সকল এডুকেয়ারবিডি২৪ এর বন্ধুদের জানাই শুভেচ্ছা। এডুকেয়ারবিডি২৪
নিয়ে কোন সাজেশন থাকলে আমাদেরকে অবশ্যই জানাবেন। কারন আপনাদের সাজেশনই পারে এডুকেয়ারবিডি২৪ কে সমৃদ্ধ করতে।
আমাদের ইমেইলঃ
contact@educarebd24.com

মানব দেহের মূল উপাদান(Biochemistry) এনাটমি

মানব দেহের মূল উপাদান(Biochemistry)
মানব দেহের গঠনের মূল উপাদান(Elementary Composition OF human body)হলোঃ-
১.অক্সিজেন শতকরা ৬৫ ভাগ...।
২.হাইড্রোজেন শতকরা ১০ ভাগ...।

৩.নাইট্রোজেন শতকরা ৩ ভাগ...।
৪.ক্যালসিয়াম শতকরা ১.২৫ ভাগ...।
৫.ফসফরাস শতকরা ১ ভাগ...।
৬.পটাশিয়াম শতকরা ০.৩৫ ভাগ...।
৭.সালফার শতকরা ০.২৫ ভাগ...।
৮.সোডিয়াম শতকরা ০.১৫ ভাগ...।
৯.ক্লোরিন শতকরা ০.১৫ ভাগ...।
১০.ম্যাগনেসিয়াম শতকরা ০.০৫ ভাগ...।
১১.লৌহ শতকরা ০.০০ ভাগ...।
এছাড়াও থাকে সামান্য পরিমাণে আরও নানা পদার্থ।যেমন- আয়দিন,মাঙ্গানিজ,কপার,জিঙ্ক,ক্লোরিন,সিলিকন, কোবাল্ট, মলিবডেনাম, প্রভৃতি পদার্থ।এখন দেহে এইসব পদার্থ প্রধানত যেরকমভাবে থাকে তাহলঃ-
১.প্রোটিন/ আমিষ(একই পদার্থের দুটি ভিন্ন নাম)
২.কার্বোহাইড্রেড/শর্করা/গ্লুকোজ(একই পদার্থের ৩টি ভিন্ন নাম)
৩.স্নেহ/ফ্যাট/চর্বি/লিপিড(একই পদার্থের ৪টি ভিন্ন নাম)
৪.ভিটামিন
৫.মিনারেল সল্টস/ খনিজ লবণ
৬.জল HMR

বানিয়ে নিন একটি প্রজেক্টর! কিঞ্চিত মজা পাবেন!

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
সিনেমাহলে নিশ্চয়ই গেছেন। আর তা না গেলেও বর্তমানে কোথাও না কোথাও অবশ্যই প্রজেক্টর নামক বস্তুটি দেখেছেন। প্রজেক্টরের কাজ মুলত ইনপুটকে তীব্র আলোকমালায় রুপান্তরিত করে নিক্ষেপ করা। সেই আলোকমালা যখন কোন অবজেক্টে বাধা পায় তখন আমরা সেখানে আমাদের ইনপুটকৃত ইমেজটির প্রতিফলন দেখতে পাই।

প্রজেক্টর যেমন ইমেজকে বহুগুনে বর্ধিত করে তেমনি এর মুল্যও আমাদের বতমান বাজারে বহুগুনে বর্ধিত। মানসম্মত একটি প্রজেক্টর বগলদাবা করতে হলে আপনাকে গুনতে হবে কমকরে হলেও পঞ্চাশ হাজার টাকা। তাই বলে কি আমরা বড়পর্দায় কোন কিছু দেখার স্বাদ পেতে পারিনা? অবশ্যই। যদিও ব্যাপারটি অনেকটা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতো তবুও চেষ্টা করে দেখতে দোষ কি?

যা যা লাগবে-

১। একটি ব্যাডমিন্টন এর কর্কের খালি প্যাকেট।

২। ভালো মানের একটি ম্যাগনিফাইং গ্লাস।
৩। সাদা পর্দা (সাদা ওয়াল বা সাদা আর্ট পেপার টাঙ্গিয়ে নিন)
৪। একটি মাল্টিমিডিয়া মোবাইল সেট। (স্ক্রীন যত বড়, উজ্জল এবং বেশি রেজুলেশন হবে ছবি ততই স্পষ্ট হবে)

কাজের ধাপ-

১। প্রথমে কর্কের বক্সটি নিচের ছবির মতো করে কাটুন। তার আগে আপনার মোবাইলটির প্রস্থ মেপে নিন। এবং সেই অনুযায়ী কাটতে পারলে ভালো।
২। ম্যাগনিফাইং গ্লাসটা এই ভাবে বক্সের মাথায় সেট করুন। ম্যাগনিফাইং গ্লাস যত বড় এবং উন্নত হবে আপনার ছবি তত ভালো হবে।
৩। এবার আপনার পছন্দের একটি গান মোবাইলে চালু করে সেটাকে ফুলস্ক্রীন করুন। তার আগে যদি আপনার সেটে ডিসপ্লে লাইট এডজাষ্ট করা যায় তবে সেটাকে যথা সম্ভব উজ্জল করে নিন।
৪। এখন ছবিতে দেখানো মতো মোবাইলটি বক্সের মধ্যে সেট করুন।


৫। সাদা পর্দা তৈরি করেছেনতো? নাহলে সেটার ব্যবস্থা করুন।
৬। আপনাকে আর আলোতে রাখা সম্ভব নয়। ঘরের দরজা জানালা লাগিয়ে লাইট অফ করে ঘরকে একেবারে ঘুটঘুটে অন্ধকার করে ফেলুন।
৭। এবার রাইফেল স্টাইলে আপনার যন্ত্রপাতি সাদা পর্দার দিকে তাক করুন। আপনার মোবাইলে যে মুভি চলছে তার উল্টো প্রতিবিম্ব পর্দায় দেখতে পাবেন।
৮। যদি ঝাপসা আসে তবে মোবাইলটি লেন্স থেকে কাছে দুরে করে এডজাষ্ট করে নিন।


এবার উপভোগ করুন ঘোলের থুড়ি প্রজেক্টরের স্বাদ।
* আমি আমার ল্যাপটপ দিয়ে এই দুষ্কর্ম সাধনের অপচেষ্টা করেছিলাম কিন্তু ম্যাগনিফাইং গ্লাস ছোট হওয়ায় সেটা সফলতার মুখ দর্শন করেনি। তবে ছোট পর্দা করে গান বা টিভি চালিয়ে ছাদের দিকে তাক করে চিতপটাং হয়ে শুয়ে মাঝে মাঝে উপভোগ করি।
* চেষ্টায় আছি মোবাইলের স্ক্রীনে অস্ত্রপচার করে সেটার পিছনে লাইট লাগিয়ে কোনভাবে জোরাল ফ্লাশ করা যায় কিনা। কিন্তু সামনে পরীক্ষা। গবেষনার পিছনে সময় দেয়া যাচ্ছেনা। সফল হলে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
* আবারোও বলছি ম্যাগনিফাইং গ্লাস এবং আপনার মোবাইলের ডিসপ্লে যত উন্নত হবে রেজাল্ট ততই ভালো পাবেন।
* এত ঝামেলা না করতে চাইলে অপেক্ষায় থাকুন কখন ইন্ডিয়ার Spice ফোনটি আমাদের বাজারে আসে। বিশ্বকাপ চলাকালীন সবাই নিশ্চয়ই দেখেছেন ফোনটার এ্যাড। আমিও ওই অপেক্ষাতেই আছি।


মহাবিশ্বের শেষ সীমানা কোথায়? আদৌ কি আছে?

আমাদের সবার মনের কোণায়ই কখনও না কখনও একটা প্রশ্ন উকিঝুঁকি মেরেছে যেটা হলো, আমরা যদি কখনও মহাবিশ্বের শেষ প্রান্তে পৌছাতে পারি তাহলে কি হবে? খাদের কিনারায় দাড়িয়ে যেভাবে আমরা মাথা ঝুকিয়ে নিচে কি আছে দেখার চেষ্টা করি সেভাবে যদি মাথা ঝুকিয়ে দাড়াই তাহলে আমাদের মাথাটা কোথায় থাকবে? তখন তো মাথাটা আর মহাবিশ্বের সীমানার মধ্যে নেই? আমরা কি খুঁজে পাবো মহাবিশ্ব ছাড়িয়ে?

