরব বা বেদনাহীন বিশেষতঃ প্রবীণ ব্যক্তিদের বেলায়।
 
করণীয়:
হার্ট এ্যাটাক হয়েছে মনে হলে বা বুকে ব্যাথা অনুভব করলে প্রথমেই জিভের নিচে Angised  বা অন্য কোন glyceryl trinitrate ট্যাবলেট কিংবা স্প্রে নিতে হবে। পরিস্থিতি গুরুতর মনে হলে ৩০০ মিলিগ্রামের অ্যাসপিরিন বড়ি পানিতে গুলে কিংবা চিবিয়ে খেতে হবে। অ্যাসপিরিন রক্তকে তরল করে, জমাট বাঁধতে দেয় না। অ্যাসপিরিন কিভাবে কখন খেতে হবে সেটা আগেই চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।
এরপর যত দ্রত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে। হৃদরোগের চিকিৎসা দেয়া হয় এমন হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা করা উচিত। ঢাকায় ল্যাব এইড হাসপাতাল, ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালসহ বেশ কয়েকটি হাসপাতালে হৃদরোগীদের জন্য জরুরি বিভাগ আছে।

হাসপাতালে পোঁছার পূর্ব পর্যন্ত রোগী যাতে পর্যাপ্ত আলো বাতাস পায় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিরোধ:
  • ধূমপান এড়িয়ে চলতে হবে, সিগারেটের নিকোটিন রক্তনালীকে সংকুচিত করে রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে,
  • দুশ্চিন্তা পরিহার করতে হবে
  • ওজন, ডায়বেটিস এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে,
  • হাঁটাহাঁটির অভ্যাস রাখতে হবে, ব্যায়্যাম করতে হবে,
  • সম্পৃক্ত চর্বি; যেমন গরুর মাংস, মাখন, ঘি ইত্যাদি পরিহার করতে হবে,
  • অসম্পৃক্ত চর্বি যেমন সয়াবিন তেল, মাছ, মাছের তেল, ইত্যাদি ভালো,
  • মদ্যপান এবং কফি পান পরিহার করতে হবে,
  • লবণ খাওয়া কমাতে হবে,
  • আঁশ সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেতে হবে,
  • নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হবে, চিকিৎসক না বললে ওষুধ বাদ দেয়া যাবে না।
 
হার্ট এ্যাটক হলেই মৃত্যু অবধারিত নয়, সময় মত ব্যবস্থা নিলে রোগীকে বাঁচানো সম্ভব। এরপর নিয়ম মেনে জীবনযাপন করলে পুনরায় হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি এড়ানো যায়।

এইবার মাত্র এক ক্লিক দিয়ে করুন “রিফ্রেশ” আপনার সকল ড্রাইভ।

কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই বরাবরের মতই অনেক ভাল আছেন।আজ আপনাদের দেখাব কি ভাবে এক ক্লিক এ আপনার পিসি'র সকল ড্রাইভ কে রিফ্রেশ করবেন।শুধু নিচের লিখা গুল কে কপি করে Not pad এ পেষ্ট করুন আর  save as  এ গিয়ে Refresh Drive.bat নামে save করুন।
তার পর save করা ফাইল এ গিয়ে ক্লিক করুন আর মজা দেখুন।


Echo off
cd/
tree
C:
tree
D:
tree
E:
tree
F:
tree

( NB : উপরে ৪ টি ড্রাইভ দেয়া হয়েছে যদি আপনার পিসি তে আরো ড্রাইভ থাকে  তাহলে tree নিচে লিখুন আপনার ড্রাইভ এর নাম তারপর tree তারপর সেভ করুন ।)

এলার্জি, এ্যাজমা এবং শ্বাসকষ্ট রোগ থেকে মুক্তির জন্য কিছু বিষয় রোগীদের পালন করা জরুরী

এলার্জি, এ্যাজমা এবং শ্বাসকষ্ট রোগ থেকে মুক্তির জন্য কিছু বিষয় রোগীদের পালন করা জরুরী। ঔষুধ ছাড়া শুধু নিয়মতান্ত্রিকভাবে জীবন যাপন করলে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এই রোগীদের চলাফেরা, ওঠাবসা, খাবার সব বিষয়ে সচেতন থাকতে হয়।