উত্তরটা কিন্তু খুবই হতাশাজনক কারণ আমরা কখনই মহাবিশ্বের শেষ প্রান্তে পৌছাতে পারব না। এর কারনটা কিন্তু এই না যে যেতে খুব বেশি সময় লাগবে, যদিও কথাটা সত্যি, কিন্তু আসল কারনটা হলো আমরা যদি মহাবিশ্বের বাইরের দিকে একটা সরলরেখা ধরে ক্রমাগত, বিরামহীণ ভাবে অনন্তকাল ধরে যেতেই থাকি তারপরও আমাদের পক্ষে কখনই মহাবিশ্বের শেষ সীমানায় পৌছানো সম্ভব হবে না। বরং আমরা যে জায়গা থেকে শুরু করেছিলাম সেখানেই আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা আছে। আর ততক্ষণে হয়ত আমাদের আরেকবার চেষ্টা করার উৎসাহ আর থাকবে না।
কেন পৌছাতে পারব না? কারন হলো আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার সুত্রের সাথে সামন্জস্য রেখে স্পেসটা অদ্ভুত ভাবে বাঁকানো বা মোচড়ানো। যেটা আমাদের পক্ষে সঠিকভাবে কল্পনা করা সম্ভব না। সহজ করে বলা যায় মহাবিশ্বটা বিশাল এবং নিরন্তর প্রসারিত হচ্ছে এমন কোনো বুদবুদের ভিতরে ভেসে বেড়াচ্ছে না। আমরা যখন বলি যে স্পেস প্রসারিত হচ্ছে আসলে সেটা ভুল। বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্টিভেন ওয়াইনবার্গের ভাষায়, ” সৌর জগৎ বা তারকালোক গুলো প্রসারিত হচ্ছে না এবং স্পেস নিজেও প্রসারিত হচ্ছে না বরং তারকালোকগুলো (গ্যালাক্সি) একে অপরের থেকে দুরে সরে যাচ্ছে।” মহাবিশ্বটা একই সাথে বাউন্ডলেস কিন্তু ফাইনাইট। এটা বোধগম্য করা আমদের ইনট্যুইশন বা অন্তর্জ্ঞানের জন্যে একটা বিশাল চ্যালেন্জ। জীববিজ্ঞানী জে.বি.এস হ্যালডেন মজা করে বলেছিলেন, ” মহাবিশ্বটা আসলে আমরা যতখানি ভাবি তার থেকেও বেশি অস্বাভাবিক বা যতখানি আমাদের ইমাজিন করার ক্ষমতা আছে তার থেকেও অনেক বেশি অস্বাভাবিক।”
স্পেসের বক্রতার ব্যাপারটা ব্যখ্যার জন্য একটা উদাহরণ ব্যবহার করা যেতে পারে। ধরুন এমন একজন লোক যে কিনা একটা সমতল পৃথিবীতে বাস করে এবং জীবনেও কখনও কোনো গোল জিনিষ দেখেনি। তাকে যদি আমাদের পৃথিবীতে এনে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং সে আমাদের পৃথিবীর শেষ সীমানায় পৌছানোর জন্য হাটা শুরু করে তবে সে কোনোদিনই তা খুঁজে পাবে না। সে হয়ত এক সময় যেখান থেকে শুরু করেছিলো সেখানেই আবার ফিরে আসবে। এই ব্যাপারটা নিঃসন্দেহে তাকে কিংকর্তব্যবিমূড় করে ফেলবে। সে কিছুতেই বুঝতে পারবে না এটা কিভাবে সম্ভব। আমরাও হচ্ছি আরও উঁচু মাত্রার স্পেসের মধ্যে সেই সমতল-ভূমির হতবুদ্ধি মানুষের মত।
মহাবিশ্বের যেরকম কোনো স্হান নেই যেখানে আমরা দাড়িয়ে বলতে পারব এইটা হচ্ছে এর শেষ সীমা সেরকম কোনো কেন্দ্রও নাই যেখানে দাড়িয়ে আমরা বলতে পারব এইটাই সেই যায়গা যেখান থাকে সব কিছুর শুরু হয়েছিলো বা এটাই মহাবিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু।
আমাদের জন্য মহাবিশ্বটা ততদূর লম্বা যতদূর পর্যন্ত আলো মহাবিশ্ব সৃষ্টির পর থেকে আজ পর্যন্ত পৌছাতে পেরেছে। এই দৃশ্যমান বিশ্ব, যেটা সম্পর্কে আমরা জানি বা যেটা নিয়ে কথা বলতে পারি, মিলিয়ন, মিলিয়ন, মিলিয়ন, মিলিয়ন (১,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০) মাইল ব্যাপি বিস্তৃত।এর পরে আরও যা আছে সেটার হিসাব হয়ত সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা যাবে না।
সূত্র: এ শর্ট হিস্ট্রি অব নিয়ারলি এভরিথিং (বিল ব্রাইসন)।

ইন্টারনেটের গতি নিমিষেই বাড়ান দ্বিগুণ

আমাদের দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এখন ইন্টারনেট ব্যাবহারকারির সংখ্যা অনেক। ডিজিটাল বাংলাদেশ এর লক্ষে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেট কতোটা জরুরী সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা । কিন্তু বিড়ম্বনায় পড়ি নেটের স্পীড নিয়ে । আমাদের দেশের নেটের যে পরিমাণ গতি তাতে অনেকেই পিসি’তে নেট ব্যাবহার করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। অথচ আপনি ইচ্ছা করলে মাত্র দুটো কোড দিয়ে আপনার ডায়াল আপ বা মডেমের স্পীড বাড়াতে পারেন ২০০%।

তাহলে আসুন মূল কাজে , আজই আপনার মন্থর গতির ইন্টারনেট ‘ কে আগের চেয়ে অনেক দ্রুত গতির করে ফেলুন।
প্রথমে আপনার ইন্টারনেট বন্ধ করুন।
এবার পর্যায়ক্রমে খুব সহজেই নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করুন
১.এবার Start >>> Control Panel >>> Phone & Modem এ যান।
এখানে দেখুন কিছু ফিল্ড খালি আছে।
২.Country ফিল্ডে লিখুন আপনার দেশের নাম Bangladesh
এবার তার নিচের ফিল্ড Area Code এ লিখুন 02
৩.এবার OK করুন।
৪.এবার Modem ট্যাবে যান।
৫.আপনার মডেমটি নির্বাচন করে Properties এ ক্লিক করুন।
৬.ডায়লগ বক্স থেকে Advanced ট্যাবে যান।
এখানে কিছু ফিল্ড দেখতে পাবেন।
৭.এখান থেকে Extra Initialization Commands ফিল্ডে লিখুন at&fx.
৮.এবার OK করুন।ও পিসি রিস্টার্ট দিন ।
এবার আপনার ইন্টারনেট সংযোগ পুনরায় চালু করে দেখুন স্পীডের কি অবস্থা।
ভাল লাগলে কমেন্টস করবেন।

জিপি ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন না ভালো কথা : জিপি মডেম দিয়েই নেট ইউজ করুন যে কোন অপারেটরের।

কেমন আছেন আপনারা সবাই ? ভালো তো ! আমি আছি  বেশ ভালো।
জিপি কানেকশন আর জিপি মডেম  নিয়ে অনেকই হয়তো বিপাকে পড়েছেন। কোন সময় নেট স্পিড কম আবার কোন সময় ভালো কোন প্যাকেজ নাই। এর সাথে নতুন সমস্যা যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ থেকে জিপি ইউজাররা ব্লগস্পট সাইট ওপেন করতে পাড়ছেন না। সব ব্যাপার গুলো ভেবেই অনেকে হয়তো চাচ্ছেন জিপি বাদ দিয়ে অন্য কোন অপারেটরের নেট কানেকশন চালাবেন। কিন্তু বাধ সাধে আবার সেই জিপি মডেম। জিপি’র মডেম দিয়ে তো আর অন্য কানেকশন চালান যাবে না, আরেক টা মডেম কিনতে হবে আরও কিছু টাকার ধাক্কা। আর এতসব ভেবেই চ্যাঞ্জ করার হচ্ছেনা দুনিয়ার সবচেয়ে ফালতু কানেকশন। আজ আমি আপনাদের মাঝে যে ব্যাপারটা শেয়ার করতে যাচ্ছি টা হচ্ছে...
আপনি জিপি মডেম দিয়েই অন্য যে কোন অপারেটরের নেট কানেকশন চালাতে পারবেন। এভাবে হয়তো অনেকেই চালাচ্ছেন কিন্তু আমার মনে হয় না জানা লোকের সংখ্যাই অনেকে অনেক বেশি। আর তাদের জন্যই আমার আজকের এই টিউন। চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে জিপি মডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের নেট চালান যায়...

প্রথমে জিপি মডেমের বাইডিফল্ট সফটওয়্যার টি ওপেন করুন। এখন উপরেরে দিকের টুলস থেকে অপশন এ ক্লিক করুন (Tools > Options)।

 এখন যে পেজ টা আসবে ওখান থেকে আপনাকে প্রফাইল ম্যানেজমেন্ট এ ক্লিক করতে হবে, নিচের ছবির মতোন.

প্রফাইল নাম হিসাবে জিপি ইন্টারনেট দেয়া থাকবে কিন্তু নতুন কানেকশনটার জন্য এখানে আপনাকে একটা নতুন প্রফাইল তৈরি করতে হবে। ডান দিকে New এ ক্লিক করুন।

নিচের পেজটার মতো একটা পেজ ওপেন হবে... এখনে আপনাকে Profile Name, APN এবং Access Number দিয়ে একটা নতুন প্রফাইল করতে হবে।

আচ্ছা চলুন কোন ইন্টারনেট কানেকশন এর জন্য কিভাবে আমরা কনফিগার করবো স্ক্রিন শটের মাধ্যমে দেখে নেয়া যাক।

একটেলের জন্যঃ
Profile Name এ Aktel type করুন। APN টা Static Select করে বক্সে internet/robi লিখুন। এখানে Access Number হিসাবে *99# দেয়া থাকবে আর যদি না থাকে তবে আপনাকে *99# লিখতে হবে। এখন Save এ ক্লিক করে Profile সেভ করুন এবং OK চেপে বেড়িয়ে আসুন। নিচের ছবির মতোন...


এখন মডেমে আপনার একটেল সিম ভোরে নিন আর জিপি'র ডিফল্ট Software এর Connection পেজ থেকে GP-internet এর পরিবর্তে Aktel কে Select করে Connect এ Click করুন । ব্যস হয়ে গেলে জিপি মডেমে একটেল নেট চালু।
বাংলালিংকের জন্যঃ
Profile Name এ Banglalink type করুন। APN টা Static Select করে বক্সে blweb লিখুন। এখানে Access Number হিসাবে *99# দেয়া থাকবে আর যদি না থাকে তবে আপনাকে *99# লিখতে হবে। এখন Save এ ক্লিক করে Profile সেভ করুন এবং OK চেপে বেড়িয়ে আসুন। নিচের ছবির মতোন...

এখন মডেমে বাংলালিংক সিম ভোরে নিন আর জিপি'র ডিফল্ট Software এর Connection পেজ থেকে GP-internet এর পরিবর্তে Banglalink কে Select করে Connect এ Click করুন । ব্যস হয়ে গেলে জিপি মডেমে বাংলালিংক নেট চালু।
ওয়ারিদের জন্যঃ
Profile Name এ Warid Internet type করুন। APN টা Static Select করে বক্সে internet লিখুন। এখানে Access Number হিসাবে *99# দেয়া থাকবে আর যদি না থাকে তবে আপনাকে *99# লিখতে হবে। এখন Save এ ক্লিক করে Profile সেভ করুন এবং OK চেপে বেড়িয়ে আসুন। নিচের ছবির মতোন...

এখন মডেমে আপনার ওয়ারিদ সিম ভোরে নিন আর জিপি'র ডিফল্ট Software এর Connection পেজ থেকে GP-internet এর পরিবর্তে Warid Internet কে Select করে Connect এ Click করুন । ব্যস হয়ে গেলে জিপি মডেমে ওয়ারিদ নেট চালু।
টেলিটকের জন্যঃ
Profile Name এ Teletalk type করুন। APN টা Static Select করে বক্সে gprsunl লিখুন। এখানে Access Number হিসাবে *99# দেয়া থাকবে আর যদি না থাকে তবে আপনাকে *99# লিখতে হবে। এখন Save এ ক্লিক করে Profile সেভ করুন এবং OK চেপে বেড়িয়ে আসুন। নিচের ছবির মতোন...



এখন মডেমে আপনার টেলিটক সিম ভোরে নিন আর জিপি'র ডিফল্ট Software এর Connection পেজ থেকে GP-internet এর পরিবর্তে Teletalk কে Select করে Connect এ Click করুন । ব্যস হয়ে গেলে জিপি মডেমে টেলিটক নেট চালু।
 কোথাও কোন সমস্যা হলে মন্তব্যের ঘরে জানাবেন। আর পোস্ট টা কেমন হল তা বলতে যেন ভুলে যাবেন না। ভালো থকাবেন।

ত্যাগ করুন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ১০ টি অভ্যাস


দৈনন্দিন আচার-অভ্যাসের মধ্যে কিছু কিছু এমন কাজ আছে যা ক্ষতিকর। একটু চেষ্টা করলেই স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর এসব বদভ্যাস থেকে মুক্ত হতে পারি আমরা। দেখে নিন এই অভ্যাসগুলো আপনার মধ্যে আছে কি না।