করণীয়
  • কার্পেট ব্যবহার না করা।
  • সম্পূর্ণ রুপে ধূমপান পরিহার করা।
  • বাসায় কোন প্রকার পোষা প্রাণী না রাখা।
  • মশার কয়েল বা স্প্রে করার সময় নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করা
  • উচ্চ মাত্রার সুগন্ধি ব্যবহার না করা।
  • ধূলাবালি থেকে বাচতে মুখে মাস্ক ব্যবহার করা।
  • ঘর ঝাড়ু দেওয়ার সময় নাকে মুখে মাস্ক, তোয়ালে বা গামছা ব্যবহার করা।
  • বিছানা বা কার্পেট, পুরাতন বই পত্র অন্য কাউকে দিয়ে ঝেড়ে নেওয়া।
  • টিভি, মশারি-স্ট্যান্ড, সিলিং ফ্যানের উপর জমে থাকা ধূলা-বালি সপ্তাহে অন্তত একবার অন্য কাউকে দিয়ে পরিস্কার করে নেওয়া 
  • বাস, মোটরগাড়ী বা যানবাহনের ধোঁয়া থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা বা মাস্ক ব্যবহার করা।
  • শীতের সময় শীতবস্ত্র ধুঁয়ে ব্যবহার শুরু করা।
  • লেপ ভাল করে রোদে শুকিয়ে ব্যবহার করা।
  • শীতের সময় উলেন কাপড়ের পরিবর্তে সুতি/ জিন্সের কাপড় ব্যবহার করা।
  • পুরাতন/ বাক্সবন্দী জামা-কাপড় ধুঁয়ে রোদে ভাল করে শুকিয়ে ইস্ত্রী করে ব্যবহার করা।
  • যেকোন স্যাঁতস্যাঁতে স্থান এড়িয়ে চলা।
  • হাটার সময় ঘাস পরিহার করা।
  • ছোট বা বড় ফুল ধরা গাছের নিচে / পাশে না বসা।
  • রান্না করার সময় মশলার ঝাঁঝাঁলো গন্ধ এড়াতে মাস্ক বা গামছা ব্যবহার করা।
  • ফ্রীজে রাখা খাবার ভালো করে গরম করে গ্রহন করা।
  • ঘরে ধূঁপ ব্যবহার না করা।
  • ব্যবহৃত বিছানায় চাদর, বালিশের কভার এবং মশারীর সপ্তাহে একবার ধুঁয়ে ফেলা।
  • ঘর থেকে ছারপোকা, তেলাপোকা চিরতরে নির্মূল করা।
  • ঠান্ডা পানি এবং খাবার পরিহার করা।

যেসব খাবার পরিহার করা উচিত
  • মাছ-ইলিশ, চিংড়ি
  • মাংস-গরুর মাংস
  • দুধ
  • ডিম-হাঁসের ডিম (সাদা অংশ)
  • সবজি-মিষ্টি কুমড়া, কচু, বেগুন
  • ফল-আপেল, কলা

পালনীয়
  • প্রতিদিন সকালে ও বিকালে মুক্ত পরিবেশে ১০ (দশ) মিনিট শ্বাসের ব্যায়াম করলে উপকার পাওয়া যায়।
  • সুযোগ পাইলে জোরে জোরে শ্বাস টানা।
  • শ্বাস গ্রহনের পর প্রায় ১৫ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখার অভ্যাস করা।
  • দুই ঠোট শীষ দেওয়ার ভঙ্গিতে এনে ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে শ্বাস ত্যাগ করা।
  • শ্বাসকষ্ট বেশী হলে ভেন্টোলিন/ এ্যাজমাসল/ সালটলিন ইনহেলার ২ কাফ করে ৫ মিনিট নেওয়া।
  • শ্বাসকষ্ট এতে শ্বাসকষ্ট না কমলে দেরী না করে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
  • সবসময় হাসি-খুশি থাকলে ভালো হয়।
  • ভয়, হতাশা ও চিন্তাগ্রস্থ না হওয়া।
  • ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ও পরামর্শ মেনে চলা ভালো।
educarebd24 educarebd24 educarebd24