১. দেরিতে ঘুম থেকে উঠার কারণে বা অন্য ব্যস্ততার কারণে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রায়শই মুখ ধুয়ে জামা-জুতো পরে আমাদের ছুটতে হয় কর্মেক্ষেত্রে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সকালে নাশতা খাওয়ার কথা বেমালুম ভুলে যেতে হয়। কিন্তু এ কথাটা ভুলে গেলে চলবে না- সকালের নাশতাটা হচ্ছে সারাদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোজন। চেষ্টা করুন পর্যাপ্ত পুষ্টি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার দিয়ে সকালের নাশতাটা একটু ভালোমতো করে নিতে। এরপর দিনের বাকি সময়টুকুতে নির্দিষ্ট সময় পরপর ৪ থেকে ৫ বার ছোট পরিসরের কিন্তু পুষ্টিকর খাবার নিন। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর যে কোনও স্ন্যাক্সও চলতে পারে।
২. অনেকেই কফির সঙ্গে মাখনসমৃদ্ধ ক্রিমার খান। এর সঙ্গে থাকে দুধের অন্যান্য উপাদান আর সুগন্ধিযুক্ত চিনির সিরাপ। এই পানীয়টি দিনে এক বা দুই কাপ হলে ঠিক আছে। কিন্তু এর বেশি হলেই এ থেকে যোগ হওয়া বাড়তি ক্যালরি আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। মুটিয়ে যাওয়াসহ নানা স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় পড়তে পারেন এর ফলে। তাই সবচে ভালো হয় যদি ক্রিম কফিপ্রেমীরা দৈনিক কফি গ্রহণের মাত্রাটা দুই কাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন। পানীয়ের প্রয়োজনে যতটুকু সম্ভব পানি গ্রহণ করুন।
৩. দ্রুত খাওয়া শেষ করতে চাওয়া আজকাল প্রায় সবার মধ্যেই সংক্রমিত হয়ে গেছে। এভাবে গাপুস-গুপুস কায়দায় খাবার গ্রহণ করার বদভ্যাসটি এই মুহূর্তে ত্যাগ করুন। বিশেষ করে লাঞ্চের সময় পেরিয়ে যাওয়ার লগ্নে খাবার খেতে গিয়ে এই কাজটা বেশি হয়। এতে শাসনালিতে সমস্যাসহ দম আটকে তাৎণিক মৃত্যুও ঘটতে পারে। ‘ধর মুরগি কর জবাই’ ধরনের তাড়াহুড়ায় খাবার না খেয়ে হয়ে ধীর-স্থিরভাবে খাবারকে উপভোগ করে খেতে হবে।
৪. বেমানান ও বেসাইজের জুতো পরিধান করাও আপনার স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ কারণে আপনার দৈনন্দিন হাঁটচলার সহজ স্বাভাবিক ভঙ্গিটি বদলে যেতে পারে যা আপনার জন্য হবে কষ্টকর আর অন্যদের চোখে হতে পারে হাস্যকর। মেয়েদের হাইহিল পরার ক্ষেত্রে বলা যায়, হয়তো আপনি ব্যথা অনুভব করছেন না, তারপরও দীর্ঘণ হাইহিল পরে থাকার কুপ্রভাব আপনার পা ও শরীরের ওপর পড়বেই। তাই যতটা সম্ভব বেখাপ্পা আর কিম্ভূত সাইজের এবং উঁচু হিলের বদলে আরামদায়ক এবং ফ্যাট হিলের জুতো বা স্যান্ডেল পায়ে দিন। এতে চলাফেরায় অহেতুক শারীরিক ঝুঁকি নেওয়া থেকে নিরাপদ থাকবেন আপনি।
৫. অনেকেই আলসেমির ফাঁদে রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে দাঁত মাজার মতো দরকারি কাজটাকে অবহেলা করেন। অবহেলাজনিত এই বদভ্যাসের দায় আপনাকে শোধ করতে হয় দাঁতে প্লাক সৃষ্টি, দাঁত ও মুখের নানাবিধ অসুখসহ পেটের পীড়া এবং গলার নানান অসুখ বাধানোর মাধ্যমে। এর সঙ্গে উপরি পাওনা হিসেবে আপনাকে মনে রাখতে হবে রাতে দাঁত না মাজার ফলে দাঁত ও মাড়িতে আস্তানা গাড়া দন্তমল ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার অভয়ারণ্য তৈরি করবে আপনার মুখে। বিষয়টি সমগ্র মানবদেহের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় আপনার শিশুকেও রাতে দাঁত মাজার ব্যাপারে অভ্যস্ত করে তুলুন।
৬. পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। কীভাবে? ঘুমের স্বল্পতা আপনার পরিপাক ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলার কারণে অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস গড়ে উঠতে পারে। আর ভুলে গেলে চলবে না ওবেসিটি বা স্থূলতা রোগের মূল কারণগুলোর একটি হচ্ছে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস। দৈনিক অল্প ঘুমোনোদের অনেকেই আবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে একটানা দীর্ঘক্ষণ মরার মতো পড়ে পড়ে ঘুমান। এটাও মোটুত্বের কারণ হতে পারে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় ঘুমান
৭. উল্টো দিকে পিঠ বাঁকিয়ে আড়মোড়া ভাঙার কায়দায় কসরত করে অনেকেই পিঠের ব্যথা দূর করে থাকেন। এতে ক্ষতির কিছু নেই। তবে ক্ষতি হতে পারে যদি আপনি ঘুম ওঠার পরপরই এই কসরতটি করতে যান। বিশ্রামে থাকা মাংশপেশিতে হঠাৎ করেই চাপ ও সংকোচনের ফলে ক্ষণস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা দেখা দিতে পারে শরীরে। এ অবস্থার শিকার হতে না চাইলে ঘুম থেকে উঠেই পিঠ বাঁকানোর কসরত ত্যাগ করতে হবে আপনাকে। বিছানা ছাড়ার পর প্রাকৃতিক কাজ সারার পর দাঁত মাজা ও মুখ ধোয়ার কাজগুলো সারুন। তারপর চা-বা কফি পান করুন। এবার চাইলে আপনি পিঠ বাঁকিয়ে বা ডানে-বাঁয়ে শরীর টান (স্ট্রেচিং) করে নিন- কোনও সমস্যা নেই।
৮. চাপ অনুভূত হওয়ার পরেও মূত্রত্যাগে অহেতুক বিলম্ব করবেন না। প্রস্রাবের বেগ দীর্ঘণ চেপে রাখলে আপনার মূত্রথলির জন্য তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দেখা দেবে। তাই চাপ অনুভূত হওয়ার পর তা থেকে মুক্ত হতে অহেতুক বিলম্ব করবেন না। চেষ্টা করুন মূত্রথলির জন্য অস্বস্তিকর অতিরিক্ত মশলাদার খাদ্য, চকোলেট, মদ, কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত পানীয় (কার্বোনেটেড বেভারেজ), ক্যাফেইযুক্ত পানীয় (চা-কফি) বর্জন করে চলতে।
৯. আপনার ঝোলা ব্যাগ (সাইড ব্যাগ), হ্যান্ডব্যাগ বা ল্যাপটপবাহী ব্যাগটি প্রতিদিন একই দিকের কাঁধে বহন করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে কাঁধ, পিঠ বা হাত ব্যথার শিকার হতে পারেন আপনি। তাই হাঁটাচলার ক্ষেত্রে কাঁধ বা হাতে ঝোলানো ব্যাগটি ডান-বাম ও সামনে পেছনে স্থান পরিবর্তন করে নিন নির্দিষ্ট সময় পরপর। এর ফলে অহেতুক কাঁধ-হাত-পিট ব্যথার কষ্ট থেকে রেহাই মিলবে।
১০. ধূমপান এমনিতেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। যারা ধূমপান করেন, তাদের জন্য উপদেশই বলুন আর সৎ পরামর্শই বলুন, ‘এই মুহূর্তে ধূমপান ত্যাগ করুন’ কথাটি অনেক পুরনো হয়ে গেছে। তারপরেও পুরনো সেই অনুরোধ আবারও : প্লিজ, ধূমপান ছেড়ে দিন। কারণ এটি স্বাস্থ্যের জন্য সবদিক দিয়েই ক্ষতিকর। তবে এর বাইরে ধূমপায়ীদের দুটি গ্রুপ আছেন যারা নিজেদের বিরুদ্ধে এই ক্ষতিকর কাজটিও আরও মারাত্মক করে তোলেন। এদের একটি পক্ষ শুয়ে শুয়ে ধূমপান করেন আর অপরটি সকালে বিছানা ছেড়েই খালি পেটে সিগারেট ধরান। এই খালি পেটে সিগারেট ধরানোদের মধ্যে একদল আছেন যারা সকালে প্রাকৃতিক কাজ সারার সময়ে টয়লেটে ঢুকেন হাতে একটি জ্বলন্ত সিগারেট নিয়ে। দয়া করে শুয়ে শুয়ে ধূমপান, খালি পেটে ধূমপান এবং শৌচাগারে ঢুকে ধূমপানের কুঅভ্যাসটি অন্তত ছেড়ে দিন ধূমপায়ীরা। কারণ সাধারণভাবে ধূমপান করার চেয়ে এই কায়দার ধূমপায়ীরা অনেক বেশি ক্ষতির শিকার হয়ে থাকেন।

তথ্যসূত্র : এনডিটিভি ও অন্যান্য সূত্র

ল্যাপটপ দিয়ে তৈরি করুন WiFi নেটওয়ার্ক

আজকাল আমাদের প্রায় সবার বাসাই ল্যাপটপ ব্যবহার করা হ্য়। আবার কারো কারো বাসাই একের অধিক ল্যাপটপ আছে, আবার এখনকার WiFi সহ Letest মোবাইল ফোন ও থাকে। আমারা যেহেতু সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাই ইচ্ছা করলেই আমরা আমাদের ল্যাপটপের ইন্টারনেট অন্য ল্যাপটপে অথবা WiFi মোবাইল ফোনে ব্যবহার করতে পারি খুব সহজেই।
আপনার ল্যাপটপে যদি Windows 7 দেয়া থাকে তাহলে শুধু একটা Software দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার ল্যাপটপকে WiFi HotSpot বানাতে পারবেন। Software টির নামConnectify ।


download link:http://www.filefactory.com/file/5h31zfns8nh1/n/ConnectifyInstaller.exe
Software টি ডাউনলোড করে Install করুন। এরপর Software টি রান করুন।
আপনার ল্যাপটপ দিয়ে নিজেই হয়ে যান WiFi HotSpot এর মালিক
  • এবার আপনি যে নামে WiFi HotSpot বানাতে চান, WiFi Name এ সেই নাম দিন।
  • এরপর Password এ আপনার Password দিন যেটা আপনার WiFi HotSpot ব্যবহারকারীরা লগিন করার জন্য ব্যবহার করবে।
  • এবার আপনি আপনার ল্যাপটপে যে টাইপের ইন্টারনেট ব্যবহার করেন সেটার উপর ভিত্তি করেInternet অপশন নির্বাচন করতে হবে। আপনি যদি Broadband/Dial Up ব্যবহার করেন তাহলে Local Area Network নির্বাচন করুন।
  • এবার Start HotSpot বাটনটা চাপুন।
  • এবার আপনি আপনার অন্য যে ল্যাপটপে অথবা মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন সেখানে WiFi সার্চ করে আপনার WiFi HotSpot নির্বাচন করে Password দিয়ে লগিন করে প্রবেশ করুন ইন্টারনেট এর দুনিয়াতে।


সূত্রঃটেকটিউনস

“কাল থেকে দেশে থ্রিজি মোবাইল সেবা”

আগামীকাল রবিবার রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের মাধ্যমে বাংলাদেশ থ্রিজি (তৃতীয় প্রজন্ম) প্রযুক্তিতে পা রাখতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু সম্মেলনকেন্দ্র থেকে এই সেবার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথা বলে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। পরদিন সোমবার থেকে এর সিম বিক্রি শুরু হবে। এদিনই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এর সংযোগ ফি ও সেবার চার্জ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হবে।
তবে গ্রাহকরা থ্রিজি সিম কিনলেও তা ব্যবহার করতে পারবে আরো কয়েক দিন পর। বিটিআরসির সাম্প্রতিক নির্দেশনা অনুসারে, সিম বিক্রির পর ৭২ ঘণ্টা সময়েরমধ্যে গ্রাহকের পরিচয়পত্রের সত্যতা যাচাইশেষ হওয়ার পরই তা চালু করাহবে।

টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান গতরাতে কালের কণ্ঠকে জানান,প্রথমে ঢাকা নগরী, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার ও
নারায়ণগঞ্জ এলাকায় এই সেবা চালু করা হবে।
রাজধানীতে টেলিটকের তিন হাজার রিটেলার পয়েন্ট ও আটটি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে সিম বিক্রি হবে। পরে চট্টগ্রাম, কঙ্বাজার ও সিলেট এবং পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য এলাকায় এ সেবা চালু হবে।
থ্রিজি সেবার মাধ্যমে আমরা নতুন কী পেতে যাচ্ছি? এ প্রশ্নে মুজিবুর রহমান বলেন, এ সেবা পেতে অবশ্য একটি স্মার্ট ফোনসেট লাগবে। এর মাধ্যমে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ছাড়াও টিভি দেখার সুযোগ থাকবে। প্রথম পর্যায়ে বিটিভিসহ পাঁচটি টেলিভিশন চ্যানেল এতে দেখা যাবে। পরে অন্যান্য টিভি চ্যানেলও দেখা যাবে। প্রাথমিকভাবে বেসরকারি টেলিভিশনগুলোর মধ্যে জিটিভি, আরটিভি, সময়এবং মাইটিভি দেখা যাবে।
ধারণা করা হচ্ছে, থ্রিজিতে গ্রাহকরা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করবে ভিডিও কল। এতে মোবাইল ফোনে কথোপকথনের সময় দুই পক্ষেরই ছবি দেখা যাবে। পরস্পরের অবস্থানও জানা যাবে। আধুনিক প্রযুক্তির এই সেবার মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও উন্নত হবে। অফিসে বসেই কোনো একটি স্থানে কী ঘটছে তা পর্যবেক্ষণ করা যাবে। শহরের সব সড়কের গাড়ির গতিবিধি দেখে ট্রাফিক বিভাগ অনাকাঙ্ক্ষিত যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
এদিকে দেশে এই থ্রিজি মোবাইল সেবা চালু হচ্ছে কোনোরকম নীতিমালা ছাড়াই। এ জন্য এই সেবা আপাতত পরীক্ষামূলকই থাকছে। আগামীবছর বেসরকারি মোবাইল অপারেটরদের থ্রিজি লাইসেন্স দেওয়ার আগে নীতিমালা চূড়ান্ত হতে পারে।
প্রসঙ্গত, টেলিযোগাযোগ খাতে থ্রিজি (তৃতীয় প্রজন্ম) প্রযুক্তি চালু ও বর্তমান ২.৫-জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য গত বছরের ৯ জুন চীনের এঙ্মি ব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ২১ কোটি ১০ লাখ ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর হয়। এ চুক্তি অনুসারে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

এবার আপনি যে কোন মোবাইলের ইন্টারনেট সেটিংস দিন, ১০ সেকেন্ডে !!!

আমরা যারা মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাদের সচরাচর চার্জের বিনিময়ে নিজেদের অপারেটরের কাছ থেকে কনফিগারেশন নিতে হয়, তাই না? হাঁ ঠিক তাই কম পক্ষে একটা মেসেজ এর …টাকা তো দিতে হয়। আমি আজ আপনাদের সবার মোবাইলে ফ্রি ইন্টারনেট কনফিগারেশন দিব। এর জন্য প্রথমে আপনাকে নীচের লিঙ্কে প্রবেশ করুন -


এর পর এখান থেকে প্রথমে আপনি আপনার মোবাইলের ব্রাণ্ড সিলেক্ট করুন ও পাশের >> চিহ্নে ক্লিক করুন।
এরপর আপনি এখান থেকে আপনার মোবাইলের মডেল সিলেক্ট করুন ও >> চিহ্নে ক্লিক করুন
এবার আপনি এখান থেকে আপনার মোবাইল নং টি প্রবেশ করার জন্য প্রথমে কান্ট্রি সিলেক্ট করবেন করার পর দেখবেন কোড 880 সেখানে ডিসপ্লে হবে আপনি শুধু বাকি নং গুলো প্রবেশ করাবেন যেমন 1618555100 এবং >> চিহ্নে ক্লিক করুন।
এখন আপনি মোবাইল প্রোভাইডার সিলেক্ট করবেন এবং >> চিহ্নে ক্লিক করবেন।
এবার কনফার্মেশন কোড গুলো প্রবেশ করিয়ে, একসেপ্ট বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Get settings এ ক্লিক করুন,
ব্যস আপনার কাজ শেষ এবার আপনার মোবাইলে সেটিংস আসলে 1234 দিয়ে সেভ করুন এবং উপভোগ করুন। এভাবে আপনি পৃথিবীর যে কোন দেশের যে কোন মোবাইলে সেটিংস নিতে পারবেন। সবাইকে ধন্যবাদ ।।

আপনার LCD/LED মনিটরের পিক্সেল ঠিক আছে?

আজকাল কম্পিউটার মানেই LCD বা LED মনিটর। বিশাল দেহ বিশিষ্ট CRT মনিটর কেউ কিনে না বললেই চলে। তো আপনি যে LCD মনিটর কিনছেন তা কি ঠিক আছে? ডেড পিক্সেল আছে কিনা নিশ্চিত হচ্ছেন কি করে?
বা কারও কাছ থেকে পুরাতন LCD মনিটর কিনার সময় মনিটর ঠিক আছে কিনা তা চেক করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কিভাবে চেক করবেন? সেটা জানানোর জন্যই আমার এই পোস্ট।

IsMyLcdOK নামের অসাধারণ সফটওয়্যারের মাধ্যমে খুব সহজেই চেক করে নিতে পারবেন আপনার মনিটর ঠিক আছে কিনা। ছোট এই ফ্রি সফটওয়্যারের মাধ্যমে চেক করতে পারবেন ডেড পিক্সেল,স্টাক পিক্সেল বা ক্ষতিগ্রস্ত পিক্সেল আছে কিনা।
কেমন হতে পারে ডেড পিক্সেল?
যেভাবে চেক করবেন:
প্রথমে সফটওয়্যার রান করুন। নিচের মতো দেখতে পাবেন।
তারপর সিরিয়ালে 1,2,3 চেপে White test, Black test, Red test ইত্যাদি পরীক্ষা করতে পারবেন। যদি চান অটোমেটিক সব টেস্ট হোক তাহলে F5 চেপে ENTER চাপুন। তাহলে একে একে সব টেস্ট দেখতে পারবেন।
ডেড পিক্সেল না থাকলেতো ভালই।
এই সফটওয়্যার শুধু চেক করবে কিন্তু ঠিক করতে পারবে না। এখন কথা হলো ডেড পিক্সেল ঠিক করার উপায় কি? হ্যাঁ উপায় আছে। তবে সেটা নিয়ে না হয় অন্য আরেক দিন বলবো।
ডাউনলোডঃ
IsMyLcdOK 1.31 (32 বিট)
IsMyLcdOK 1.31 (64 বিট)
সাইজ মাত্র ৯ কেবি
ভালো থাকবেন।

রসায়নের পর্যায় সারণী মনে রাখার সহজ কৌশল!!

শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। আশাকরি সকলে ভালো আছেন। আমিও মহান আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি। এই ব্লগের অধিকাংশ ব্লগার ও পাঠক ভাই বোনেরা স্টুডেন্ট তাই আজ আমি আপনাদের জন্য এমন একটা পোষ্ট করব যেটা ছাত্র ছাত্রীদের জন্য খুব কাজে লাগবে।

বিশেষ করে বিজ্ঞান বিভাগের। আমরা জানি রসায়ন শাস্ত্রের পর্যায় সারণী মনে রাখা খুবই কঠিন তাই আপনাদের সাথে এমন একটা কৌশল শেয়ার করছি যেটা মুখস্থ করলে পর্যায় সারনী মনে রাখা খুব সহজ হয়ে যাবে। তাই এক্ষুনি মুখস্থ করে ফেলুন।
গ্রুপ 1A: H Li Na K Rb Cs Fr
হায়রে! লি না কে রুবি সাজাবে ফ্রান্সে !
গ্রুপ 2A : Be Mg Ca Sr Ba Ra
বেগুনী, মোগলাই, কাবাব সরিয়ে বাটিতে রাখ ।
গ্রুপ 3A : B Al Ga In Tl
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ গেলো ইন্ডিয়ার তালে!
গ্রুপ 4A: C Si Ge Sn Pb
চলো, সিলেট গেলে সানগ্লাস পাব ।
গ্রুপ 5A: N P As Sb Bi
নদীতে পানি আসে সব বিকালে ।
গ্রুপ 6A : O S Se Te Po
ও এস এসসি তে পড়ে ।
গ্রুপ 7A : F Cl Br I At
First Class British Indian Architect.
ল্যান্থানাইডঃ Ce Pr Nd Pm Sm Eu Gd Tb Dy Ho Er Tm Yb Lu
ছেলে , প্রীতি এন্ড পমসম । ইউরোপ গুড, তবে ডাইরিয়া হয় । আর টমেটো ইয়লো ব্লু !
অ্যাক্টিনাইডঃ Th Pa U Np Pu Am Cm Bk Cf Es Fm Md No Lr
থাকলে পাশে ইউ এনপি, পুঁথি আমার কমেনা। বিকেলে ক্যাফেতে আইনস্টাইন FM, মুড নষ্টের লহর ।
পর্যায়-১ : H He
Hi! He
পর্যায়-২ : Li Be B C N O F Ne
Lies Because Boron Can Not Oxide Florine and Neon.
পর্যায়-৩ : Na Mg Al Si P S Cl Ar
Nations Might Also Sign Peace Security Clause Argument.
পর্যায়-৪: Sc Ti V Cr Mn Fe Co Ni Cu Zn.
Scachin Tiendulkar Very (good) Cricketer Man (of the match) Feor (the) Country Niot (for) CuZn ((cousin))
পর্যায়-৫: Y Zr Nb Mo Tc Ru Rh Pd Ag Cd
Y and Z – two friends – sing “Namba Teacher R-square” (Our teacher R-square) from “Paddy Again” to a Cd.
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।

বাংলাদেশে ব্যবহৃত ঔষধ গুলো পিডিএফ ফরম্যাটে ডাউনলোড করুন। জেনে নিন কোন রোগে কি ঔষধ,ঔষধের মাত্রা, উপকারিতা,অপকারিতা???

আশা করি সকলেই ভাল আছেন ।
আমরা  যারা  বাংলাদেশে  বাস করি , আমাদের  শরীরের মধ্যে সামান্য কিছু হলেই ঔষধ  খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়, যা মোটেও  ঠিক না।
ঔষধ  মানুষের  রোগ  নিরাময় করে , কিন্তু এমন কিছু  ঔষধ আছে
যে গুলো  কিছু নির্দিষ্ট রোগ ব্যতিত গ্রহণ করলে হিতে  বিপরীত হয় ।

আবার কিছু ঔষধ আছে যে গুলো  খাবারের আগে খেতে হয়
যেমন গ্যাষ্ট্রিক কিংবা পেপটিক আলসারের ঔষধ(অমিপ্রাজল,সেকলো,প্যান্টোনিক্স ইত্যাদি)।
ঠিক বিপরীত কিছু ঔষধ আছে  যা  খাবারের  আগে খাওয়া যায় না,
যেমন ব্যাথার ঔষধ (এ্যানালজেসিক -ডাইক্লোফেনাক,কিটোরোলাক,প্যারাসিটেমল ইত্যাদি।)
এগুলো  অবশ্যই  খাবারের পরে  খেতে  হয় ।
বেশ কয়েক বছর পুর্বে আমার পরিচিত এক লোকের  জীবন-অবসান ঘটে
ব্যাথার  ট্যাবলেট খালি পেঠে  খেয়ে ।
তাই  আমাদের সকলের উচিত বাংলাদেশ এ ব্যবহৃত ঔষধ সম্পর্কে জেনে নেওয়া
এখনি সময়  জানার নিজে জানুন অন্যকেও জানান।
নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করুন ।

   <<\ ডাউনলোড />>
Password- technobd.tk

সবাইকে ধন্যবাদ ।

ওডেস্ক এ আউটসোর্সিং শুরু করতে হবে কীভাবে? কোথায় কাজ পাওয়া যাবে? অর্থ আনবেন কীভাবে প্রভৃতি ।! পিডিএফ আকারে!...

প্রথম আলোর থেকে সংগ্রহ করা -

বর্তমানে বাংলাদেশের তরুন প্রজস্মের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচিত বিষয় হচ্ছে অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং আইটি সাইটে সব থেকে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচিত সমালোচিত সমালোচিত কারণ, অনেকেই এই পথে ধীর্ঘ সময় ব্যায় করে সঠিক গাইডের অভাবে ব্যার্থ যদিও বিষয়টি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বহুদিন হতেই স্বীকৃত অনেকেই বিষয়টি বিশ্বাস করতে চান না
না চাওয়ারই কথা ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে বিলিয়ন ডলারের একটি আইটি বাজার অনলাইনে ঘরে বসে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় কে বা বিশ্বাস করবে???? উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে আর আমাদের মত দেশে তার মান অনেক বেশী

কথা না বাড়িয়ে চলুন ডাউনলোড করে ফেলি

=> কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন।
ধন্যবাদ সবাইকে ভালো থাকবেন, খুব ভালো আল্লাহ হাফেজ।

ফ্রী ডাউনলোড করে নিন কারেন্ট অ্যাফেআর্স সেপ্টেম্বর ২০১২ সংখ্যা

কেমন আছেন সবাই,
আশা করি সবাই ভালো আছেন ।
আজ আপনাদের পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গড়তে সহায়ক এমন নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।
 আজ আমরা জানবো কারেন্ট অ্যাফেআর্স ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ ও একমাত্র উপায়।









এই মাসের অর্থাৎ কারেন্ট অ্যাফেআর্স সেপ্টেম্বর ২০১২ সংখ্যাটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
আপনার যেকোন প্রয়োজন জানাতে দ্বিধা করবেন না ।
সবাইকে ধন্যবাদ ।
 

ফ্রী তে ডাউনলোড করে নিন কারেন্ট নিউজ সেপ্টেম্বর ২০১২ সংখ্যা

কেমন আছেন সবাই,
আশা করি সবাই ভালো আছেন ।
আজ আপনাদের পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গড়তে সহায়ক এমন নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম।
 আজ আমরা জানবো কারেন্ট নিউজ ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ ও একমাত্র উপায়।







এই মাসের অর্থাৎ কারেন্ট নিউজ সেপ্টেম্বর ২০১২ সংখ্যাটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
আপনার যেকোন প্রয়োজন জানাতে দ্বিধা করবেন না ।
সবাইকে ধন্যবাদ ।

নেটওয়ার্কের আসল স্পীড জানুন নেটওয়ার্ক লাইট দিয়ে!



আমি আজকে আপনাদের সাথে এমন একটা software এর সাথে পরিচয় করে দিব যে টা নেটওয়ার্কের সকল তথ্য দিবে ১ সেচেন্ত পর পর ।
software টির নাম নেটওয়ার্ক লাইট
এটা মাত্র 264.96 KB








ডাউনলোড লিঙ্ক
পাসওয়ার্ড - wertt
কিভাবে অন করতে হবে টা আমি ছবি সহ দিলাম।

১.



ফাইল টা extract করুন পাস দিয়ে

 ২.
 
 হলুদ ফাইল টি ওপেন করুন

৩.
 লাইট আইকন টা ক্লিক করুন
৪. এবার আইকন এ Right click করুন
৫. এরপর নেটওয়ার্ক statistice e ক্লিক করুন
৬.

 





এখন সব তথ্য পাবেন।
সমস্যা হলে ভিতরে pdf ফাইল আছে

আপনি এই বইটির সকল বিষয় সমন্ধে অবগত না থাকলে কোনদিন ইংরেজী শিখতে পারবেন না। English Grammar For (S.S.C, H.S.C, Varsity Admission, BCS, IELTS)

 মূল লেখক: Krisnendu Maharathi  সাইটের প্রয়োজনে কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে
সকল  কে আমার ধন্যবাদ জানিয়ে শুরু করছি। আমি যখন সর্বপ্রথম  ভিজিট করি তখন নিজের চোখ কে বিশ্বাস করতে পারিনি। বাংলাদেশে এখনো এমন মানুষ আছে যারা নিস্বার্থ ভাবে নিজের সময় ও শ্রম বিসর্জন দিয়ে মানুষের উপকার করে যাচেছ। অনেকদিন ধরে ভাবছি আমিও এখানকার ভিজিটরদের একটাকিছু উপহার দেব । অমি ব্লগ বা ওয়েব তৈরী করতে পারি না, যা করার আমার ভাইপো ই করেছে। অমার সম্পূর্ন লেখা টা ও বিগত ৩ মাস ধরে টাইপ করেছে বিনিময়ে একটা Apple এর Laptop চেয়েছে যা আমি USA থেকে পাঠাবো বলেছি।

যাহোক কাজের কথায় আসি, আমি আমার বইটি অত্যন্ত সহজ ভাষায় লেখার চেষ্টা করেছি যাতে করে সবাই বুঝতে পারে। এই বইটি English এর Foundation । যে কোন পরিক্ষায় ইংরেজী Grammar বিষয়ক যে ধরনের প্রশ্নই আসুক না কেন তা এই বইটার বিষয়বস্তুর সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত।
আমি ব্যপক আলোচনায় না গিয়ে মূল কারনটি চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। যারা ইংরেজী শিক্ষার গোড়াপওন থেকেই ভাষার technology না বুঝে নিতান্ত মুখস্তের মাধ্যমে ভাষাটিকে রপ্ত করার চেষ্টা চালায়। এটা এক রকম অসম্ভব ব্যাপ্যার। দোষ তাদের নয়। এ রকম উপদেশ বা নির্দেশই তাদেরকে দেয়া হয়। তাছাড়া ভয় দেখিয়ে ইংরেজীর প্রতি একধরনের ভীতিও সৃষ্টি করা হয়। বলা হয়,ইংরেজী অত সহজ নয়, ভাল ছাএ ছাড়া ইংরেজী শেখা সম্ভব নয়, ইত্যাদি। কিন্তু প্রকৃত ব্যাপারটি ঠিক এর উল্টো। যাই হোক এ সকল ভয়-ভীতি বা ভুল নির্দেশনার কারনে শিক্ষার কেন্দ্র বিন্দু থেকে ছাএরা দূরে সরে যায় -তাদের ভেতরে ইংরেজীর প্রতি disinterest grow করে। ফলত: Phobia-র সৃষ্টি হয়।
এ সমস্যা দূরীকরনের একমাএ উপায়, ভাষার technology এবং logic বুঝে চর্চা করা।
কোন অযৌক্তিক নিয়মের অবকাশ নেই। I go to school, কিন্তু I go home -‘home’-এর আগে to বসে না বললে চলবে না। কেন বসে না, তা বুঝতে হবে -যুক্তি ভিত্তিক আলোচনায় আসতে হবে। তবেই Phobia দূর হবে।
এছাড়া প্রত্যেক ভাষার মূল উপাদান হচ্ছে ঐ ভাষার শব্দ সম্ভার বা Vocabulary ।
Vocabulary জানতে হবে, একথা বলা বাহুল্য। বরং যার stock of words যত সমৃদ্ধ, ভাষায় তার দখল তত বেশী। শব্দের nature বা প্রকৃতি বুঝে সঠিক ব্যবহারের দক্ষতাই ভাষায় দখল। এক্ষেত্রে মূলত: Parts of speech সম্বদ্ধে সম্যক ধারনা নিতে পারলেই Grammar -এর ৫০% শেখা সম্পন্ন বলে আমি মনে করি। কিন্তু সত্যটি হচ্ছে আমাদের শিক্ষাথীদের ৯০% Parts of speech বুঝে না। যাই হোক আমার আহবান:
Þ    Learn Vocabulary
Þ    Know Grammar and Technology
Þ    And Practice to Win English
 বইটার প্রতিটি পৃষ্ঠা আলাদা আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। না বুঝলে comment করবেন আমি উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। আমার ভাইপো comment এর উত্তর দেওয়া ও অই ডি পাসওয়ার্ড শিখিয়ে দিয়েছে আসা করি সমস্যা হবে না। PDF অকারে চাইলেও দেওয়া যাবে। তবে আমি চাই সবাই আমার সাথে থেকে শিখুক। আমার কলেজের ছাত্র-ছ্ত্রী দের দুইদিন আগে এই বই টির ঠিকানা দেওয়া হয়েছে আজ আপনাদের দিলাম।

বইটি পড়ুন এখান থেকে

কোন রকমের ভুল বা অন্যায় করলে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী।

গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে চান? তবে জেনে নিন কিছু প্রয়জনীয় তথ্য…

 

গ্রাফিক্স কার্ড বা ভিডিও কার্ডের সাথে আমরা কমবেশী সকলেই পরিচিত। কম্পিউটারে হাই ডেফিনেশন আউটপুট পেতে গ্রাফিক্স কার্ডের বিকল্প নেই। “ইন্টার্নাল এবং এক্সটার্নাল” সাধারণত এই দুই ধরনের গ্রাফিক্সকার্ড হয়ে থাকে।

নিচে গ্রাফিক্স কার্ড কেনার সময় বিশেষত যেসব বিষয়ে লক্ষ রাখা প্রয়জন, সেগুলোর সংক্ষিপ্ত বর্ননা দেয়া হল।

 

#গ্রাফিক্স কার্ড কেনার পূর্বে যা যা দেখে নেবেনঃ

  • পিসিআই ভার্সন : আপনার মাদারবোর্ড এর স্লট কোনটি সেটি দেখে কিনুন।

  • ট্রানজিস্টর সংখ্যা : কার্ডে যত বেশি ট্রানজিস্টর, নয়েজ লেভেল তত কম। ফলে ভিডিও ভালোভাবে ফিল্টার হবে। বিষটির প্রতি লক্ষ রাখুন।

  • বাস স্পীড : বাস হল- প্রসেসর একবারে কতটুকু ডাটা নিয়ে কাজ করবে তার পরিমান। বাস বেশি হলে খুব দ্রুত আউটপুট পাবেন। কিন্তু বাস খুব বেশি হলে আবার পাওয়ার খরচের পরিমানটাও বেড়ে যাবে। উপরন্তু আপনার মনিটর ছোট হলে বাস অব্যাবহৃত থেকে যাবে।

  • ক্লক স্পীড : এটা যত ভালো এবং বেশি হবে তত ভাল মানের performance পাবেন।

  • মেমরি : আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী কিনুন।

  • মেমরি টাইপ : DDR, DDR2, GDDR3… দেখে নিন। যত ভালো হবে, তত ভালো পারফরমেন্স পাবেন। অবশ্য GDDR5 এর দাম তুলনামূলক বেশি। আপনার মাদারবোর্ড এর RAM এর সাথে এটির কোন সম্পর্ক নেই।

  • সফটওয়্যার সাপোর্ট: আপনি যে অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করেন, সেই সিস্টেমে কার্ড এর ড্রাইভার পাবেন কিনা তা দেখে নিন।

  • ডিরেক্ট এক্স : ডিরেক্ট এক্স হল মাইক্রোসফট এর অনন্য একটি সংযোজন। নতুন নতুন হার্ডওয়্যার, ভিডিও এক্সিলারেশান, সর্বপরি নতুন গেমস চালানোর জন্য এটি অপরিহার্য। তাই গ্রাফিক্স কার্ড নতুন ভার্সন এর ডিরেক্ট এক্স সাপোর্ট করে কিনা দেখে নিন।

  • ম্যাক্স আউটপুট : বর্তমানে প্রায় সব কার্ডের আউটপুট ১৬০০ X ১২০০ থেকে ২৫৬০ X ১৬০০ এর মধ্যে। তাই এনিয়ে আপাতত চিন্তা না’করলেও চলবে।

  • পাওয়ার : কার্ডটি কত ওয়াট সাপ্লাইয়ের সেটি দেখুন। প্রয়োজনীয় পাওয়ার দিতে না পারলে কিন্তু কাজ করতে সমস্যা হতে পারে। সাধারনত ৪০০ থেকে ৮০০ ওয়াট দরকার হয়।

  • পিক্সেল শেডার : ভিন্ন মাত্রার পিক্সেল এবং আলোর তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে পিক্সেল শেডার প্রয়োজন। আপনার গ্রাফিক্স কার্ড কত সাপোর্ট করে তা দেখে নিন। বর্তমানে এর ভার্সন ৫ বাজারে রয়েছে।

  • মাল্টি আউটপুট : আপনি যদি একসাথে দুই বা ততোধিক মনিটরে সংযোগ দিতে চান সেক্ষেত্রে এটি কাজে আসবে। খেয়াল করে দেখবেন যে প্রায় সব কার্ডেই দুই বা তিনের বেশি পোর্ট থাকে। এগুলো দেওয়া হয় যেন একই সাথে সকল মনিটরে দেখা সম্ভব হয়।

  • মাল্টি-জিপিইউ : একাধিক কার্ড লাগাতে চাইলে এটার দিকে লক্ষ রাখুন। পাশাপাশি মাল্টি-জিপিইউ সাপোর্ট করে এরকম মাদারবোর্ডেরও প্রয়োজন হবে।

  • অ্যান্টি-অ্যালাইনিং : এটা আপনার ছবি ফেটে যাওয়া বা ঘোলাটে ভাব দূর করতে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন গেম ও অ্যাপ চালাতে এটা খুবই প্রয়োজন বিশেষ করে লো রেজ্যুলেশনের গেমের জন্য।

  • রিফ্রেশ রেট: আউটপুট কত রেটে পাবেন, অর্থাৎ মনিটরে কত হার্টজে ভিডিও আসবে তা দেখে নিন। এর ডিফল্ট মান ৬০। আপনার মনিটরের জন্য কোনটি দরকার সেটি দেখুন।

  • এনার্জি সেভিং: আপনার চিপটি এনার্জি সাশ্রয়ী কি’না দেখে কিনুন।


#গ্রাফিক্স কার্ড ভালো রাখার উপায়:

  • ড্রাইভার আপডেট রাখুন।

  • পর্যাপ্ত‌ পাওয়ার সাপ্লাই দিন।

  • ধুলোবালি জনিত সমস্যা এড়াতে কিছুদিন পর পর মাদারবোর্ড থেকে কার্ড খুলে স্লটটি পরিষ্কার করুন।

  • নিয়মিত তাপমাত্রা মনিটর করুন। বেশি গরম হয়ে গেলে পিসি অফ করে ঠান্ডা হতে দিন। ফ্যান কন্ট্রোল করতে সফটওয়্যার ব্যাবহার করতে পারেন।

  • চাইলে কেসিং খুলেও রাখতে পারেন। তবে ইন্টার্রনাল যন্ত্রাংশে বাইরের আঘাত লাগে এমন সম্ভাবনা থাকলে কেচিং বন্ধ রাখাই ভালো। তবে লক্ষ রাখবেন যেন কুলিং সিষ্টেম ঠিকমত কাজ করে।


    ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য। আশাকরি লেখাটির মাধ্যমে উপকৃত হবেন।

     

এখন থেকে আর কষ্ট করে Recycle Bin থেকে কোন ফাইল মোছার বাড়তি ঝামেলা নেই!!!!




কেমন আছেন । আশা করি ভালই আছেন।
আপনি যখন আপনার কম্পিউটার থেকে কোন ফাইল মোছেন তখন সে ফাইল টি প্রথমে Recycl Bin এ জমা হয়, সেখান থকে পরবর্তী আপনি আপনার মুছে ফেলা ফাইলগুলি পুনরদ্ধার করতে পারেন।
কিন্তু আপনি যখন নিশ্চিত ভাবে কোন ফাইল মোছেন তখন Recycle Bin থেকে ফাইল গুলি মোছার বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হয়। সেজন্য আমি আজকে আপনাদের ছোট্ট একটি কৌশল শিখিয়ে দেব যাতে করে আপনাদের আর এই বাড়তি ঝামেলা টা পোহাতে হবেনা।।


১)আপনি যে ফাইল বা ফাইলগুলি মুছতে চান সেগুলো নির্বাচন করুন
২)তারপর SHIFT+DELETE চাপ দিন
৩) এবার একটি ডাইলগ বক্স আসবে সেখান থেকে Yes নির্বাচন করুন।

ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন।সবাই ভাল থাকবেন।

সূত্রঃটেকটিউনস

মানুষ বনাম পিশাচ !!!! (সবার জন্য গেমস)

যদি এমন হয় এক মায়াবী জাদুর রাজ্য ! যেখানে রযেছে এক ভয়ঙ্কর জাদুকর পিশাচ!যে মৃত মানুষদের কে নিয়ে গড়ে তুলেছে তার সৈন্য বাহিনী ! যদি এমন হয় .......আপনি হচ্ছেন রাজা ,ওই জাদুকরী শয়্তানের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে আপনের রাজ্য কে!যদি আপনার থাকে সাদা পন্খীরাজ ঘোড়া?কেমন হবে ? চিন্তা করুন আপনি অপনার রানী আর বিশাল সৈন্য বাহিনী নিয়ে সেই ভয়ঙ্কর জাদুকরের সামনে দাড়িয়ে !!সে জাদু দিয়ে ধংশ করে দিচ্ছে অপনার বাহিনী ! সে মৃত মানুষ আর দানব কে নিয়ে গড়েছে তার বিশাল বাহিনী ! দুই পক্ষে যুদ্ধ হবে .......কে জিতবে? কে?!

স্বপ্নের মত লাগছে ?যদি লেগে থাকে সমস্যা নেই, আজ আমি apnader ওখানেই নিয়ে যাব৷তবে চলুন ................
আপনাদের জন্য এনেছি মজার একটি গেমস ,যার নাম "war chess " ....জি হা এটি দাবা! কিন্তু আপনি এটাকে সাধারণ ভাবলে মস্ত ভুল করবেন .......কেন? 
গেমস টির অনন্য গ্রাফিক্স আর অসাধারণ sound এর কারণে সবার ভালো লাগবে অথচ games টি মাত্র ১৭ mb !!
সব বলে দিলে আর মজা পাবেন না!
তাহলে চলুন খেলা শুরু করা যাক ...... 
RAR PASSWORD-nahidrayhan


(গেমস টি আশা করি সকল pc তে চলবে)
কাল বাড়ি চলে যাব, আর ভালো লাগেনা এই স্বার্থপর শহর!! ভেবে ছিলাম ঈদ এর আগে আপনাদের কে আরো কিছু ভালো টিউন দিব কিন্তু পারলাম না!! আজ আরেকটা টিউন করব আশা করছি .....যাইহোক সবাই ভালো থাকুন 

যেভাবে .mob বই তৈরী করবেন ।শিখে নিন ।

 আস-সালামু-ওয়ালাইকুম
সকলে কেমন আছেন ?
PDF থেকে যেভাবে .mob বই তৈরী করবেন ।
খেয়াল করুনঃ
সব PDF কে .mob বানানো যাবেনা ।কারন সকল PDF থেকে টেস্কট আকারে লেখা কপি করা যায়না ।তবে ৫০০কেবির নিচের ফাইলগুলো সাধারনত কপি করা যায় ।মোট কথা স্ক্যান করা PDF বাদে অন্য PDF গুলোকে নিচের নিয়ম ফলো করে .mob তৈরী করতে পারবেন ।

PDF টির লেখাগুলো কপি করুন ।এবার Write Bangla Pad এর Tools অপশনে গিয়ে Old Bangla To Unicode সিলেক্ট করুন ।একটা রিফ্রেস দিন ।এবার নিচের ঘরটিতে লেখাগুলো পেস্ট করে 'ইউনিকোডে বদলে উপরে নাও' বাটনে ক্লিক করুন ।
একটু Wait করুন যতখন না পর্যন্ত উপরের ঘরটিতে লেখাগুলো আসে ।লেখাগুলো আসলে ,সবগুলো লেখা Select করে মাইক্রোসফল ওয়ার্ডে যান ।Paste করুন ।Plain text হিসেব Save করুন ।Encoading হিসেবে UTF-8 দিন ।
এবার মোবাইলে ফাইলটা এনে,Bluftp দিয়ে Rename করে .txt উঠেয়ে .mob বসিয়ে দেন ।ব্যাস ফাইল তৈরী শেষ। আপলোড করতে Select এ ক্লিক করে Compress with zip এ ক্লিক করে ফাইলটা zip ফাইল করে আপলোড করতে হবে ।
ও হ্যা বড় উপন্যাস হলে একাধিক খন্ড করে দিবেন ।চেষ্টা করবেন প্রতি খন্ডের আকার ৩০০kb এর মধ্যে রাখার জন্য ।

ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন।সবাই ভাল থাকবেন।
সূত্রঃটেকটিউনস 
 

ঈদ এর খুশি প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন ফ্রী আনলিমিটেড এসএমএস এর মাধ্যমে ।

আস-সালামু-ওয়ালাইকুম
সকলে কেমন আছেন ? নিশ্চয়ই ভালো! আর ভালো থাকবেন নাই বা কেন! কাল যে ঈদ। :) আর তাই আপনাদের ঈদ এর খুশিকে দিগুণ করতে নিয়ে এলাম ফ্রী আনলিমিটেড এসএমএস পাঠানোর  সাইট।






এখান থেকে  আপনি যত খুশি এসএমএস করতে পারবেন।
রেজিস্ট্রেশন না করেই পাঠাতে পারেন আনলিমিটেড এসএমএস সারা বিশ্বে।

 তাহলে আর দেরি কেন?  শুরু করে দিন এসএমএস  পাঠানো।  :)
আর আপনাদের সকল এর প্রতি ঈদ এর শুভেচ্ছা  রইল ।
educarebd24 educarebd24 educarebd24